বেনাপোল প্রতিনিধি। বেনাপোল কাস্টমস হাউসের রাজস্ব কর্মকর্তা শামিমা আক্তারকে ঘুষের ২ লাখ ৭৬ হাজার টাকাসহ আটকের পর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অনৈতিক সুবিধা নিয়ে তাকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
সোমবার বিকাল ৩টার দিকে বেনাপোল কাস্টমস হাউসে অভিযান চালিয়ে রাজস্ব কর্মকর্তা শামিমা আক্তার ও তার সহযোগী এক এনজিও সদস্যকে আটক করে দুদক। তবে রাত ৯টার দিকে কাস্টমস কমিশনারের কক্ষে টানা পাঁচ ঘণ্টার গোপন বৈঠকের পর কর্মকর্তাকে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
ঘটনার সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নে দুদক কর্মকর্তারা জানান, ঘুষ লেনদেনের অভিযোগে অভিযান চালিয়ে তারা নগদ টাকা উদ্ধার করেন। রাজস্ব কর্মকর্তা স্বীকার করেছেন, এনজিও সদস্যের কাছে পাওয়া ঘুষের টাকা তারই ছিল। তবে টাকা সরাসরি তার কাছ থেকে না পাওয়ায় এনজিও সদস্যকে আটক রেখে রাজস্ব কর্মকর্তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।
এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও জনতা রাত ৯টার দিকে কাস্টমস হাউসের সামনে দুদকের গাড়ি প্রায় আধা ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখে। পরে পুলিশের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত হয় এবং দুদক কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
অভিযোগ উঠেছে, অপরাধ স্বীকারের পরও কর্মকর্তাকে ছেড়ে দেওয়া দুদকের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস নষ্ট করবে।