চুয়াডাঙ্গার সদর উপজেলার বোয়ালমারী গ্রামের মসজিদের সামনে চুয়াডাঙ্গা-আলমডাঙ্গা সড়কে মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় কলেজ ছাত্রসহ দুইজন হতাহত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৮জুন) বিকাল পাঁচটার দিকে মর্মান্তিক এই ঘটনাটি ঘটে।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
নিহত রাজ (১৮) চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার বুজরুকগড়গড়ি মাদ্রাসাপাড়ার ইজিবাইক চালক মজনুর ছেলে। সে চুয়াডাঙ্গা সরকারী কলেজের দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র ছিল। আহত সজিব (১৮) একই এলাকার কালাম মহরারের ছেলে ও নিহত রাজের বন্ধু।
আহত সজিবকে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রাখা রয়েছে। নিহত রাজের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে এদিন রাত ৯টার দিকে তাদের নিজ বাড়ীতে এনে দাফন করা হয়।
নিহত রাজের বন্ধু ফয়সাল জানায়,এদিন সকালে পাঁচ-ছয়জন বন্ধুর সঙ্গে রাজ ও সজিব মোটরসাইকেলযোগে কুষ্টিয়া জেলা শহরে ঘুরতে গিয়েছিল। অন্যরা অনেক আগেই ফিরে এলেও রাজ ও সজিব পরে ফিরে আসতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হয়। স্থানীয়রা একটি মোটরচালিত রিক্সাভ্যানযোগে রাজ ও আহত সজিবকে উদ্ধার করে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে নিয়ে আসে।
চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের জরুরী বিভাগের চিকিৎসক ডা. জোবায়দা জয়া বলেন,রাজকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে আনা হয়েছিলো। হাসপাতালে নেয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়। সজিবের মাথা ও একহাতে গুরতর আঘাত লাগায় জরুরী বিভাগ থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে ভর্তী রাখা হয়েছে।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) আনোয়ার হোসেন বলেন, চুয়াডাঙ্গা থেকে ছেড়ে যাওয়া আলমডাঙ্গাগামী যাত্রীবাহী চলন্ত রয়েল এক্সপ্রেস পরিবহন (ঢাকা মেট্রো-ব ১২-২১৭৩) সঙ্গে আলমডাঙ্গা থেকে চুয়াডাঙ্গাগামী দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের মুখোমুখী সংঘর্ষে রাজ নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে এবং আহত হয়েছে তার বন্ধু ওই মোটরসাইকেল আরোহী সজিব। যাত্রীবাহী বাস ও মোটরসাইকেলটি পুলিশী হেফাজতে নেয়া হয়েছে।
মরদেহটি চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্ত করে দাফনের জন্য পরিবারের কাছে দেয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে চুয়াডাঙ্গা সদর থানায় একটি মামলা রুজু করা হয়েছে।