1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
গোদাগাড়ীর শীর্ষ ২০ মাদক কারবারি: কোটি টাকার সম্পদ ও বিলাসী জীবন - bdtelegraph24.com
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১১:৪৪ পূর্বাহ্ন

গোদাগাড়ীর শীর্ষ ২০ মাদক কারবারি: কোটি টাকার সম্পদ ও বিলাসী জীবন

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই, ২০২৬
  • ৮৬ জন খবরটি পড়েছেন

​মোঃ মনোয়ার হোসেন,​রাজশাহী প্রতিনিধি।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

রাজশাহীর সীমান্তবর্তী উপজেলা গোদাগাড়ীতে আশঙ্কাজনক হারে বেড়েই চলেছে মাদক কারবার। স্থানীয়দের অভিযোগ, চিহ্নিত কিছু শীর্ষ কারবারির হাত ধরেই পুরো এলাকায় সিন্ডিকেট করে ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে ফেনসিডিল, ইয়াবা ও প্রাণঘাতী হেরোইন। এই বিষাক্ত কারবারের মাধ্যমে রাতারাতি কোটি কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ, জমি, দামি গাড়ি ও বিলাসী জীবনযাপনের মালিক বনে গেছে এ চক্রটি।

স্থানীয় সূত্র ও এলাকাবাসীর দেওয়া তথ্য মতে, এলাকায় সক্রিয় শীর্ষ ২০ মাদক কারবারির একটি চক্র গড়ে উঠেছে। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন—​মাদারপুর: জাহাঙ্গীর, নওসাদ আলী, টিপু, মনির, জহুরুল মেম্বার, ইব্রাহিম ও শামীম। ​জেলেপাড়া: তরিকুল।
​সরমংলা: মিজান, আদিল ও কাবা। ​সিএনবি মোড়: শীষ মোহাম্মদ। ​ফাজিলপুর: আনারুল ও বুলবুল। ​মাটিকাটা: সোহেল চেয়ারম্যান।
​রেলগেট: নয়ন ডাক্তার। ​মেডিকেল পূর্বপাড়া: দুরুল ও রাজা। ​মহিশালবাড়ী: মোফা কমিশনার ও কাজল। ​হলের মোড়: শরিফ উদ্দিন।

অভিযোগ রয়েছে, দীর্ঘ দিন ধরে অবাধে মাদক কারবার চালিয়ে আসা এই চক্রটি অর্জিত অবৈধ অর্থের বলে এলাকায় মারাত্মক প্রভাবশালী হয়ে উঠেছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে তারা নামে-বেনামে কিনেছে জমি ও আলিশান বাড়ি। তাদের ক্ষমতার দাপট ও অপতৎপরতায় স্থানীয় সাধারণ মানুষ ভয়ে মুখ খুলতে সাহস পান না। মাদক চক্রের এই আগ্রাসনে সীমান্ত ঘেঁষা এলাকাটির যুবসমাজ আজ চরম ধ্বংসের মুখে পড়েছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সচেতন অভিভাবক ও এলাকাবাসী।
​নাম প্রকাশ না করার শর্তে স্থানীয় কয়েকজন অধিবাসী জানান, “মাঝে মধ্যে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পক্ষ থেকে অভিযান চালানো হলেও মূল হোতা ও বড় কারবারিরা সব সময়ই ধরাছোঁয়ার বাইরে থেকে যায়। গুটি কতক এই অপরাধীর কারণে পুরো গোদাগাড়ী এলাকার সুনাম ক্ষুণ্ন হচ্ছে।”

মাদকের এই বিস্তার ও চক্রটির বিষয়ে জানতে চাইলে গোদাগাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান বলেন, “মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের জিরো টলারেন্স নীতি ও নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। তালিকায় থাকা ও জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়ে সুনির্দিষ্ট তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। অপরাধী যে-ই হোক না কেন, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে এবং কাউকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।”
​এদিকে সীমান্ত জনপদ গোদাগাড়ীকে মাদকের ভয়াল থাবা থেকে রক্ষা করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়মিত সমন্বিত কঠোর অভিযান, বিশেষ নজরদারি ও সার্বিক জনসচেতনতা বাড়ানোর তীব্র দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও নাগরিক সমাজ।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar