1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
কিশোরগঞ্জের বালিখলা ফেরিঘাটে যাত্রীসেবায় নতুন উদ্যোগ - bdtelegraph24.com
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:২৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জানুয়ারিতে নতুন বইয়ের পাশাপাশি ইউনিফর্ম পাবে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা: শিক্ষামন্ত্রী বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা: জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের ১ দিনের রিমান্ড ঝিনাইদহে ৪ লাখ টাকার ৭৭টি অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ধ্বংস শাহজালাল বিমানবন্দরে পৃথক অভিযানে ৭৮১ গ্রাম স্বর্ণসহ আটক ৭ জবিতে মোরাল প্যারেন্টিং ট্রাস্টের ‘নৈতিক অভিভাবকত্ব’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ‘বঙ্গোপসাগর সংলাপে’ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থী কুষ্টিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও লুটপাট: এলাকা পুরুষশূন্য কিশোরগঞ্জে মাদকের টাকার জন্য ৫ শিশুকে বিক্রির অভিযোগ শরীয়তপুরে ডোবা থেকে শিশুর গলাকাটা বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, আটক ১ গাজীপুরে পোশাক কারখানায় আগুন, ধোঁয়ায় অসুস্থ ৬৯ জন উদ্ধার

কিশোরগঞ্জের বালিখলা ফেরিঘাটে যাত্রীসেবায় নতুন উদ্যোগ

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ৮ জুন, ২০২৬
  • ৭৭ জন খবরটি পড়েছেন

স্টাফ রিপোর্টার:
কিশোরগঞ্জের করিমগঞ্জ উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ বালিখলা ফেরিঘাটে যাত্রীদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করতে নির্মিত হচ্ছে আধুনিক যাত্রী ছাউনি। সোমবার (৮ জুন) দুপুরে কিশোরগঞ্জ জেলা পরিষদের অর্থায়নে বাস্তবায়িত এ প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও নির্মাণকাজের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, ব্যবসায়ী, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বক্তারা বলেন, বালিখলা ফেরিঘাট কিশোরগঞ্জের হাওরাঞ্চলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ কেন্দ্র হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে ভূমিকা পালন করে আসছে। ইটনা, মিঠামইন, অষ্টগ্রাম, নিকলীসহ বিস্তীর্ণ হাওর এলাকার লাখো মানুষ প্রতিদিন এই ঘাট ব্যবহার করে জেলা সদরসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাতায়াত করেন।

স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, প্রতিদিন কয়েক হাজার যাত্রী এ ঘাট দিয়ে যাতায়াত করলেও এতদিন পর্যাপ্ত যাত্রীসেবা নিশ্চিত করার মতো কোনো স্থায়ী অবকাঠামো ছিল না। ফলে রোদ, বৃষ্টি, ঝড়ো হাওয়া কিংবা প্রতিকূল আবহাওয়ায় যাত্রীদের খোলা আকাশের নিচে অপেক্ষা করতে হতো। বিশেষ করে নারী, শিশু, বৃদ্ধ ও অসুস্থ যাত্রীরা সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের শিকার হতেন।
নিয়মিত যাত্রী মো. আব্দুল কাদির বলেন, “বছরের পর বছর ধরে আমরা কষ্ট করে এখানে অপেক্ষা করেছি। বৃষ্টি হলে ভিজতে হতো, রোদে দাঁড়িয়ে থাকতে হতো। যাত্রী ছাউনি নির্মাণ হলে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ অনেকটাই কমে যাবে।”
স্থানীয় ব্যবসায়ী মো. সাইদুল ইসলাম বলেন, “দীর্ঘদিনের দাবির পর অবশেষে যাত্রী ছাউনি নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এটি শুধু যাত্রীদের জন্য নয়, পুরো এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি নিরাপত্তা, পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা ও আধুনিক শৌচাগার নির্মাণেরও প্রয়োজন রয়েছে।”

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদের প্রশাসক খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান বলেন, “হাওরাঞ্চলের মানুষের যাতায়াতকে আরও নিরাপদ, স্বাচ্ছন্দ্যময় ও মানবিক করতে জেলা পরিষদ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। বালিখলা ফেরিঘাটে আধুনিক যাত্রী ছাউনি নির্মাণ তারই অংশ।”
তিনি আরও জানান, স্থানীয় জনগণের দীর্ঘদিনের দাবি এবং জনপ্রতিনিধিদের সুপারিশের ভিত্তিতে সড়ক ও জনপথ বিভাগের অনুমতি নিয়ে সরকারি জায়গায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে এবং আগামী দুই মাসের মধ্যে নির্মাণকাজ শেষ করার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।

প্রকল্পের আওতায় যাত্রীদের বসার ব্যবস্থা, টয়লেট সুবিধা, পর্যাপ্ত আলো এবং প্রয়োজনীয় নাগরিক সুবিধা নিশ্চিত করা হবে বলে জানান তিনি। এতে সাধারণ যাত্রীদের পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব পালনও সহজ হবে।
আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে তিনি বলেন, জেলার সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন, পুলিশ ও অন্যান্য সংস্থা সমন্বিতভাবে কাজ করছে। অবকাঠামোগত উন্নয়ন মানুষের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করার পাশাপাশি সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেও সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

জেলা পরিষদ সূত্রে জানা গেছে, ইতোমধ্যে জেলার বিভিন্ন স্থানে ১৫ থেকে ২০টি যাত্রী ছাউনি নির্মাণ করা হয়েছে। ভবিষ্যতে আরও ৩০ থেকে ৪০টি যাত্রী ছাউনি নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, নৌ ও ফেরিঘাট এলাকায় যাত্রীসেবা আরও উন্নত করা যায়।

এদিকে বালিখলা ঘাটের যাত্রী ও স্থানীয় বাসিন্দারা আশা প্রকাশ করেছেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নির্মাণকাজ শেষ করে যাত্রী ছাউনিটি জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। পাশাপাশি ঘাট এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, পর্যাপ্ত আলোকসজ্জা ও আধুনিক নাগরিক সুবিধা সম্প্রসারণেরও দাবি জানিয়েছেন তারা।

স্থানীয়দের মতে, যাত্রী ছাউনিটি নির্মিত হলে হাওরাঞ্চলের মানুষের যাতায়াতে নতুন মাত্রা যোগ হবে এবং বালিখলা ফেরিঘাট একটি আরও আধুনিক ও যাত্রীবান্ধব যোগাযোগ কেন্দ্রে পরিণত হবে।


শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar