নিজস্ব প্রতিনিধি।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
সুন্দরবন হতে বনদস্যু নির্মূলের দাবীতে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে টানা ৫ দিনের কর্মসূচির চতুর্থ দিনের মানববন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৩১ অক্টোবর) নাগরিক সমাজের আয়োজনে উপজেলা রমজাননগর ইউনিয়নের ভেটখালী তোমারও বন্ধন ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে মুক্তিপনের আতঙ্ক বন্ধ করো, জেলেদের পরিবারের মুখে হাসি ফুটাও, ভয় নয়, নিরাপত্তা চাই, বনদস্যু মুক্ত সুন্দরবন চাই, সুন্দরবন আমাদের প্রাণ, রক্ষা করা সবার দায়িত্ব ও সম্মান, জেলে- বনজীবিদের কান্না নয়, নিরাপদ জীবনের নিশ্চয়তা চাই, জীবন- জীবিকা রক্ষা করো, বনদস্যুদের প্রতিরোধ করো, সুন্দরবন বাঁচানোর শপথ নাও, দস্যুমুক্ত বন গড়ে যাও, জেলে-জীবনের নিরাপত্তা চাই, দস্যু মুক্ত সুন্দরবন চাইসহ বিভিন্ন স্লোগানে মুখরিত হয়।
উক্ত মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন, বনদর্শন নির্মূল কমিটির সমন্বয়ক ও সাতক্ষীরা জেলা কৃষক দলের আহ্বায়ক গাবুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী সালাউদ্দীন লিটন, শ্যামনগর উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক ও রমজান নগর ইউনিয়ন বিএনপির আহবায়ক চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী শহিদুজ্জামান শহিদ, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম-আহবায়ক ও চেয়াম্যান প্রার্থী গাজী শাহ আলম, রমজান নগর ইউনিয়ন বিএনপি’র যুগ্ন-আহবায়ক ও অতিরিক্ত পিপি এ্যাডঃ মোঃ সিরাজুল ইসলাম, যুগ্ম-আহবায়ক রবিউল ইসলাম লিটন, উপকূলীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি মোঃ আব্দুল হালিম, জেলেদের পক্ষে বক্তব্য রাখেন মোঃ সফিকুল ইসলাম এবং আব্দুল গনি (টাইগার গনি)। মানববন্ধনটি পরিচালনা করেন সাংবাদিক আক্তার হোসেন।
মানববন্ধনে বক্তারা, সুন্দরবনের বনদস্যু নির্মূলে বাংলাদেশ সরকারের প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বন মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করার কথা বলেন। সুন্দরবন উপকূলীয় মানুষের জীবন-জীবিকার অন্যতম প্রধান অবলম্বন। মাছ ও কাঁকড়া আহরণ এবং বনজ সম্পদ সংগ্রহ করে হাজারো পরিবার জীবিকা নির্বাহ করে। কিন্তু বনদস্যুদের অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের আতঙ্কে তাঁদের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হচ্ছে। জীবিকার তাগিদে সুন্দরবনে গিয়ে জেলে-বাওয়ালিরা নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। সুন্দরবনকে বনদস্যুমুক্ত করতে আইনশৃঙ্খলা রাক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বিত অভিযান জোরদার করার দাবি জানান তারা। একই সঙ্গে বনদস্যুদের দমনে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া জেলে ও বাওয়ালিরা নিরাপদে সুন্দরবনে যাতায়াত এবং নির্বিঘ্নে মাছ ও কাঁকড়া আহরণের পরিবেশ নিশ্চিত করার দাবি জানান।