ডেস্ক নিউজ।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নবনির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভার ২৫ জন সদস্য আজ শপথ গ্রহণ করেছেন। মঙ্গলবার বিকেলে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নতুন এই মন্ত্রীদের শপথ বাক্য পাঠ করান। শপথের পরপরই নতুন সরকারের গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরগুলো বণ্টন করা হয়েছে।
দীর্ঘ দেড় দশক পর রাষ্ট্রক্ষমতায় ফেরা এই মন্ত্রিসভার গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে দেখা গেছে অভিজ্ঞ ও হেভিওয়েট নেতাদের।
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। আলোচিত ও গুরুত্বপূর্ণ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সালাহউদ্দিন আহমদকে।
বৈদেশিক সম্পর্কের চ্যালেঞ্জ সামলাতে অভিজ্ঞ কূটনীতিক খলিলুর রহমানকে (টেকনোক্র্যাট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এছাড়া শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন আ ন ম এহসানুল হক মিলন এবং আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মো. আসাদুজ্জামানকে।
এবারের মন্ত্রিসভায় বেশ কয়েকজন নেতার কাঁধে একাধিক মন্ত্রণালয়ের ভার ন্যস্ত করা হয়েছে। শেখ রবিউল আলমকে সড়ক পরিবহন, সেতু, রেলপথ এবং নৌ পরিবহনের মতো বিশাল চারটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একইভাবে খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরকে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। আমিন উর রশিদকে টেকনোক্র্যাট কোটায় কৃষি, মৎস্য ও খাদ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
দলের সিনিয়র নেতাদের মধ্যে মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং মিজানুর রহমান মিনু ভূমি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন দীপেন দেওয়ান এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের ভার পড়েছে ফকির মাহবুব আনামের ওপর।
শপথ অনুষ্ঠান শেষে নতুন মন্ত্রীরা আগামীকাল থেকেই তাঁদের নিজ নিজ দপ্তরে যোগ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে। এই মন্ত্রিসভার মাধ্যমে নতুন সরকার দেশ সংস্কার ও প্রশাসনিক গতিশীলতা আনবে বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে।