1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
পাবনা জেলার ফরিদপুর পৌরসভার খলিশাদহ গ্রামে ট্রাক দুর্ঘটনা ঘটছে: একজন আহত - bdtelegraph24.com
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জানুয়ারিতে নতুন বইয়ের পাশাপাশি ইউনিফর্ম পাবে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা: শিক্ষামন্ত্রী বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা: জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের ১ দিনের রিমান্ড ঝিনাইদহে ৪ লাখ টাকার ৭৭টি অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ধ্বংস শাহজালাল বিমানবন্দরে পৃথক অভিযানে ৭৮১ গ্রাম স্বর্ণসহ আটক ৭ জবিতে মোরাল প্যারেন্টিং ট্রাস্টের ‘নৈতিক অভিভাবকত্ব’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ‘বঙ্গোপসাগর সংলাপে’ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থী কুষ্টিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও লুটপাট: এলাকা পুরুষশূন্য কিশোরগঞ্জে মাদকের টাকার জন্য ৫ শিশুকে বিক্রির অভিযোগ শরীয়তপুরে ডোবা থেকে শিশুর গলাকাটা বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, আটক ১ গাজীপুরে পোশাক কারখানায় আগুন, ধোঁয়ায় অসুস্থ ৬৯ জন উদ্ধার

পাবনা জেলার ফরিদপুর পৌরসভার খলিশাদহ গ্রামে ট্রাক দুর্ঘটনা ঘটছে: একজন আহত

  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬
  • ৬৭ জন খবরটি পড়েছেন

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

মো: আরিফুল ইসলাম,
জেলা পাবনা প্রতিনিধি।

বুধবার (১লা জুলাই) পাবনা জেলার ফরিদপুর উপজেলার ফরিদপুর পৌরসভার ৩নং ওয়ার্ডের সোনার বাংলা ক্লাব খলিশাদহ এলাকায় গতকাল রাত আনুমানিক ১টার দিকে একটি ট্রাক মেন রাস্তা দিয়ে যাওয়ার পথে আবুল হোসেন (৬০), মো: আজিদুল (৪০) এর ঘরের সঙ্গে গিয়ে ধাক্কা লেগে দুইটি ঘরের বেশিরভাগ জিনিসপত্র নষ্ট হয়ে গেছে। এখন দুইটি ঘরের পরিবারের লোকজন কষ্টের দিন কাটাচ্ছে। কিন্তু মো: শাহিন (২০) পিতা: মো: আজিদুল আহত হয়েছে। পরে আহত ব্যাক্তিকে রাতে পরিবারের লোকজন ফরিদপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ভর্তি করেন।

সড়ক যোগাযোগের বিস্তৃত এই নেটওয়ার্কে প্রতিদিনই কোনো না কোনো দুর্ঘটনা ঘটছে। মানুষের জীবন তো যাচ্ছেই, বহু মানুষ আহত হয়ে চিরজীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে যাচ্ছে। এতে আহত হওয়া কর্মক্ষম মানুষের পরিবারের জীবন কী দুর্দশা ও দু:সহ অবস্থায় নিপতিত হয়, তাঁর কোনো হিসাব নেই। সরকারি বেসরকারিভাবে ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার গুলোর কোনো খোঁজ পাওয়া যায় না। একটি পরিবারের অভিভাবক আহত হলে সেই পরিবারটি কিভাবে চলছে, তাঁর পরিসংখ্যান তুলে ধরা হয় না। এখন তো এমন দুর্ঘটনা ঘটছে যে, পুরো পরিবারই ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। পরিবারের অস্তিত্ব বলে কিছু থাকছে না।

আমরা শুধু দুর্ঘটনার খবরটি শুনে আফসোস করছি। তবে কর্মজীবী যে মানুষটি আহত হল তাঁর পরিবারের কথাটি ভাবছি না। আমরা ভাবতে চাই না। ভেবে কোনো কূল-কিনারা পাই না। এক সময় এই ভাবনা থেকে সরে যাই। দুর্ঘটনায় ধ্বংস হয়ে যাওয়া এমন ঘটনা এখন অহরহ ঘটছে। কেন ঘটছে, তাঁর কারণ সবারই জানা। সড়কে চালকদের বেপরোয়া আচরণ, অদক্ষ চালক, অসচেতনতা, ফিটনেসবিহীন যানবাহন, সড়কের দুর্দশা, ধীর গতির অবৈধ যানবাহন চলা ইত্যাদি নানা কারণ চিহ্নিত হয়ে আছে। কারণগুলোর সমাধান করা গেলে অন্তত সড়ক দুর্ঘটনা কিছুটা হলেও নিয়ন্ত্রণ করা যেত। এসব কারণের বাইরে দুর্ঘটনা ঘটলে তাকে হয়তো দুর্ঘটনা বলা যেত। কারণ গুলোর প্রতিকার না করা পর্যন্ত কোনোভাবেই দুর্ঘটনাকে শুধু দুর্ঘটনা বলা যায় না।

অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দুর্ঘটনার পেছনে মানুষের হাত রয়েছে। জেনেশুনে এবং ইচ্ছাকৃত ভুল রয়েছে। এই জেনেশুনে এবং ইচ্ছাকৃত ভুল করছে গাড়ি চালকেরা। আরেকটু গোড়ার দিকে গেলে, এই ভুল করছে পরিবহন মালিক। গাড়ি চালকদের বেপরোয়া মনোভাব ও অদক্ষতা তাদের জানাশোনার মধ্যেই রয়েছে। তাঁরা নিজেদের অদক্ষতা জেনে বুঝেই গাড়ির স্টিয়ারিং ধরছে। গাড়ি মালিকেরাও তাদের জ্ঞাতসারেই অদক্ষ চালকদের প্রশ্রয় দিচ্ছে।
কাজেই দুর্ঘটনা যে শুধুই দুর্ঘটনা, এতে মানুষের হাত নেই-এ অজুহাত দেয়ার সুযোগ নেই। বলা যায়, জানাশোনার মধ্যে থেকেই দুর্ঘটনা ঘটছে এবং ঘটানো হচ্ছে।

এখন পরিবার ও সমাজ এমন একটা সময় অতিক্রম করছে, যেখানে মূল্যবোধের চরম অবক্ষয় ঘটছে। একের পর এক অনৈতিক ঘটনা যেমন ঘটছে, সার্বিক অবস্থা বিবেচনায় মনুষ্য সৃষ্ট এক ধরনের বিপর্যয়কর পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে পরিবার ও সমাজ অস্থির হয়ে উঠেছে। যেসব ঘটনা ঘটছে, এগুলো কোনভাবেই দুর্ঘটনা নয়। মাদকের যে ভয়াবহ আগ্রাসন চলছে, তা জেনেবুঝেই করা হচ্ছে। একজন মাদক সেবন করছে স্ব-জ্ঞানে। নিজেকে স্বেচ্ছায় মৃত্যুর দিকে ধাবিত করছে। একে দুর্ঘটনা বলা যায় না। একইভাবে সড়ক পথে যেসব দুর্ঘটনা ঘটছে, সেগুলোকেও এখন আর শুধু দুর্ঘটনা হিসেবে গণ্য করা যায় না।

বেশিরভাগ দুর্ঘটনার মধ্যে ৯১ শতাংশই ঘটে অতিরিক্ত গতি ও চালকের বেপরোয়া চালনার জন্য। অথচ সবার আগে এ কাজটি করা দরকার। তা নাহলে, মসৃণ সড়কে অদক্ষ ও আনফিট চালক এবং পরিবহন চললে দুর্ঘটনা ঘটবেই। বলার অপেক্ষা রাখে না, বেশিরভাগ দুর্ঘটনাই চালকদের বেপরোয়া মনোভাবের কারণে হয়ে থাকে। ফলে এসব দুর্ঘটনাকে শুধু দুর্ঘটনা বলা যায় না। সড়ক দুর্ঘটনায় একটি পরিবারের উপার্জনক্ষম কোন সদস্য মৃত্যু বা পুঙ্গুত্বের শিকার হলে সে পরিবারটি কি শোচনীয় ও অশেষ দুর্ভোগের মধ্যে পড়ে, তা তাঁরা ছাড়া আর কারো পক্ষে উপলব্ধি করা সম্ভব নয়। আমরা দূর থেকে দু:খ ও শোক প্রকাশ করা ছাড়া কিছু করতে পারি না। পুরো পরিবারটিই যে ছারখার হয়ে গেল, তা গভীরভাবে চিন্তা করি না।

বলা বাহুল্য, সড়ক দুর্ঘটনায় শুধু একটি পরিবারের একজন উপার্জনক্ষম ব্যক্তিরই আহত হয় না, পুরো পরিবারটিকেও বিপন্ন অবস্থার মধ্যে ফেলে দেয়। এভাবে অভিভাবকহীন কত পরিবার ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে, তাঁর খবর কখনোই পাওয়া যায় না। এ নিয়ে কোন পরিসংখ্যানও করতে দেখা যায় না। দুর্ঘটনার শিকার পরিবারগুলো সমাজে বা রাষ্ট্রের কি প্রভাব ফেলছে তাঁরও হিসাব করা প্রয়োজন।

চালকদের বেপরোয়া মনোভাব, অদক্ষতা, প্রশিক্ষণের অভাব, মাদকাসক্তি, মোবাইলে কথা বলা, জাল ড্রাইভিং লাইসেন্স, ফিটনেস বিহীন যানবাহন, সড়কের ত্রুটি ও যথাযথ সংস্কারের অভাব, আইনের কার্যকর প্রয়োগ না হওয়া এসব কারণেই বেশিরভাগ দুর্ঘটনা ঘটছে। এসব কারণ দূর করতে পারলেই কেবল দুর্ঘটনাকে দুর্ঘটনা বলা যেতে পারে। কাজেই শনাক্তকৃত কারণ দূর করতে এবং পরিবহন খাতে নিয়ম-শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করার বিকল্প নেই।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar