বাঘারপাড়া (যশোর) প্রতিনিধি।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
তিনটি সংসদীয় এলাকা, তিনটি ইউনিয়ন ও দুইটি উপজেলাকে এক সূত্রে গেঁথে রেখেছে ইডিএফ (এগারোখান ডেভেলপমেন্ট ফোরাম) নামের একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। ২০১১সালে প্রতিষ্ঠিত সংগঠনটি বিভিন্ন প্রতিকুলতা ডিঙ্গিয়ে আজ ১৬তম বর্ষে
পদার্পণ করেছে। সংগঠনটির ১৫তম বর্ষপুর্তীকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে ইডিএফ কর্তৃপক্ষ যা শারদীয় দুর্গোৎসবকে আরও প্রাণবন্ত করে তুলেছে।
সংসদীয় এলাকা যশোর-৪এ বাঘারপাড়া উপজেলার জামদিয়া ইউনিয়নের ৬টি গ্রাম (বাকড়ী, কিসমত বাকড়ী, দোগাছি, ঘোড়ানাছ, কমলাপুর ও রঘুরামপুর) এবং নড়াইল-১এ সদর উপজেলার শেখহাটি ইউনিয়নের ৪টি গ্রাম (গুয়াখোলা, হাতিয়াড়া, বাকলী ও মালিয়াট) ও নড়াইল-২এ নড়াইল সদর উপজেলার বেনাহাটি গ্রাম নিয়ে এগারোখান অঞ্চল। প্রত্যন্ত এ এগারোখান অঞ্চলের চিকিৎসা, শিক্ষা, সাংস্কৃতি ও ক্রীড়ার উন্নয়নে কাজ করে চলেছে সংগঠনটি। অঞ্চলটিকে এক সূতায় গাঁথা ও বিশ্বদরবারে পরিচিতি ঘটাতে ২০১১ সালে বাকড়ী বহুমুখী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে চত্বরে এর আত্মপ্রকাশ ঘটে।
বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার জামদিয়া ইউনিয়নের বাকড়ী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে কমরেড অমল সেন স্মৃতিসৌধ চত্বরে ১৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করে ইডিএফ। সংবর্ধীত হয় দেশ সেরা ‘নতুন কুড়ি’-২০২৬ এর দেশ সেরা ক্ষুদে শিল্পীও। এতে সভাপতিত্ব করেন সংগঠনটির সভাপতি ইঞ্জিনিয়ার মিহির রঞ্জন সরকার। এসময় উপস্থিত ছিলেন অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অভিমন্যু সরকার, অগ্রণী ব্যাংকের সাবেক জিএম নিহার রঞ্জন হালদার, সাবেক কৃষি ব্যাংক কর্মকর্তা ঘনশ্যাম মজুমদার, গাইনি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক নিকুঞ্জ বিহারী গোলদার, ডা.বিধান গোস্বামী, ডা. সঞ্জয় পাঠক, মৃত্তিকা গবেষক শচীন্দ্র নাথ বিশ্বাস, সংগঠনটির সহসভাপতি ইঞ্জিনিয়ার প্রীতিষ পাল, সাধারন সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার অলোক রায়, সহসম্পাদক প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা প্রভাষ বিশ্বাস, বরিশাল জেলা ত্রাণ ও পুর্নবাসন কর্মকর্তা রঞ্জিত বিশ্বাস, অশ্বিনী কুমার দাস,
ইঞ্জিনিয়ার শিমুল রায়, শংকর ভৌমিক ও বিএনপি নেতা মাজহারুল ইসলাম খোকন প্রমুখ।
এদিন এগারখান অঞ্চলের ৫ম শ্রেণিতে ১৩জন ও ৮ম শ্রেণিতে ৬ জন বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী এবং এসএসসিতে ১৩ ও এইসএসসিতে ২জন এপ্লাস প্রাপ্ত শিক্ষার্থীসহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে ইঞ্জিনিয়ারিং, চিকিৎসা বিজ্ঞানে পড়ার সুযোগ পাওয়া ও বিদেশে পিএইচডিরত ১০জন শিক্ষার্থী ক্রেষ্ট দিয়ে সংবর্ধনা জানানো হয়। এছাড়াও জাতীয় ও বিভাগীয় পর্যায়ে সেরা হওয়া নৃত্যে-৮, সংগীতে-৮, আবৃত্তিতে-৫, গীতাপাঠে-১, একক অভিনয়ে-১ ও খেলাধূলায় ৬জন কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। শেষে এসকল বিজয়ী ক্ষুদে শিল্পীদের পরিবেশনায় মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়।