1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
ফেলে দেওয়া আমের আঁটিতেই সম্ভাবনা, কী বলছে আয়ুর্বেদ ও বিজ্ঞান? - bdtelegraph24.com
মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৫:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নেত্রকোণা সীমান্তে বিজিবির সাঁড়াশি অভিযান, বিপুল পরিমাণ চোরাই পণ্য জব্দ এইচএসসিতে গোল্ডেন এ প্লাস পেয়েও উচ্চশিক্ষা নিয়ে দুশ্চিন্তায় ঝিনাইদহের রুকাইয়া ভোক্তাপর্যায়ে এলপিজির দাম বাড়ল ২২৩ টাকা আসামে এলে ধাক্কা দিয়ে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেব: রাহুলকে হিমন্ত বিশ্বশর্মা ফেলে দেওয়া আমের আঁটিতেই সম্ভাবনা, কী বলছে আয়ুর্বেদ ও বিজ্ঞান? ফ্লোরিডায় উড়োজাহাজ বিধ্বস্ত, ট্রাম্পের বাসভবনের কাছে নিহত ৯ সংকটময় মুহূর্তে রোগীকে নিজের রক্ত দিয়ে জীবন বাঁচালেন চিকিৎসক জাতীয় নিরাপত্তায় ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি অনুসরণের আহ্বান রাষ্ট্রপতির মরমী সাধক দুর্বিন শাহের ১০৫তম জন্মবার্ষিকী আজ শ্যামনগরে বাস-ইজিবাইক মুখোমুখি সংঘর্ষে ইজিবাইক চালক নিহত

ফেলে দেওয়া আমের আঁটিতেই সম্ভাবনা, কী বলছে আয়ুর্বেদ ও বিজ্ঞান?

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬
  • ২৯ জন খবরটি পড়েছেন

আমের বীজে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও বিভিন্ন জৈব সক্রিয় উপাদান; তবে রোগের চিকিৎসায় এর কার্যকারিতা নিয়ে আরও গবেষণা প্রয়োজন।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

আম খাওয়ার পর বেশির ভাগ মানুষ আঁটিটি ফেলে দেন। কিন্তু আমের শক্ত আঁটির ভেতরে থাকা বীজ বা শাঁসে রয়েছে বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা নিয়ে ঐতিহ্যগত চিকিৎসা এবং আধুনিক বিজ্ঞান—দুই ক্ষেত্রেই আগ্রহ রয়েছে।

আয়ুর্বেদসহ বিভিন্ন ঐতিহ্যগত চিকিৎসাপদ্ধতিতে আমগাছের বিভিন্ন অংশ ব্যবহারের উল্লেখ পাওয়া যায়। বিশেষ করে আমের বীজের শাঁস অতীতে ডায়রিয়া ও আমাশয়ের মতো সমস্যায় ব্যবহৃত হয়েছে বলে ভেষজ চিকিৎসাবিষয়ক পর্যালোচনায় উল্লেখ রয়েছে। তবে ঐতিহ্যগত ব্যবহারকে আধুনিক চিকিৎসাবিজ্ঞানে প্রমাণিত কার্যকারিতার সমান মনে করার সুযোগ নেই।

আমের আঁটির বীজে কী আছে?

বিভিন্ন গবেষণায় আমের বীজের শাঁসে পলিফেনল, ট্যানিন, ফেনলজাতীয় যৌগ, চর্বি, শর্করা ও প্রোটিনের উপস্থিতি পাওয়া গেছে। এসব উপাদানের মধ্যে কিছু যৌগের অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে। অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরের কোষকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেসের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে সুরক্ষায় ভূমিকা রাখতে পারে।

২০১৬ সালে Trends in Food Science & Technology সাময়িকীতে প্রকাশিত একটি পর্যালোচনায় আমের বীজের পুষ্টিগুণ, জৈব সক্রিয় উপাদান এবং খাদ্যশিল্পে এর সম্ভাব্য ব্যবহার নিয়ে আলোচনা করা হয়।

