নিজস্ব প্রতিবেদক
শনিবার (৩১ অক্টোবর), সন্ধ্যা ৭টা
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
গণভোটের রায় দ্রুত বাস্তবায়ন এবং জুলাই গণহত্যার বিচারসহ বিভিন্ন দাবিতে লংমার্চ কর্মসূচি পালন করছে ১১ দলীয় ঐক্য। শনিবার (৩১ অক্টোবর) বিকেলে খুলনার বাবরী চত্বরে আয়োজিত পথসভায় জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন না করলে কঠোর থেকে কঠোরতর কর্মসূচি গ্রহণ করবে তাদের জোট।
লংমার্চের উদ্দেশ্য সম্পর্কে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা চাঁদাবাজদের হাত থেকে জাতিকে মুক্ত করতে এবং সন্ত্রাস ও লুটপাট বন্ধের দাবিতে রাজপথে নেমেছি। নির্বাচনের আগে বিএনপি গণভোটের রায় বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিলেও ক্ষমতার মসনদে বসে তা করছে না। তিনি আরও বলেন, জীবন থাকতে জাতির সঙ্গে বেইমানি করা হবে না এবং বৈষম্যমুক্ত মানবিক বাংলাদেশ গড়তে তারা বদ্ধপরিকর।
বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির আল্লামা মামুনুল হক বলেন, সরকার জুলাই সনদের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন করতে চায় না, কারণ এতে দলীয়করণ বাধাগ্রস্ত হবে। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, সোজা আঙ্গুলে ঘি না উঠলে আঙ্গুল বাঁকা করতে হবে। জুলাই সনদ ও গণভোটের রায় বাস্তবায়ন না হলে তাদের সাত দফা এক দফায় রূপ নেবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল গোলাম পরওয়ার বলেন, গণভোটের রায়ের সঙ্গে গাদ্দারি করা বিএনপিকে জনগণ আর ক্ষমতায় দেখতে চায় না। তারা জনগণের ৭০ ভাগ রায়ের অবমাননা করেছে।
এর আগে সকাল ৭টায় রাজধানীর বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের দক্ষিণ গেট থেকে লংমার্চ শুরু হয়। ঢাকা থেকে যাত্রা শুরু করে বহরটি শরীয়তপুর, ফরিদপুর, গোপালগঞ্জ ও বাগেরহাটের বিভিন্ন স্থানে পথসভা করে। খুলনা মহানগরীর বাবরী চত্বরের পথসভা শেষে লংমার্চের বহর ফুলতলা হয়ে যশোর, ঝিনাইদহ ও কুষ্টিয়ার দিকে যাত্রা করে। কুষ্টিয়ার শহীদ আবরার ফাহাদ স্টেডিয়ামে সমাপনী সমাবেশের মাধ্যমে এই লংমার্চ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।