1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
কেশবপুরে হরিহর নদীর পাড় ধসে নদীগর্ভে বিলীন ৪ বসতঘর - bdtelegraph24.com
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১২:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জানুয়ারিতে নতুন বইয়ের পাশাপাশি ইউনিফর্ম পাবে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা: শিক্ষামন্ত্রী বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা: জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের ১ দিনের রিমান্ড ঝিনাইদহে ৪ লাখ টাকার ৭৭টি অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ধ্বংস শাহজালাল বিমানবন্দরে পৃথক অভিযানে ৭৮১ গ্রাম স্বর্ণসহ আটক ৭ জবিতে মোরাল প্যারেন্টিং ট্রাস্টের ‘নৈতিক অভিভাবকত্ব’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ‘বঙ্গোপসাগর সংলাপে’ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থী কুষ্টিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও লুটপাট: এলাকা পুরুষশূন্য কিশোরগঞ্জে মাদকের টাকার জন্য ৫ শিশুকে বিক্রির অভিযোগ শরীয়তপুরে ডোবা থেকে শিশুর গলাকাটা বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, আটক ১ গাজীপুরে পোশাক কারখানায় আগুন, ধোঁয়ায় অসুস্থ ৬৯ জন উদ্ধার

কেশবপুরে হরিহর নদীর পাড় ধসে নদীগর্ভে বিলীন ৪ বসতঘর

  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ১০ জুলাই, ২০২৬
  • ১৪৯ জন খবরটি পড়েছেন

নজরুল ইসলাম যশোর প্রতিনিধি।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

যশোরে কেশবপুরে হরিহর নদ খননের পর টানা ভারী বর্ষণ ও নদীর পাড় ধসের কারণে বালিয়াডাঙ্গা গ্রাম সংলগ্ন এলাকায় চারটি বসতঘর নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে মুহূর্তের মধ্যে ঘরগুলো নদীতে ধসে পড়লে অন্তত দুটি পরিবার মাথা গোঁজার শেষ আশ্রয় হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে।

খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রেকসানা খাতুন। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সদস্যদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের মাঝে শুকনো খাবারসহ জরুরি খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করেন। পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা থেকে পরিবারগুলোকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। এ সময় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর কর্মকর্তারাও ঘটনাস্থলে উপস্থিত থেকে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, হরিহর নদ খননের পর থেকেই নদীর দুই পাশের পাড় দুর্বল হয়ে পড়ে। এর সঙ্গে টানা ভারী বর্ষণে মাটি নরম হয়ে যাওয়ায় পাড় ধসের ঘটনা আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করে। তারা দ্রুত নদীর পাড় স্থায়ীভাবে সংরক্ষণে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।ক্ষতিগ্রস্ত বিল্লাহ হোসেন বলেন, “নদীর পাড় ধসে আমার বসতঘর মুহূর্তের মধ্যে ভেঙে পড়েছে। জীবনের সব সঞ্চয় শেষ হয়ে গেছে। এখন পরিবার নিয়ে কোথায় থাকব, সেটাই বুঝতে পারছি না। সরকারের কাছে দ্রুত সহযোগিতা চাই।”

আরেক ক্ষতিগ্রস্ত ফারুক হোসেন বলেন, বাড়িটিই ছিল আমাদের একমাত্র আশ্রয়। নদীভাঙনে সবকিছু হারিয়ে এখন আমরা অসহায় অবস্থায় রয়েছি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রাথমিক সহায়তা পেয়েছি, তবে স্থায়ী পুনর্বাসনের ব্যবস্থা করা জরুরি।
এদিকে টানা ভারী বর্ষণের কারণে কেশবপুর পৌর শহরে আবারও জলাবদ্ধতার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। শহরের বিভিন্ন নিম্নাঞ্চলে পানি জমতে শুরু করায় সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে। স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ না করলে জনদুর্ভোগ আরও বাড়বে।

কেশবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রেকসানা খাতুন বলেন, “ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে সরকার রয়েছে। তাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় সহায়তা এবং পরবর্তী পুনর্বাসনের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হবে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar