ডেস্ক নিউজ।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
দেশের দরিদ্র মানুষের অর্থনৈতিক সুরক্ষা দিতে প্রাথমিকভাবে পাঁচ কোটি পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নবগঠিত সরকার। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে আজ বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত এক উচ্চ পর্যায়ের আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
সরকার চায় আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগেই এই কার্যক্রমটি পরীক্ষামূলক বা পাইলট প্রজেক্ট হিসেবে চালু করতে।
সভা শেষে কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ জানিয়েছেন, এই ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সুবিধাভোগীদের সরাসরি নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে। তিনি বলেন, “কার্ড বিতরণের ক্ষেত্রে আমরা সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছি হতদরিদ্র মানুষ এবং নারীদের। তারা এই তালিকায় অগ্রাধিকার পাবেন।”
পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রী আব্দুল আউয়াল মিন্টু জানান, প্রধানমন্ত্রী চান ঈদের আগেই অন্তত ক্ষুদ্র পরিসরে হলেও এই সেবার সুফল যেন মানুষের কাছে পৌঁছায়। মূলত এই সহায়তা কীভাবে মানুষের হাতে পৌঁছানো হবে, তা নিয়েই সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।
একই সভায় সরকারি প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা বজায় রাখার বিষয়ে কড়া বার্তা দিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দীন স্বপন। সম্প্রতি বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থায় (বাসস) ঘটে যাওয়া অপ্রীতিকর পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, “কাউকে মব বা গণদাবি তুলে চাকরিচ্যুত করা যাবে না। কারো বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হলে অবশ্যই সরকারি বিধি অনুসরণ করতে হবে।” বাসস-এ ঘটে যাওয়া ঘটনাকে তিনি ‘দুঃখজনক’ বলে মন্তব্য করেন।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই ফ্যামিলি কার্ডের জন্য প্রকৃত হকদারদের তালিকা তৈরির কাজ দ্রুত শুরু করা হবে যাতে ঈদের আগেই বড় একটি জনগোষ্ঠীকে এই সুবিধার আওতায় আনা যায়।