কুড়িগ্রামে ব্রহ্মপুত্র, দুধকুমার, ধরলা, তিস্তা শাখা প্রশাখা নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। পানিবন্দী হয়ে পড়েছে চর, দ্বীপচর ও নিম্নাঞ্চলের প্রায় ১৫ হাজার পরিবার। ভেঙে পড়েছে এসব এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা। নিমজ্জিত হয়েছে গ্রামীন কাঁচা-পাকা সড়ক। নিম্নাঞ্চলের বসতভিটায় পানি প্রবেশ করায় দুর্ভোগে পড়েছে মানুষজন। এছাড়াও তলিয়ে গেছে মৌসুমী ফসলের ক্ষেত।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
কুড়িগ্রাম সদরের পাঁচগাছি এলাকার কৃষক সকমল ও নুর ইসলাম কাইয়ুম বলেন, কষ্ট করে পটল রোপন করেছি। ধরলার পানিতে ক্ষেত তলিয়ে গেছে। আমাদের সব শেষ হয়ে গেলো।
পানি উন্নয়ন বোডের্র এসডি রাফসান জানি বলেন, বেলা ১২টায় পাউবো সেতু পয়েন্টে ধরলা নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে শিমুলবাড়ী পয়েন্টে বিপৎসীমার ১০ সেন্টিমিটার ও কাউনিয়া পয়েন্টে তিস্তার পানি ৫০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। শুক্রবার সকাল থেকে আকাশের অবস্থা ভালো। প্রচন্ড রৌদ্র রয়েছে। ধরলার পানি কিছুটা কমলেও তিস্তার পানি আবারও বাড়ছে। এছাড়াও ব্রহ্মপুত্র ও দুধকুমার নদের পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকলেও তা এখনো বিপৎসীমার সামান্য নিচে রয়েছে।
কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ সাইদুল আরীফ জানান, বন্যা কবলিত মানুষদের ১২ লাখ ৩৬ হাজার টাকা এবং ২৫১ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেয়া হয়েছে। ৪০৪টি বন্যা আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে। সেখানে দুর্গত মানুষ আশ্রয় নেয়া শুরু করেছেন। আশ্রয় কেন্দ্র গুলোতে সরবরাহ করা হচ্ছে খাদ্য সহায়তা। ৪টি স্পিড বোট ও ২টি নৌকা প্রস্তুত রাখা হয়েছে বন্যার্তদের উদ্ধারের জন্য। জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। আমাদের সময় ডটকম