আমের বীজে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও বিভিন্ন জৈব সক্রিয় উপাদান। বিভিন্ন গবেষণায় আমের বীজের শাঁসে পলিফেনল, ট্যানিন, ফেনলজাতীয় যৌগ, চর্বি, শর্করা ও প্রোটিনের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এসব উপাদানের মধ্যে কিছু যৌগের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারে। আমের আঁটির ভেতরের বীজ বা শাঁসের পুষ্টিগুণ ও কার্যকরী বৈশিষ্ট্যগুলো সহজভাবে নিচে দেওয়া হলো।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
১. অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট উপাদান
আমের বীজে বিভিন্ন পলিফেনল ও ফেনলজাতীয় যৌগ রয়েছে। এসব উপাদানের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কার্যকারিতা পরীক্ষাগারে দেখা গেছে। এগুলো কোষের অক্সিডেটিভ ক্ষতি মোকাবিলায় সম্ভাব্য ভূমিকা রাখতে পারে।
২. খাদ্যশক্তি ও পুষ্টি উপাদান
বীজের শাঁসে চর্বি, শর্করা ও প্রোটিন থাকে। তবে পরিমাণ আমের জাত, পরিপক্বতা এবং প্রক্রিয়াজাতকরণের ওপর নির্ভর করে।
৩. খাদ্যপণ্য তৈরিতে ব্যবহার
প্রক্রিয়াজাত আমের বীজের গুঁড়া ও তেল খাদ্যশিল্পে ব্যবহারের সম্ভাবনা রয়েছে। উপযুক্ত প্রক্রিয়াকরণে বীজের কিছু অংশ খাদ্যপণ্যের উপাদান হিসেবে কাজে লাগানো যেতে পারে।
৪. বীজের তেলের সম্ভাবনা
আমের বীজ থেকে পাওয়া চর্বি বা তেলে বিভিন্ন ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। এর গঠন ও বৈশিষ্ট্যের কারণে খাদ্য ও প্রসাধনশিল্পে ব্যবহারের সম্ভাবনা নিয়ে গবেষণা হয়েছে।
৫. জৈব সক্রিয় যৌগ
আমের বীজে ট্যানিনসহ বিভিন্ন উদ্ভিজ্জ যৌগ রয়েছে। এসব উপাদানের সম্ভাব্য জৈবিক কার্যকারিতা নিয়ে গবেষণা চলছে; তবে সব কার্যকারিতা মানুষের ক্ষেত্রে প্রমাণিত নয়।
| সম্ভাব্য উপকার | বৈজ্ঞানিক অবস্থান |
|---|---|
| অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট কার্যকারিতা | গবেষণায় সমর্থন রয়েছে |
| হজমের সমস্যায় উপকার | ঐতিহ্যগত ব্যবহার আছে; মানুষের ওপর প্রমাণ সীমিত |
| রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণ | প্রাথমিক গবেষণা; নিশ্চিত চিকিৎসাগত প্রমাণ নেই |
| কোলেস্টেরল কমানো | কিছু প্রাথমিক গবেষণায় সম্ভাবনা দেখা গেছে; নিশ্চিত নয় |
| ওজন কমানো | মানুষের ক্ষেত্রে কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত নয় |