হজমের সমস্যায় ঐতিহ্যগত ব্যবহার

ঐতিহ্যগত ভেষজ চিকিৎসায় আমের বীজের শাঁস ডায়রিয়া ও আমাশয়ের মতো সমস্যায় ব্যবহারের কথা উল্লেখ রয়েছে। তবে মানুষের ওপর পর্যাপ্ত মানসম্মত ক্লিনিক্যাল গবেষণা ছাড়া এটি এসব রোগের কার্যকর চিকিৎসা—এমন সিদ্ধান্ত দেওয়া যায় না।

বিশেষ করে ডায়রিয়ায় শরীর থেকে পানি ও লবণ বেরিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে। এ ক্ষেত্রে খাবার স্যালাইন ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসার পরিবর্তে আমের বীজের গুঁড়া বা কোনো ভেষজ উপাদানের ওপর নির্ভর করা উচিত নয়।

ডায়াবেটিস ও হৃদ্‌স্বাস্থ্যে কি উপকার হয়?

আমের বীজের নির্যাস নিয়ে কিছু পরীক্ষাগার ও প্রাণীভিত্তিক গবেষণায় রক্তে শর্করা, প্রদাহ এবং রক্তের চর্বিসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূচকে সম্ভাব্য প্রভাবের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে। কিন্তু এসব ফলাফল থেকে মানুষের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ, কোলেস্টেরল কমানো কিংবা হৃদ্‌রোগ প্রতিরোধে আমের বীজ কার্যকর—এমন দাবি করা যায় না।

এ ধরনের সম্ভাব্য উপকার নিশ্চিত করতে মানুষের ওপর আরও নিয়ন্ত্রিত গবেষণা, কার্যকর মাত্রা নির্ধারণ এবং দীর্ঘমেয়াদি নিরাপত্তা মূল্যায়ন প্রয়োজন।

কীভাবে ব্যবহার করবেন, কী বিষয়ে সতর্ক থাকবেন?

আমের আঁটির ভেতরের বীজ সাধারণত সরাসরি খাওয়ার উপযোগী নরম ফলের শাঁসের মতো নয়। এর প্রস্তুতপ্রণালি, পরিমাণ, বিশুদ্ধতা এবং সংরক্ষণের ওপর নিরাপত্তা নির্ভর করতে পারে। তাই অপরিশোধিত বীজের গুঁড়া বা ঘরে তৈরি নির্যাসকে নিরাপদ ওষুধ ধরে নিয়মিত খাওয়া ঠিক নয়।

ডায়াবেটিসসহ দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত ব্যক্তি, নিয়মিত ওষুধ গ্রহণকারী এবং গর্ভবতী নারীদের চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ঘন নির্যাস বা ভেষজ প্রস্তুতি ব্যবহার করা উচিত নয়। আমের বীজের কোনো নির্দিষ্ট মাত্রা সবার জন্য নিরাপদ—এমন প্রতিষ্ঠিত নির্দেশনাও নেই।

উপসংহার

আমের আঁটির ভেতরের বীজ শুধু ফেলে দেওয়ার উপাদান নয়; এতে পুষ্টি ও জৈব সক্রিয় যৌগ রয়েছে, যা খাদ্য ও ভেষজ গবেষণায় সম্ভাবনাময়। তবে আয়ুর্বেদে প্রচলিত ব্যবহার, পরীক্ষাগারে পাওয়া ফলাফল এবং মানুষের চিকিৎসায় প্রমাণিত উপকার—এই তিনটির মধ্যে পার্থক্য রাখা জরুরি। আরও নির্ভরযোগ্য গবেষণার মাধ্যমে এর সম্ভাব্য স্বাস্থ্যগুণ ও নিরাপদ ব্যবহার সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যেতে পারে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar