1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
বটতলীতে চার লেন সড়কেও কমেনি দুর্ভোগ, দখল ও অব্যবস্থাপনায় নাজেহাল জনজীবন - bdtelegraph24.com
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জানুয়ারিতে নতুন বইয়ের পাশাপাশি ইউনিফর্ম পাবে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা: শিক্ষামন্ত্রী বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা: জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের ১ দিনের রিমান্ড ঝিনাইদহে ৪ লাখ টাকার ৭৭টি অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ধ্বংস শাহজালাল বিমানবন্দরে পৃথক অভিযানে ৭৮১ গ্রাম স্বর্ণসহ আটক ৭ জবিতে মোরাল প্যারেন্টিং ট্রাস্টের ‘নৈতিক অভিভাবকত্ব’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ‘বঙ্গোপসাগর সংলাপে’ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থী কুষ্টিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও লুটপাট: এলাকা পুরুষশূন্য কিশোরগঞ্জে মাদকের টাকার জন্য ৫ শিশুকে বিক্রির অভিযোগ শরীয়তপুরে ডোবা থেকে শিশুর গলাকাটা বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, আটক ১ গাজীপুরে পোশাক কারখানায় আগুন, ধোঁয়ায় অসুস্থ ৬৯ জন উদ্ধার

বটতলীতে চার লেন সড়কেও কমেনি দুর্ভোগ, দখল ও অব্যবস্থাপনায় নাজেহাল জনজীবন

  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ১৩ মার্চ, ২০২৬
  • ১৯৫ জন খবরটি পড়েছেন

মনির আহমদ আজাদ, লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলার সদর বটতলী এলাকায় সড়ক চার লেন প্রসস্থ করার পরও কমেনি মানুষের দুর্ভোগ। বরং প্রত্যাশা ছিল—সড়ক প্রশস্ত হওয়ায় যানজট কমবে, ফুটপাত দখলমুক্ত হবে এবং সড়ক ও জনপদ (সওজ) বিভাগের জায়গা থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে ভিন্ন চিত্র।

প্রতিদিনই প্রশস্ত সড়কের ওপর বসছে কাঁচাবাজার, আর অযথা দাঁড়িয়ে থাকে মিনিবাস, সিএনজি অটোরিক্সা, ব্যাটারিচালিত রিকশা ও ভ্যানগাড়ি। ফলে নতুন করে তৈরি হওয়া সড়কও প্রায় সময় যানজটে অচল হয়ে পড়ে।স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়ক ও জনপদ বিভাগের জায়গা দখল করে গড়ে তোলা হয়েছে বহুতল ভবন ও বিভিন্ন মার্কেট। এসব স্থাপনা থেকে মোটা অংকের সেলামি ও ভাড়া আদায় করছেন দখলদাররা। অথচ এই অনিয়মের বিরুদ্ধে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নিতে দেখা যাচ্ছে না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ পথচারী ও যাত্রীসাধারণ।

অন্যদিকে সরকার নিয়ম অনুযায়ী বিভিন্ন হাট-বাজার নিলামের মাধ্যমে ইজারা দিয়ে থাকে। খাস জায়গায় প্রতিষ্ঠিত বাজারগুলো সাধারণত এই নিলাম প্রক্রিয়ার আওতায় থাকে। বটতলী কাঁচাবাজারও সেই নিয়মে ইজারা দেওয়া হয়। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, বাজারের খাস জায়গা দখল করে অনেকেই যেন নিজস্ব জমিদারি কায়েম করেছেন। দোকানদারদের কাছ থেকে মোটা অংকের সেলামি ও ভাড়া আদায় করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ইজারাদারদের কাছেও তাদের নিয়মিত ইজারা দিতে হচ্ছে, ফলে দ্বৈত আর্থিক চাপের মধ্যে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা।

এদিকে স্থানীয়দের দাবি, ইজারাদাররা শুধু কাঁচাবাজারেই সীমাবদ্ধ না থেকে পুরো বটতলী স্টেশন এলাকার ফুটপাত থেকেও ইজারা আদায় করছেন। অথচ এসব জায়গা সড়ক ও জনপদ বিভাগের আওতাভুক্ত। ফলে প্রশ্ন উঠেছে—ইজারাদারদের এখতিয়ার আসলে কোথায় শেষ?সম্প্রতি এ বিষয়ে বক্তব্য দিতে গিয়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী বলেন, আমিরাবাদ বটতলী কাঁচাবাজারই কেবল ইজারাদারের আওতাধীন। এর বাইরে মহাসড়ক সংলগ্ন ফুটপাত বা ভাসমান ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে ইজারা আদায় করা সম্পূর্ণ অবৈধ।

স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, বটতলী এলাকার যানজট ও অব্যবস্থাপনা দূর করতে হলে সড়ক ও জনপদ বিভাগের জায়গা দখলমুক্ত করা, ফুটপাত অবৈধ দখল থেকে উদ্ধার করা এবং ইজারা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা জরুরি। অন্যথায় সড়ক প্রশস্ত করেও জনদুর্ভোগ কমবে না।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar