1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
লোহাগাড়ায় উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম: কাজ না করেই ৯০ লাখ টাকা উত্তোলনের অভিযোগ - bdtelegraph24.com
বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
দুর্গাপুরে ১১০ বোতল মাদকসহ নারী আটক, পুলিশ দেখে পালালেন স্বামী কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর মৃত্যু: স্বামীসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দ্রুতগতির ইজিবাইকের সামনে হঠাৎ দৌড়ে চলে এলো নারী, ঘটনাস্থলেই মৃত্যু বিগ ব্যাশে মেলবোর্ন রেনেগেডসের জার্সিতে খেলবেন মুস্তাফিজ বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’: অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় হয়ে অন্ধ্র উপকূলে আঘাতের শঙ্কা প্রাথমিকে সাড়ে ৩৪ হাজার প্রধান শিক্ষক দ্রুত নিয়োগের আশ্বাস প্রতিমন্ত্রীর রাজবাড়ীতে মোটরসাইকেল থেকে ছিটকে পড়ে ট্রাকচাপায় মাদ্রাসাছাত্র নিহত কালিয়াকৈরে আনসার-ভিডিপি একাডেমির কুটিরশিল্পের পণ্যে আকৃষ্ট চার দেশের রাষ্ট্রদূত শার্শা উপজেলা প্রেস ক্লাব সভাপতির সুস্থতা কামনায় দোয়া অনুষ্ঠিত দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান: পহরচাঁদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নতুন তিন শিক্ষক পদায়ন

লোহাগাড়ায় উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম: কাজ না করেই ৯০ লাখ টাকা উত্তোলনের অভিযোগ

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৩ জুলাই, ২০২৬
  • ১১৬ জন খবরটি পড়েছেন

মনির আহমদ আজাদ, লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই), ২০২৬ | সন্ধ্যা ৭টা

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলায় সরকারি বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ বাস্তবে সম্পন্ন না করেই প্রায় ৯০ লাখ টাকার বিল উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। সরেজমিনে অধিকাংশ প্রকল্প এলাকায় গিয়ে কাজের কোনো দৃশ্যমান অগ্রগতি পাওয়া যায়নি। স্থানীয়দের অভিযোগ, অর্থবছর শেষ হওয়ার আগেই কাগজে-কলমে প্রকল্প শতভাগ সম্পন্ন দেখিয়ে সরকারি অর্থ দ্রুত আত্মসাৎ করা হয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, ২০২৫-২৬ অর্থবছরে তিনটি উৎস থেকে মোট প্রায় ৯০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। এর মধ্যে চট্টগ্রাম-১৫ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরীর ডিও লেটারের মাধ্যমে ৪১ লাখ টাকা, উপজেলা উন্নয়ন সহায়তা তহবিল থেকে ৩০ লাখ টাকা এবং জাতীয় রাজস্ব তহবিল থেকে ১৯ লাখ টাকা বরাদ্দ আসে। নিয়ম অনুযায়ী কাজ শেষ হওয়ার পর প্রকৌশলীর প্রত্যয়ন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অনুমোদনের ভিত্তিতে বিল পাস হওয়ার কথা থাকলেও তা মানা হয়নি।

অভিযোগ রয়েছে, উন্মুক্ত বা ই-জিপি পদ্ধতিতে টেন্ডার আহ্বানের নিয়ম থাকলেও পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ না করে গোপনে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব তহবিলের ১৯ লাখ টাকা বরাদ্দ ছিল উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিস, প্রকৌশল অধিদপ্তরের অফিস, পরিষদ ভবন ও মুক্তিযোদ্ধা ভবন সংস্কারের জন্য। স্থানীয়দের দাবি, এসব সংস্কার কাজ বাস্তবে হয়নি। একইভাবে উপজেলা পরিষদের অভ্যন্তরীণ সড়ক ও শিশু পার্ক সংস্কারের ৩০ লাখ টাকার বরাদ্দেরও কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জনপ্রতিনিধি বলেন, “মাঠে গেলেই বোঝা যায় অনেক প্রকল্পের কাজ শেষ হয়নি। অথচ কাগজে শতভাগ কাজ সম্পন্ন দেখিয়ে বিল উত্তোলন করা হয়েছে। নিরপেক্ষ তদন্ত হলে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।”

একজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, “সরকার উন্নয়নের জন্য জনগণের অর্থ বরাদ্দ দেয়। কিন্তু কাজ যদি বাস্তবে না হয়, তাহলে সেই অর্থ কোথায় গেল—তা তদন্ত করে জনগণের সামনে আনা উচিত।”

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী কাজী ফাহাদ বিন মাহমুদ বলেন, “কাজ শেষ না করে বিল নেওয়ার সুযোগ নেই। যেসব কাজ শেষ হয়নি, সেগুলো চলমান হিসেবে দেখানো হয়েছে। আমি নিজেও একটি প্রকল্প পরিদর্শনে আছি।”

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar