1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
যশোরে ৩গ্রামের মানুষের বিশুদ্ধ পানির একমাত্র উৎস রাজগঞ্জ বাওড় দখলমুক্ত করার দাবি - bdtelegraph24.com
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জানুয়ারিতে নতুন বইয়ের পাশাপাশি ইউনিফর্ম পাবে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা: শিক্ষামন্ত্রী বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা: জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের ১ দিনের রিমান্ড ঝিনাইদহে ৪ লাখ টাকার ৭৭টি অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ধ্বংস শাহজালাল বিমানবন্দরে পৃথক অভিযানে ৭৮১ গ্রাম স্বর্ণসহ আটক ৭ জবিতে মোরাল প্যারেন্টিং ট্রাস্টের ‘নৈতিক অভিভাবকত্ব’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ‘বঙ্গোপসাগর সংলাপে’ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থী কুষ্টিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও লুটপাট: এলাকা পুরুষশূন্য কিশোরগঞ্জে মাদকের টাকার জন্য ৫ শিশুকে বিক্রির অভিযোগ শরীয়তপুরে ডোবা থেকে শিশুর গলাকাটা বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, আটক ১ গাজীপুরে পোশাক কারখানায় আগুন, ধোঁয়ায় অসুস্থ ৬৯ জন উদ্ধার

যশোরে ৩গ্রামের মানুষের বিশুদ্ধ পানির একমাত্র উৎস রাজগঞ্জ বাওড় দখলমুক্ত করার দাবি

  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ১২ জুন, ২০২৬
  • ৬৩ জন খবরটি পড়েছেন

নজরুল ইসলাম যশোর প্রতিনিধি।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

যশোরে শার্শা উপজেলার সীমান্তবর্তী তিন গ্রামের কয়েক হাজার মানুষের বিশুদ্ধ পানীয় জলের একমাত্র সরকারি উৎস রাজগঞ্জ বাওড় দখলমুক্ত করে উন্মুক্ত জলাশয় ঘোষণার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাদের অভিযোগ, কয়েকজন প্রভাবশালী দখলদার অবৈধভাবে বাওড়টি দখল করে মাছ চাষ করছেন, ফলে পানির মান নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি জনস্বাস্থ্যের জন্যও ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, শার্শা উপজেলার ৬ নম্বর গোগা ইউনিয়নের পাঁচভুলাট গ্রাম এবং ৫ নম্বর পুটখালী ইউনিয়নের খলসি ও রাজগঞ্জ গ্রামের মানুষের দীর্ঘদিনের পানীয় জলের প্রধান উৎস এই সরকারি বাওড়। একসময় পুরো অঞ্চলটি আর্সেনিক দূষণে মারাত্মকভাবে আক্রান্ত ছিল। আর্সেনিকের প্রকোপ ক্রমেই ভয়াবহ আকার ধারণ করায় স্থানীয় মানুষের জীবনযাত্রা হুমকির মুখে পড়ে।এ অবস্থায় সরকারের সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা এশিয়া আর্সেনিক নেটওয়ার্ক (এএএন) উদ্যোগ নিয়ে ইছামতি নদীর সঙ্গে সংযুক্ত পুটখালী বাওড়ের একটি অংশ পৃথক করে বিশুদ্ধ পানির সংরক্ষণ ব্যবস্থা গড়ে তোলে। পুটখালী বাওড়ের শেষ প্রান্তে ভেড়িবাঁধ নির্মাণের মাধ্যমে পাঁচভুলাট, খলসি ও রাজগঞ্জ বাওড়ের অংশকে আলাদা করা হয়। পরবর্তীতে সেখানে একটি পানির ট্যাংক স্থাপন করে বাওড়ের পানি উত্তোলন, পরিশোধন এবং পাইপলাইনের মাধ্যমে তিন গ্রামের প্রতিটি বাড়িতে সরবরাহের ব্যবস্থা করা হয়।

স্থানীয়রা জানান, ওই প্রকল্প চালুর পর থেকেই বাওড়ের নির্ধারিত অংশে মাছ চাষ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয় এবং এটি উন্মুক্ত জলাশয় হিসেবে সংরক্ষণের নির্দেশনা দেওয়া হয়। বর্তমানে তিন গ্রামের কয়েক হাজার মানুষ এই প্রকল্পের আওতায় বিশুদ্ধ পানি ব্যবহার করছেন। পানি সরবরাহ ব্যবস্থার রক্ষণাবেক্ষণের জন্য গ্রাহকরা মাসিক মাত্র ৫ টাকা করে জমা দেন, যা বিদ্যুৎ বিল ও পাইপলাইন মেরামতের কাজে ব্যয় করা হয়।

অভিযোগ রয়েছে, সম্প্রতি এলাকার কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি অবৈধভাবে সরকারি জলাশয়টি দখল করে মাছ চাষ শুরু করেছেন। মাছের উৎপাদন বাড়ানোর জন্য তারা পানিতে বিভিন্ন ধরনের রাসায়নিক সার, জৈব সার ও কীটনাশক ব্যবহার করছেন, যা পানির গুণগত মান নষ্ট করছে। ফলে বিশুদ্ধ পানির উৎসটি ধীরে ধীরে দূষিত হয়ে পড়ছে।পাইপলাইনের মাধ্যমে পানি ব্যবহারকারী পরিবারগুলোর দাবি, সরকারি নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে বাওড়ে মাছ চাষ চলতে থাকলে ভবিষ্যতে এই পানি ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে পড়বে। এতে তিন গ্রামের মানুষ আবারও আর্সেনিকসহ বিভিন্ন পানিবাহিত রোগের ঝুঁকিতে পড়তে পারেন।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, রাজগঞ্জ বাওড় শুধু একটি জলাশয় নয়, এটি আমাদের বেঁচে থাকার অবলম্বন। কয়েকজন দখলদারের স্বার্থে হাজার হাজার মানুষের বিশুদ্ধ পানির অধিকার ক্ষুণ্ন হতে পারে না। আমরা দ্রুত বাওড়টি দখলমুক্ত করে উন্মুক্ত জলাশয় ঘোষণার দাবি জানাচ্ছি।”

এ বিষয়ে শার্শা উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা পলাশ বালা বলেন, “পুটখালী বাওড়ের একটি অংশ তিনটি গ্রামের মানুষের বিশুদ্ধ পানির জন্য সংরক্ষিত। ওই অংশে মাছ চাষ সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে দেখা হচ্ছে এবং সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজন।শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফজলে ওয়াহিদ বলেন, “সরকারি জলাশয় অবৈধভাবে দখল করে কেউ মাছ চাষ করলে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এলাকাবাসীর দাবি, জনস্বার্থে রাজগঞ্জ বাওড়কে অবিলম্বে দখলমুক্ত করে স্থায়ীভাবে উন্মুক্ত জলাশয় হিসেবে ঘোষণা করতে হবে। তাহলে তিন গ্রামের হাজার হাজার মানুষ নিরাপদ ও আর্সেনিকমুক্ত বিশুদ্ধ পানি ব্যবহারের সুযোগ পাবে এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষিত থাকবে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar