বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
ঢাকা: সমবায় অধিদপ্তরের শতাধিক কর্মচারীর পদোন্নতির তালিকা তৈরি হলেও শেষ পর্যন্ত পদোন্নতি দেওয়া হয়নি। ঘুষ না দেওয়ায় পদোন্নতি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে—এমন অভিযোগ তুলেছেন বঞ্চিত কর্মকর্তারা।
অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, সহকারী পরিদর্শক, উচ্চমান সহকারী, প্রধান সহকারী, মহিলা পরিদর্শক, তাঁত বিশেষজ্ঞসহ দুই শতাধিক কর্মকর্তা এক যুগেরও বেশি সময় ধরে পদোন্নতির অপেক্ষায় ছিলেন। ১৪০ জনের নাম তালিকায় ওঠার পরও শতাধিক কর্মকর্তা পদোন্নতি থেকে বঞ্চিত হন।
পদোন্নতির জন্য গঠিত পাঁচ সদস্যের কমিটিতে উপনিবন্ধক (প্রশাসন) মুহাম্মদ তানিম রহমানের একক স্বাক্ষরেই প্রতিবেদন দেওয়া হয়। পরে ভুল ও জটিলতা দেখিয়ে পদোন্নতি কার্যক্রম বন্ধ করা হয়। অভিযোগ উঠেছে, তানিম রহমান প্রতিটি পদোন্নতির জন্য দুই থেকে চার লাখ টাকা ঘুষ দাবি করেছিলেন এবং ঘুষ আদায়ের দায়িত্ব দেন উপসহকারী নিবন্ধক আমিনুল ইসলাম ও সহকারী পরিদর্শক আব্দুল ওয়াহেদকে।
অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, তানিম রহমান যুগ্ম নিবন্ধক হেলাল উদ্দিনের নাম ব্যবহার করে কিছু কর্মকর্তার কাছ থেকে অর্থ নিয়েছেন ও স্বাক্ষর জাল করেছেন। অন্তত ২৪ জন কর্মকর্তা এ বিষয়ে মহাপরিচালকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে উপনিবন্ধক তানিম রহমান বলেন, “আমি কোনো অনিয়মে জড়িত নই। কিছু সহকর্মী অপপ্রচার চালাচ্ছে।” অন্যদিকে যুগ্ম নিবন্ধক হেলাল উদ্দিন বলেন, “অভিযোগ ভিত্তিহীন ও অগ্রহণযোগ্য।”
সমবায় অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মুনিমা হাফিজ বলেন, “কিছু কাগজপত্র অসম্পূর্ণ থাকায় পদোন্নতি স্থগিত রাখা হয়েছে। সংশোধনের পর পরবর্তী সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।”