দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি। নাটোরের বড়াইগ্রামে ট্রাকের সঙ্গে মাইক্রোবাসের সংঘর্ষে নিহত আটজনের
মরদেহ বুধবার রাতে তাদের গ্রামের বাড়িতে পৌঁছে। তাদের মরদেহ কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ধর্মদহ গ্রামে পৌঁছালে এক হৃদয়বিদারক দৃশ্যের অবতারণা হয়।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
পরিবার, স্বজন ও স্থানীয়দের শোক আর কান্নায় এলাকার পরিবেশ ভারী হয়ে উঠে। নিহতদের মরদেহ এক নজর দেখতে আশেপাশের এলাকার হাজার হাজার মানুষ ছুটে আসছেন৷ নিহতদের মধ্যে ৫ জনের লাশ ধর্মদহ গ্রামের গোরস্থানে দাফন করা হয়েছে। এর আগেই পাশাপাশি কবর প্রস্তুত করে রাখা হয়৷ বৃহস্পতিবার বেলা ২ টার দিকে জানাযা শেষে তাদের দাফন করা হয়।
এ সঙ্গে যাদের দাফন করা হলো তারা হলেন, কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার ধর্মদহ গ্রামের মৃত জিল্লর রহমানের ছেলে জাহিদুল ইসলাম (৫৫), তার স্ত্রী সেলিনা খাতুন (৫০), তার ভাই শহিদুল ইসলামের স্ত্রী আনোয়ারা খাতুন আন্না (৫৫), তার ভাই মিজানুর রহমানের স্ত্রী আনোয়ারা খাতুন আনু (৫০)।
এর আগে নিহত জাহিদুলের বোন ও প্রাগপুর গ্রামের রফেজ চৌধুরীর স্ত্রী ইতি খাতুন (৪০), একই গ্রামের জয়নাল আবেদীনের ছেলে মাইক্রোবাসের চালক সাহাব হোসেন (৩৫), মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বেতবাড়ীয়া গ্রামের মোহাম্মদ আলীর স্ত্রী আঞ্জুমানারা (৭৫) এবং শ্যালিকা সীমা খাতুন (৩৫) মরদেহ নিজ নিজ গ্রামে বুধবার রাতেই দাফন করা হয়।
উল্লেখ্য বুধবার সকালে পরিবারের সবাই মিলে নিহত জাহিদুলের অসুস্থ পুত্রবকু কে দেখতে সিরাজগঞ্জের কড্ডা এলাকায় যাচ্ছিলেন। পথিমধ্যে ট্রাকের ধাক্কায় তাদের সকলের মৃত্যু হয়।