1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত রেল স্টেশন গৌরীপুর জংশন - bdtelegraph24.com
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জানুয়ারিতে নতুন বইয়ের পাশাপাশি ইউনিফর্ম পাবে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা: শিক্ষামন্ত্রী বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা: জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের ১ দিনের রিমান্ড ঝিনাইদহে ৪ লাখ টাকার ৭৭টি অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ধ্বংস শাহজালাল বিমানবন্দরে পৃথক অভিযানে ৭৮১ গ্রাম স্বর্ণসহ আটক ৭ জবিতে মোরাল প্যারেন্টিং ট্রাস্টের ‘নৈতিক অভিভাবকত্ব’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ‘বঙ্গোপসাগর সংলাপে’ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থী কুষ্টিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও লুটপাট: এলাকা পুরুষশূন্য কিশোরগঞ্জে মাদকের টাকার জন্য ৫ শিশুকে বিক্রির অভিযোগ শরীয়তপুরে ডোবা থেকে শিশুর গলাকাটা বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, আটক ১ গাজীপুরে পোশাক কারখানায় আগুন, ধোঁয়ায় অসুস্থ ৬৯ জন উদ্ধার

রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত রেল স্টেশন গৌরীপুর জংশন

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬
  • ১০১ জন খবরটি পড়েছেন

মুহাম্মদ রায়হান উদ্দিন সরকার, বিশেষ প্রতিনিধি।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

রাষ্ট্রপতি ও সেনাপ্রধান থাকাকালে জিয়াউর রহমান দেশের বিভিন্ন জেলা সফর করতেন এবং ময়মনসিংহেও একাধিক প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক সফরের ঐতিহাসিক স্থান হিসেবে উল্লেখ রয়েছে। ১৯৭৯–এর শুরুর সময়  ঢাকা -ময়মনসিংহ থেকে বিশেষ ট্রেনে করে আসার সময় গৌরীপুর জংশনে বিরতি বা জনসংযোগের কথা অনেকে বলেছেন। স্থানীয় প্রবীণদের স্মৃতিচারণ ও রাজনৈতিক আলোচনায় সাধারণত যেসব বিষয় উঠে এসেছে।

গৌরীপুর জংশনের উত্তর দিকে ২নং ও ৩নং প্ল্যাটফর্মের খোলা জায়গায় ছোট আকারের এক জনসভায় রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ৬-৭ মিনিটের ভাষণ দিয়েছিলেন । তিনি বলেছিলেন গৌরীপুর জংশন ছিল তার স্মৃতিবিজরিত একটি রেল স্টেশন। এটাই ছিল রাষ্ট্রপতি থাকাকালের গৌরীপুরে জিয়াউর রহমানের  প্রথম  সফর। তিনি গৌরীপুরকে খুবই পছন্দ করতেন। গৌরীপুর ছিল তার খুবই পরিচিত নাম। পরবর্তী সময়ে তিনি হেলিকাপ্টার যোগে ৫/৬ বার গৌরীপুরে সফর করেন।  স্থানীয় কারিগরি ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য ভোকেশনাল ইনস্টিটিউট  প্রতিষ্ঠা করেন। বর্তমানে এটি গৌরীপুর সরকারী টেকনিক্যাল স্কুল ও কলেজ নামে পরিচিত।

গৌরীপুর রেলওয়ে স্টেশনের কাছে পূর্ব ভালুকার বাসিন্দা এ কে এম রফিকুল হক কাজল বলেন, “রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে প্ল্যাটফর্মের মঞ্চের কাছ থেকে দেখেছি, তখন  ছিল সন্ধ্যায় ৭টায় বা সাড়ে ৭টায়।”  তিনি আরও বলেন, সেনাবাহিনী ভর্তি এক বিশেষ ট্রেনে ময়মনসিংহ হতে নেত্রকোণা যাওয়ার পথে গৌরীপুর জংশনে জিয়াউর রহমান সংক্ষিপ্ত ভাষণ দেন। জনসংযোগ কর্মসূচির কথার বিষয়ে শোনা যায় যে, গৌরীপুর ও আশপাশের এলাকার প্রবীণদের বর্ণনায় বিশেষ ট্রেন থামার সময় স্টেশন এলাকায় মানুষের ব্যাপক ভিড় ছিল। মাগরিব নামাজের পর পরই অনেক নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতি ছিল। অনেকেই জিয়াউর রহমানের ভাষণ মাইকে শুনেছেন। এখনও তার স্মৃতি ও অবিস্মরণীয় অবদানের কথা স্মরণ করে। গৌরীপুর জংশনে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের জনসভা সাধারণত “স্মৃতিবিজড়িত স্থান” হিসেবে স্থানীয় ইতিহাসে স্থান পেয়েছে। জিয়ার আগমন ও অবস্থানের সঙ্গে জড়িত ঐতিহাসিক স্থানকে চিহ্ন করার জন্য ওভারব্রীজের উত্তর দিকে খোলা জায়গাকে রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্মৃতিস্তম্ভ প্ল্যাটফর্ম বলে ব্যক্ত করেছেন অনেকেই।

