1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
১৯ হাজার টাকার অভাবে বাবার মরদেহ নিতে পারছিলেন না ছেলে - bdtelegraph24.com
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
যশোরে পানি মোটরের সুইচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শিশুর মৃত্যু নির্বাচন কমিশনের সামনে রাহুল গান্ধীসহ বিরোধী এমপিদের বিক্ষোভ, আটক ও মুক্তি নওগাঁর ধামইরহাটে একই পরিবারের ৫ সদস্যের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শ্রীলঙ্কান তরুণকে ক্ষমার আকুতি পরিবারের গোপালগঞ্জে মোটরসাইকেলের যন্ত্রাংশ চুরির জেরে সংঘর্ষ, আহত ১৫ ৮ মাস পর যমুনা সার কারখানায় ইউরিয়া উৎপাদন শুরু মিয়ানমারে পাচারকালে পতেঙ্গায় ৮০০ বস্তা সিমেন্ট জব্দ শিশুদের প্রতিভা বিকাশে খেলাধুলা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের সুযোগ তৈরির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর কালিয়াকৈরে ১৪৫ মন্ডপে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি: নিরাপত্তা নিশ্চিতে কঠোর প্রশাসন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয়-২৪ হলের নতুন প্রভোস্ট ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দিন

১৯ হাজার টাকার অভাবে বাবার মরদেহ নিতে পারছিলেন না ছেলে

  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ৭ নভেম্বর, ২০২৫
  • ১৩৯ জন খবরটি পড়েছেন

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জের এক মসজিদের খাদেম মো. আলী আকবর মোয়াজ্জেম (৬৫) দীর্ঘ নয় মাস ব্লাড ক্যান্সারে চিকিৎসাধীন থাকার পর বৃহস্পতিবার (৬ নভেম্বর) সন্ধ্যা ছয়টার দিকে জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালে মারা যান।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

চিকিৎসার খরচ ও অ্যাম্বুলেন্স ভাড়ার টাকা জোগাড় করতে না পারায় তাঁর মরদেহ হাসপাতালেই পড়ে ছিল ঘণ্টার পর ঘণ্টা। ঋণে জর্জরিত ছেলে হাফেজ মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম জানালেন, মাত্র ১৯ হাজার ৫০০ টাকার অভাবে তিনি বাবার মরদেহ বাড়ি নিতে পারছিলেন না।

বিষয়টি নিশ্চিত করে বায়তুল আমান জামে মসজিদের খতীব মাওলানা মুফতি জাকারিয়া রহমান বলেন, আলী আকবর ছিলেন মসজিদের নিবেদিতপ্রাণ খাদেম, জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেছেন নিষ্ঠার সঙ্গে। সামান্য টাকার অভাবে তাঁর মরদেহ পড়ে থাকা ছিল অত্যন্ত মর্মান্তিক।

খবরটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেন নোয়াখালী ইয়ুথ ফোরামের সভাপতি ও সাংবাদিক হামিদ রনি। মুহূর্তের মধ্যেই পোস্টটি ভাইরাল হয় এবং বহু মানুষ সহায়তার হাত বাড়ান।

এরপর ডা. মোস্তফা হাজেরা ফাউন্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা মো. জহিরুল ইসলাম মরহুমের সমস্ত খরচ বহনের ঘোষণা দেন। পাশাপাশি, মোহাম্মদ আনসারী নামে আরেক ব্যক্তি একই পরিমাণ অর্থ পাঠান। দেশ-বিদেশ থেকেও অনেকেই সহায়তা পাঠাতে থাকেন।

অবশেষে মরদেহ বাড়ি পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা সম্পন্ন হয়। মরহুমের ছেলে সকল সহৃদয় মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে বলেন, “মানুষের ভালোবাসাই আমাদের সবচেয়ে বড় শক্তি।”

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar