1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
কাপ্তাই হ্রদের কচুরিপানা এবার সম্পদ : ভাসমান কৃষিতে স্বাবলম্বী হচ্ছেন স্থানীয় নারীরা - bdtelegraph24.com
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৫৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
যশোরে পানি মোটরের সুইচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শিশুর মৃত্যু নির্বাচন কমিশনের সামনে রাহুল গান্ধীসহ বিরোধী এমপিদের বিক্ষোভ, আটক ও মুক্তি নওগাঁর ধামইরহাটে একই পরিবারের ৫ সদস্যের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শ্রীলঙ্কান তরুণকে ক্ষমার আকুতি পরিবারের গোপালগঞ্জে মোটরসাইকেলের যন্ত্রাংশ চুরির জেরে সংঘর্ষ, আহত ১৫ ৮ মাস পর যমুনা সার কারখানায় ইউরিয়া উৎপাদন শুরু মিয়ানমারে পাচারকালে পতেঙ্গায় ৮০০ বস্তা সিমেন্ট জব্দ শিশুদের প্রতিভা বিকাশে খেলাধুলা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের সুযোগ তৈরির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর কালিয়াকৈরে ১৪৫ মন্ডপে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি: নিরাপত্তা নিশ্চিতে কঠোর প্রশাসন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয়-২৪ হলের নতুন প্রভোস্ট ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দিন

কাপ্তাই হ্রদের কচুরিপানা এবার সম্পদ : ভাসমান কৃষিতে স্বাবলম্বী হচ্ছেন স্থানীয় নারীরা

  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ৩ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ১৮৩ জন খবরটি পড়েছেন

মোঃ কামরুল ইসলাম, ​রাঙ্গামাটি জেলা প্রদায়ক।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

দেশের বৃহত্তম কৃত্রিম জলাধার কাপ্তাই হ্রদকে জলজ আগাছা কচুরিপানার আগ্রাসন থেকে বাঁচাতে এবং একইসঙ্গে স্থানীয় প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে এক অভিনব উদ্যোগ সফলভাবে শেষ হয়েছে। LELA (Learn from the Environment and Lead to Adapt)” প্রকল্পের অধীনে রাঙ্গামাটির স্থানীয় নারীদের মাসব্যাপী ভাসমান কৃষি পদ্ধতির বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির সমাপনী অনুষ্ঠান মঙ্গলবার (০২ ডিসেম্বর, ২০২৫) ভ্রাম্মণটিলা, আসামবস্তি এলাকায় অনুষ্ঠিত হয়।

কচুরিপানার কারণে প্রতি বছর হ্রদের প্রাণশক্তি হ্রাস পাওয়ায় এবং পার্বত্য অঞ্চলে চাষযোগ্য জমি ও কর্মসংস্থানের অভাবে সৃষ্ট সংকট মোকাবিলায় এই প্রশিক্ষণটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে।

প্রশিক্ষণে তৈরি হচ্ছে টেকসই ভাসমান কৃষি মডেল
​০৩ নভেম্বর থেকে ০১ ডিসেম্বর, ২০২৫ পর্যন্ত ৭ দিনের এই বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে স্থানীয় ১৫ জন নারীকে ভাসমান বেড তৈরি, জৈব চাষ পদ্ধতি, রক্ষণাবেক্ষণ ও বিপণন কৌশল সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা দেওয়া হয়। এছাড়াও, পারিবারিক পুষ্টি বাগান স্থাপন বিষয়েও তাদের জ্ঞান প্রদান করা হয়। LELA প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হলো স্থানীয় সমস্যার সমাধানে প্রচলিত জ্ঞান ও প্রযুক্তির সমন্বয়ে একটি টেকসই ভাসমান কৃষি মডেল তৈরি করা। এই উদ্যোগের মাধ্যমে কচুরিপানাকে সমস্যা হিসেবে না দেখে সম্পদে রূপান্তরের পথ দেখানো হয়েছে।

অতিথিদের বক্তব্যে কচুরিপানাকে সম্পদে রূপান্তরের আহ্বান-
​অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব নাইউপ্রু মারমা, সদস্য, রাঙ্গামাটি জেলা পরিষদ। তিনি LELA কার্যক্রমের প্রশংসা করে বলেন, আমরা প্রতি বছরই কচুরিপানা নিয়ে স্থানীয়রা নানা সমস্যার সম্মূখীন হয়ে থাকি। এই কার্যক্রম একটি আয়ের মাধ্যম হতে পারে।​রাঙ্গামাটি সদর উপজেলা কৃষি অফিসার, জনাব শাহানাজ পারভীন এই উদ্যোগকে চলমান রাখার উপর জোর দিয়ে বলেন, LELA এর এই উদ্যোগ চলমান রাখতে হবে, আশেপাশের সবাইকে ভাসমান চাষাবাদে উদ্ধুদ্ধ করতে হবে। কাপ্তাই লেকে কচুরিপানা শুধু স্থানীয়দের নয়, জল জীবনকেও বিশেষ ভাবে প্রভাবিত করে। তাই এই সমস্যা সমাধানে আমাদের আরও নতুন উদ্ভাবন এবং নতুন চিন্তাধারা নিয়ে আসতে হবে।

ট্রান্সফারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)-এর সচেতন নাগরিক কমিটি, এরিয়া কো-অর্ডিনেটর জনাব বেনজিন চাকমা বলেন, জনসংখ্যা বাড়ার কারণে কৃষি জমির পরিমাণ কমছে। রাঙ্গামাটিতে কচুরিপানাকে কাজে লাগাতে হবে। সমস্যার সমাধানে এই প্রশিক্ষণে নারীদের পাশাপাশি পুরুষদেরও সংযুক্ত করা জরুরি। সরকারের আবর্জনাকে সম্পদে রূপান্তরের উদ্যোগে LELA-কেও অংশগ্রহণ করতে হবে।
​প্রগ্রেসিভ রাঙ্গামাটির প্রোগ্রাম ম্যানেজার জনাব সুরো চাকমা LELA-এর কার্যক্রম আরও বিস্তরভাবে করার উদ্যোগ নিতে এবং যোগাযোগের মাধ্যমে ফান্ড সংগ্রহের মাধ্যমে এটির বস্তৃতি বাড়ানোর আহ্বান জানান।

প্রশিক্ষনার্থীদের স্বাবলম্বী হওয়ার প্রত্যাশা-
​প্রশিক্ষণ গ্রহণকারী নারীরা ভাসমান কৃষিকে কাজে লাগিয়ে স্বাবলম্বী হওয়ার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন। প্রশিক্ষনার্থী জনাব কালাসোনা চাকমা বলেন, আমরা প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যা অর্জন করেছি, অবশ্যই ভাসমান বেড তৈরি করব। LELA প্রকল্পের সহযোগীতায় আমরা স্বাবলম্বী হব বলে আশা রাখছি। আরেক প্রশিক্ষনার্থী স্বর্ণা বেগম বলেন, আমরা সম্পূর্ণ সহায়তা না পেলেও এটা আমরা নিজের পরিবারে পুষ্টি যোগানের জন্য ভাসমান বেড তৈরি করে যাব।
​সমাপনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন হিল সার্ভিস রাঙ্গামাটি, বিডি ক্লিন রাঙ্গামাটি জেলা, ইয়ুথ ভলান্টিয়ার ফাউন্ডেশনের প্রতিনিধিরা এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, ছাত্র প্রতিনিধি ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar