1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
মোদির পোস্টে 'বাংলাদেশ'এর অনুপস্থিতিকে সার্বভৌমত্বের হুমকি মনে করছেন বাংলাদেশীরা - bdtelegraph24.com
শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাটির ৪০০ ফুট গভীরে রোমানিয়ার প্রাচীন খনিতে গড়ে উঠেছে থিম পার্ক দেশের সীমানা পেরিয়ে আন্তর্জাতিক বাজারে সাতক্ষীরার ঐতিহ্যবাহী মিষ্টি শ্রমিকদের আপত্তির মধ্যেই চট্টগ্রাম বন্দরের টার্মিনাল পরিচালনার দায়িত্ব পেল ডিপি ওয়ার্ল্ড রাঙামাটিতে সেনাবাহিনীর উদ্যোগে বিনামূল্যে চিকিৎসাসেবা ও ওষুধ বিতরণ চুরি যাওয়া ম্যাকবুক-ক্যামেরার খোঁজে রাজশাহীতে জার্মান পর্যটক বাঘারপাড়া মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে অর্থ ছাড়া ফাইল নড়ে না! কুষ্টিয়ায় মাদ্রাসাছাত্রকে বলাৎকার চেষ্টার অভিযোগ: পুলিশ-জনতা সংঘর্ষে ওসিসহ আহত ৩ রাঙামাটিতে শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে শারদ উপহার ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ প্রিয় শিক্ষকের অশ্রুসজল ও বর্ণিল বিদায় শরণখোলায় নারিকেল পাড়তে গিয়ে গাছ থেকে পড়ে কিশোরের মৃত্যু

মোদির পোস্টে ‘বাংলাদেশ’এর অনুপস্থিতিকে সার্বভৌমত্বের হুমকি মনে করছেন বাংলাদেশীরা

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ১৬ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৩২৪ জন খবরটি পড়েছেন
Bangladesh Independence

বিজয় দিবস উপলক্ষে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর পোস্টে বাংলাদেশের নাম সম্পূর্ণভাবে এড়িয়ে যাওয়ায়, দেশের রাজনৈতিক ও বুদ্ধিজীবী মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া এবং ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। টানা দ্বিতীয় বছর একই ধরনের পোস্ট দেওয়ায় সরকার পতন আন্দোলনে নেতৃত্ব দেওয়া বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ এবং অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল-এর মতো প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বরা কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছেন। তাদের এই মন্তব্যগুলো কেবল কূটনৈতিক শিষ্টাচারের প্রশ্ন নয়, বরং বাংলাদেশের সার্বভৌমত্বের বিষয়টিও সামনে এনেছে।

সরাসরি ‘হুমকি’র অভিযোগ

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

সবচেয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়াটি এসেছে হাসনাত আব্দুল্লাহ’র কাছ থেকে। তিনি নরেন্দ্র মোদির বক্তব্যকে ‘বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও অখণ্ডতার প্রতি সরাসরি হুমকি’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি যুক্তি দেন, যেহেতু এই যুদ্ধ বাংলাদেশের স্বাধীনতার জন্য সংঘটিত হয়েছিল, তাই মোদি যখন একে শুধু ভারতের অর্জন বলে দাবি করেন, তখন বাংলাদেশের অস্তিত্বই উপেক্ষিত হয়। তিনি এই হুমকির বিরুদ্ধে লড়াই চালিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকারও করেছেন। হাসনাত আব্দুল্লাহর এই মন্তব্য, বিশেষ করে চলমান সরকার-পতন আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে, আঞ্চলিক রাজনীতিতে বাংলাদেশের অবস্থানের বিষয়ে একটি জোরালো বার্তা দিয়েছে।

বিজয়ের মিত্র, এর বেশি কিছু নয়

অন্তর্বর্তী সরকারের আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল প্রধানমন্ত্রীর বার্তার ‘তীব্র প্রতিবাদ’ জানিয়েছেন। কূটনৈতিক পরিভাষায় তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, “১৬ ডিসেম্বর ১৯৭১ ছিল বাংলাদেশের বিজয়ের দিন।” এর পাশাপাশি তিনি ভারতের ভূমিকাকে সীমিত করে বলেন, “ভারত ছিল এই বিজয়ের মিত্র, এর বেশি কিছু নয়।” আইন উপদেষ্টার এই মন্তব্য দুই দেশের ঐতিহাসিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে বন্ধুত্বের মর্যাদা বজায় রেখেও বাংলাদেশের নিজস্ব স্বাধীনতার গুরুত্বকে দৃঢ়ভাবে প্রতিষ্ঠা করার একটি প্রয়াস বলে মনে করা হচ্ছে।

সামাজিক মাধ্যমে ক্ষোভ ও প্রত্যাখ্যান

মোদি তাঁর পোস্টে ভারতীয় সেনাদের সাহস ও আত্মত্যাগের কথা বললেও, বাংলাদেশের নাম উল্লেখ না করায় ফেসবুক ও এক্স প্ল্যাটফর্মে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। বহু বাংলাদেশি ব্যবহারকারী এটিকে ‘ফ্যাব্রিকেটেড হিস্ট্রি’ (বানোয়াট ইতিহাস) বলে প্রত্যাখ্যান করেছেন এবং জোরালোভাবে দাবি করেছেন যে এটি বাংলাদেশের বিজয়।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রীর এই ধারাবাহিক নীরবতা দুই বন্ধুপ্রতিম দেশের মধ্যকার ঐতিহাসিক সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। বিশেষ করে যখন সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ের দুজন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব জনসমক্ষে এমন প্রতিবাদ করছেন, তখন এটি বাংলাদেশের জাতীয় ভাবাবেগকে গুরুত্ব দিয়ে দেখার জন্য দিল্লির প্রতি একটি জোরালো কূটনৈতিক বার্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar