1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
রংপুরের নদ-নদীতে ধরা পড়ছে ইলিশ, নাব্যতা সংকটে ব্যাহত আহরণ - bdtelegraph24.com
বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৮:৫৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আসামে উচ্ছেদ অভিযান: মসজিদসহ গুঁড়িয়ে দেওয়া হলো শত শত মুসলিম পরিবারের ঘরবাড়ি কালিয়াকৈরে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে পুলিশের সঙ্গে পোশাক শ্রমিকের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চার দিন গ্যাস সরবরাহ বন্ধের তথ্য গুজব: পেট্রোবাংলা নেপালে দুই হেলিকপ্টারের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ১ আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেন গ্লেন ম্যাক্সওয়েল নাজিরপুর পল্লী জাগরণ উচ্চ বিদ্যালয়কে কলেজে উন্নীত করার উদ্যোগ ডেপুটি স্পিকারের নাসিরনগরে অটোচালক হত্যার মূল আসামি গ্রেফতার, ঘটনাস্থল দেখালেন ঘাতক ফান্দাউক পণ্ডিতরাম উচ্চ বিদ্যালয়ের অভিভাবক সমাবেশ ও নতুন একাডেমিক ভবন শুভ উদ্বোধন বাঘারপাড়ায় মা-ছেলেকে হত্যার রহস্য উদঘাটন, স্বামী আটক কারমাইকেল কলেজের সাবেক শিক্ষার্থী নাসির উদ্দিন ৪৫তম বিসিএসে প্রশাসন ক্যাডারে যোগদান

রংপুরের নদ-নদীতে ধরা পড়ছে ইলিশ, নাব্যতা সংকটে ব্যাহত আহরণ

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ৩ নভেম্বর, ২০২৬
  • ১৪ জন খবরটি পড়েছেন

নিউজ ডেস্ক
মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর), ২০২৬

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

রংপুর বিভাগের লালমনিরহাট, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধা জেলার ১১টি উপজেলার নদ-নদীতে ইলিশ মাছ ধরা পড়ছে। দক্ষিণাঞ্চলের মাছ হিসেবে পরিচিত হলেও তিস্তা, ধরলা, ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা নদীতে ইলিশের দেখা মেলায় স্থানীয় জেলেদের মধ্যে উচ্ছ্বাস দেখা দিয়েছে। তবে নদীর নাব্যতা সংকট ও প্রয়োজনীয় সরঞ্জামের অভাবে আশানুরূপ ইলিশ আহরণ করতে পারছেন না জেলেরা।

মৎস্য বিভাগ সূত্রে জানা যায়, রংপুর অঞ্চলের কুড়িগ্রামের ৬টি, গাইবান্ধার ৪টি ও লালমনিরহাটের ১টি উপজেলায় প্রতি বছর ৫০ থেকে ৬০ টন ইলিশ পাওয়া যায়। গত মৌসুমে এই অঞ্চলে ৪৮ টন ইলিশ আহরণ করা হয়েছে। গত ২৯ অক্টোবর ইলিশ ধরার নিষেধাজ্ঞা উঠে যাওয়ায় জেলেরা আবারও নদীতে মাছ ধরতে নেমেছেন।

কুড়িগ্রাম জেলা মৎস্য কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম আকন্দ বলেন, “মাঝেমধ্যে উত্তরের নদ-নদীতে ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে। তবে নদীগুলোর নাব্যতা সংকট বড় অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া জেলেদের কারিগরি সহায়তার অভাব রয়েছে। বিষয়টি আমরা মন্ত্রণালয়ে জানিয়েছি।”

রংপুর মৎস্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, “সরকারের ইলিশ নিধন বন্ধ কার্যক্রমের আওতায় ১ হাজার ৬শ’ জেলেকে সহায়তা দেওয়া হয়েছে। নদীর নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে পারলে এ অঞ্চলে ইলিশের অপার সম্ভাবনা দেখা দেবে। তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র খননের বিষয়ে সরকারের পরিকল্পনা রয়েছে।”

জেলেদের ভাষ্যমতে, নৌকা সংকট ও নদী ভরাট হয়ে যাওয়ায় মাছ ধরা কঠিন হয়ে পড়েছে। ব্রহ্মপুত্র নদীতে ১ কেজি ওজনের ইলিশ ১২০০ থেকে ১৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। জেলেরা জানান, কালীপূজা পর্যন্ত নদীতে ইলিশ পাওয়া যাবে, এরপর এর পরিমাণ কমে আসবে।

অবসরপ্রাপ্ত মৎস্য জরিপ কর্মকর্তা জুবায়ের আলী বলেন, “ইলিশ মূলত সাগরের মাছ। যেসব নদীর সঙ্গে সাগরের সংযোগ আছে, সেসব নদীতে ইলিশ পাওয়া যায়। এক সময় তিস্তা খরস্রোতা ছিল, তখন সাগর থেকে ইলিশ ডিম পাড়তে আসত। এ অঞ্চলে ইলিশের আগমন বাড়াতে নদীর নাব্য ফিরিয়ে আনার বিকল্প নেই।” সূত্র-বাসস

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar