বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে দুই সপ্তাহের বেশি সময় ধরে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তাঁর শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত থাকলেও চিকিৎসকেরা স্বস্তি প্রকাশ করে জানিয়েছেন যে নতুন করে অবস্থার কোনো অবনতি হচ্ছে না, যা বর্তমান পরিস্থিতিতে একটি ইতিবাচক দিক।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
হৃদ্রোগ বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক শাহাবুদ্দিন তালুকদারের নেতৃত্বে দেশি-বিদেশি দুই ডজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সমন্বয়ে গঠিত মেডিকেল বোর্ড প্রতিদিন বৈঠক করে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর স্বাস্থ্যের উন্নতি আনার চেষ্টা করছেন।
মেডিকেল বোর্ডের একজন চিকিৎসক আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় জানান, কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে না হলেও ম্যাডামের কিছুটা উন্নতি হচ্ছে। তবে ৮০ বছর বয়সী এই নেত্রীর বয়সজনিত কারণ এবং বহুমুখী জটিলতা (কিডনি, লিভার, ফুসফুস, ডায়াবেটিস) চিকিৎসার পথে উচ্চ ঝুঁকি সৃষ্টি করছে।
শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে গত ২৩ নভেম্বর হাসপাতালে ভর্তি হন খালেদা জিয়া এবং ২৭ নভেম্বর তাঁকে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) নেওয়া হয়। তাঁকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডনে নিতে কাতারের সহায়তায় এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা করা হলেও, শারীরিক অবস্থা বিদেশযাত্রার উপযোগী না হওয়ায় তা স্থগিত করা হয়েছে।
চিকিৎসকেরা বলছেন, আপাতত তাঁকে দেশের বাইরে নেওয়ার কোনো পরিকল্পনা নেই। এই মুহূর্তে এভারকেয়ার হাসপাতালে ‘পৃথিবীর সেরা চিকিৎসা’ দেওয়া হচ্ছে এবং বিদেশযাত্রার সিদ্ধান্তটি পুরোপুরি নির্ভর করছে তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতির ওপর। হাসপাতালে তাঁর পাশে সার্বক্ষণিক রয়েছেন পুত্রবধূ ডা. জুবাইদা রহমানসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্য।