গৌরীপুর জংশন রেলস্টেশন ছিল ময়মনসিংহ অঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ রেলপথ কেন্দ্র। ঢাকা–ময়মনসিংহ–জারিয়া–মোহনগঞ্জ-ভৈরব-চট্টগ্রাম রুটের সংযোগস্থল হওয়ায় রাষ্ট্রীয় সফরে আসা অনেক রাজনৈতিক নেতা, সেক্টর কমান্ডার, কবি সাহিত্যিকদের জন্য এটি স্বাভাবিক প্রবেশপথ ছিল। ১৯৪৭ সালের আগে অর্থাৎ ঔপনিবেশিক আমল থেকেই  ভারতের আসাম-মেঘালয়-তুরা বাসীদের জন্য ছিল অন্যতম একটি গুরুত্বপূর্ণ রেলওয়ে জংশন। তাছাড়া পাকিস্তান আমল হতে অনেক সেনাবাহিনী পরিচালিত বিশেষ ট্রেন কয়েক ঘন্টা ধরে বিশ্রাম ও রান্নাবান্নার একটি খোলামেলাা জায়গার জন্য সেনাবাহিনী গৌরীপুর জংশনকে পছন্দ করতেন। তাই পাকিস্তান আমল ও ১৯৭১-এর শেষ দিকে জেনারেল জিয়াউর রহমান অনেকবার গৌরীপুর জংশনে অবস্থান করেছিলেন বলে স্থানীয়ভাবে উল্লেখ পাওয়া যায়।

বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহান ঘোষক, মুক্তিযুদ্ধের অগ্রনায়ক প্রেসিডেন্ট জিয়া নিবেদিত ছিলেন স্বদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব এবং গণতান্ত্রিক ঐতিহ্য ও মূল্যবোধ রক্ষায়, দেশ গঠনের সংগ্রামে। জিয়া স্বদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন এবং শান্তি ও স্থিতিশীলতার লক্ষ্যে তিনি অক্লান্তভাবে চেষ্টা করেছেন। দেশের মানুষ প্রতি বছর ৩০ মে শোকাহত হৃদয়ে প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের প্রতি শ্রদ্ধা জানায়। তার স্মৃতি ও অবিস্মরণীয় অবদানের কথা স্মরণ করে।

তার স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে গৌরীপুরবাসীর দাবী গৌরীপুর জংশনকে আধুনিক করে ঢাকা হতে কিশোরগঞ্জ পর্যন্ত এগারোসিন্ধুর নামে দু’টি ট্রেন প্রভাতী ও গোধূলীর গন্তব্যস্থল গৌরীপুর জংশন রেলওয়ে স্টেশন পর্যন্ত আনা হোক।  আশি-নব্বই দশকে এগারোসিন্ধুর গন্তব্যস্থল ঢাকা- ভৈরব- গৌরীপুর হয়ে ময়মনসিংহ জংশন পর্যন্ত ছিল। তাছাড়া জারিয়া হতে ‘জেড ফোর্স’ নামে একটি নতুন আন্তনগর ট্রেন চালু করা হোক।

উল্লেখ্য যে জেড ফোর্স  ১৯৭১ সালের বাংলাদেশের স্বাধীনতাযুদ্ধের মুক্তিবাহিনীর প্রথম সামরিক ব্রিগেড। ব্রিগেডটি মেজর জিয়াউর রহমানের অধীনে গঠিত হয়। মেজর Zia এর প্রথম অক্ষর Z দিয়ে শক্তিশালী ব্রিগেড টি গঠিত হয়। জেড ফোর্স এর প্রশিক্ষণ শিবির ছিল মেঘালয়ের দুর্গম এলাকা তুরা পাহাড় এলাকায়।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar