দোয়া শুধু প্রার্থনা নয়, এটি ইবাদতেরও গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মহান আল্লাহর কাছে বিনয় ও আন্তরিকতার সঙ্গে দোয়া করা এবং দোয়ার ফল পেতে তাড়াহুড়া না করার শিক্ষা দিয়েছেন মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)। দোয়ার শুরুতে ও শেষে দরুদ পাঠ, গোপনে প্রার্থনা এবং ধৈর্য ধারণ করাকে দোয়ার গুরুত্বপূর্ণ আদব হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
পবিত্র কোরআনের সুরা গাফিরের ৬০ নম্বর আয়াতে আল্লাহ বলেছেন, তাঁর কাছে দোয়া করতে; তিনি তা কবুল করবেন। একই আয়াতে যারা অহংকারবশত তাঁর কাছে প্রার্থনা করে না, তাদের জন্য শাস্তির কথা উল্লেখ রয়েছে।
দোয়ার মাধ্যমে মানুষ আল্লাহর কাছে নিজের অসহায়ত্ব প্রকাশ করে এবং তাঁকেই একমাত্র সাহায্যকারী ও আশ্রয়দাতা হিসেবে স্বীকার করে। হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, দোয়া না করার বিষয়টিও আল্লাহর অসন্তুষ্টির কারণ হতে পারে।
দোয়া করার ক্ষেত্রে কয়েকটি আদবের কথা বলা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, দোয়ার শুরুতে ও শেষে দরুদ শরিফ পাঠ করা, বিনয় ও আন্তরিকতার সঙ্গে প্রার্থনা করা এবং গোপনে আল্লাহর কাছে দোয়া করা।
এ ছাড়া দোয়া করার পরপরই ফল না পেলে হতাশ হওয়া উচিত নয়। হাদিসের বর্ণনা অনুযায়ী, বান্দার দোয়ার প্রতিদান তিনভাবে আসতে পারে। আল্লাহ প্রার্থিত বিষয়টি দিয়ে দিতে পারেন, কোনো বিপদ দূর করে দিতে পারেন অথবা সেই দোয়ার প্রতিদান আখেরাতের জন্য জমা রাখতে পারেন।
তাই দোয়ার ফল তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া না গেলেও হতাশ না হয়ে ধৈর্য ও বিশ্বাসের সঙ্গে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা চালিয়ে যাওয়ার শিক্ষা দেওয়া হয়েছে।