মনির আহমদ আজাদ, লোহাগাড়া প্রতিনিধি
সোমবার (২৭ জুলাই), সকাল ৮টা ৪০ মিনিট
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
লোহাগাড়া-চট্টগ্রাম রুটে সৌদিয়া পরিবহনের বাসভাড়া বৃদ্ধি নিয়ে সাধারণ যাত্রীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। একই গন্তব্যে এস আলম পরিবহনের তুলনায় সৌদিয়া পরিবহন যাত্রীপ্রতি ৩০ টাকা বেশি ভাড়া আদায় করছে। জ্বালানি তেলের কোনো সংকট না থাকা সত্ত্বেও অতিরিক্ত এই ভাড়া আদায়ের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ভুক্তভোগী যাত্রীরা।
বর্তমানে লোহাগাড়া থেকে চট্টগ্রাম শহর পর্যন্ত সৌদিয়া বাসের ভাড়া ১৭০ টাকা, যেখানে একই রুটে এস আলম পরিবহনের ভাড়া ১৪০ টাকা। জ্বালানি, খনিজ সম্পদ ও বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে এবং কোনো ঘাটতি নেই। সরকারের এই ঘোষণার পর অতিরিক্ত ভাড়া আদায়কে অযৌক্তিক বলে মনে করছেন যাত্রীরা।
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের ঊর্ধ্বগতি ও জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির এই সময়ে অতিরিক্ত পরিবহন ভাড়া সাধারণ মানুষের ওপর নতুন করে আর্থিক চাপ সৃষ্টি করছে। যাত্রীদের অভিযোগ, একই রুটে একটি পরিবহন ১৪০ টাকায় যাত্রী পরিবহন করতে পারলে অন্য পরিবহনটি কেন ১৭০ টাকা নিচ্ছে, তার কোনো সুনির্দিষ্ট ব্যাখ্যা নেই।
ভুক্তভোগী যাত্রী মো. রহিম বলেন, “সরকার বলছে জ্বালানির সংকট নেই, তাহলে কেন আমাদের বাড়তি ভাড়া দিতে হবে? একই রুটে ভাড়ার এই বৈষম্য কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।”
যাত্রীরা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে এ বিষয়ে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন। তারা বলেন, সৌদিয়া পরিবহনের ভাড়া পুনর্বিবেচনা করা হোক এবং অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ প্রমাণিত হলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
সচেতন নাগরিকদের মতে, গণপরিবহনের ভাড়া জনগণের ক্রয়ক্ষমতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়া জরুরি। সাধারণ মানুষের আর্থিক স্বস্তি ফেরাতে এবং পরিবহন খাতে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে প্রশাসনের দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া সময়ের দাবি।