1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
সংযোগ থেকে বিল—সবখানেই অভিযোগ, প্রশ্নের মুখে লোহাগাড়া পল্লী বিদ্যুৎ - bdtelegraph24.com
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জানুয়ারিতে নতুন বইয়ের পাশাপাশি ইউনিফর্ম পাবে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা: শিক্ষামন্ত্রী বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা: জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের ১ দিনের রিমান্ড ঝিনাইদহে ৪ লাখ টাকার ৭৭টি অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ধ্বংস শাহজালাল বিমানবন্দরে পৃথক অভিযানে ৭৮১ গ্রাম স্বর্ণসহ আটক ৭ জবিতে মোরাল প্যারেন্টিং ট্রাস্টের ‘নৈতিক অভিভাবকত্ব’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ‘বঙ্গোপসাগর সংলাপে’ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থী কুষ্টিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও লুটপাট: এলাকা পুরুষশূন্য কিশোরগঞ্জে মাদকের টাকার জন্য ৫ শিশুকে বিক্রির অভিযোগ শরীয়তপুরে ডোবা থেকে শিশুর গলাকাটা বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, আটক ১ গাজীপুরে পোশাক কারখানায় আগুন, ধোঁয়ায় অসুস্থ ৬৯ জন উদ্ধার

সংযোগ থেকে বিল—সবখানেই অভিযোগ, প্রশ্নের মুখে লোহাগাড়া পল্লী বিদ্যুৎ

  • সর্বশেষ আপডেট : শনিবার, ২০ জুন, ২০২৬
  • ১৫৪ জন খবরটি পড়েছেন

মনির আহমদ আজাদ, লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

চট্টগ্রামের লোহাগাড়া উপজেলা পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল কার্যালয়কে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে দুর্নীতি, অনিয়ম ও গ্রাহক হয়রানির অভিযোগ ক্রমেই তীব্র আকার ধারণ করেছে।

ভুক্তভোগী গ্রাহকদের দাবি, কার্যালয়টির একটি প্রভাবশালী চক্রের নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন সেবা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে, যেখানে অর্থ লেনদেন ছাড়া অনেক ক্ষেত্রেই কাঙ্ক্ষিত সেবা পাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে।
অভিযোগ রয়েছে, নতুন বিদ্যুৎ সংযোগ, মিটার স্থাপন, লোড বৃদ্ধি, ট্রান্সফরমার সংযোজনসহ বিভিন্ন সেবার ক্ষেত্রে গ্রাহকদের নানা অজুহাতে ঘুরানো হয়। অন্যদিকে দালালচক্রের মাধ্যমে অর্থের বিনিময়ে দ্রুত সেবা প্রদানের অভিযোগও রয়েছে। এ কারণে সাধারণ গ্রাহকদের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ বিরাজ করছে।

গ্রাহকদের আরেকটি বড় অভিযোগ বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ ব্যবস্থা নিয়ে। তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, প্রতি মাসের ২৪ বা ২৬ তারিখের মধ্যেই বিল বিতরণ করা হয় এবং নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বিল পরিশোধ না করলে বিলম্ব ফি যুক্ত করা হয়। ফলে মাস শেষে বেতন পাওয়া চাকরিজীবীসহ অনেক গ্রাহক মূল বিলের পাশাপাশি অতিরিক্ত জরিমানা দিতে বাধ্য হন। অনেক ক্ষেত্রে বিলম্ব ফিসহ বিল পরিশোধের পরও পরবর্তী মাসের বিলে বকেয়া দেখানো হয় বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ধরনের ভুল সংশোধনের জন্য গ্রাহকদের বারবার জোনাল অফিসে যোগাযোগ করতে হয়, যা সময় ও অর্থ দুটোরই অপচয় ঘটায়।

স্থানীয়দের অভিযোগ, জোনাল অফিসকে ঘিরে একটি শক্তিশালী দালাল সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। এসব অনিয়ম, দুর্নীতি ও গ্রাহক হয়রানির অভিযোগ এনে লোহাগাড়া উপজেলার এক বাসিন্দা দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের সম্পদের বিভিন্ন তথ্য ও স্থাপনার ছবিও জমা দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে দুদক বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত শুরু করেছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

এদিকে অভিযোগের প্রেক্ষাপটে চট্টগ্রাম পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ কর্তৃপক্ষ অতীতে একাধিক তদন্ত কমিটি গঠন করেছিল। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, তদন্তে কিছু অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়। তদন্ত প্রতিবেদনে অনুমোদন ছাড়া সংযোগ প্রদান, নীতিমালার ব্যত্যয়ে বাণিজ্যিক সংযোগ স্থাপন, ট্রান্সফরমার ও লাইন নির্মাণে অনিয়ম, আর্থিক ক্ষতির সম্ভাবনা এবং নির্ধারিত প্রক্রিয়া অনুসরণ না করার বিষয়গুলো উঠে আসে।
এছাড়া সাধারণ গ্রাহকদের আবেদন দীর্ঘদিন ঝুলিয়ে রাখা হলেও বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত কিছু ব্যক্তি দ্রুত সেবা পেয়েছেন বলেও অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে সুপারিশ করা হয়েছিল বলে একটি দায়িত্বশীল সূত্র জানিয়েছে। তবে সুপারিশের পর দৃশ্যমান কোনো শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি।

অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা অধিকাংশ অনিয়মের কথা অস্বীকার করেছেন। তবে তারা যেকোনো তদন্তে সহযোগিতা করার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন এবং প্রকৃত ঘটনা যাচাইয়ের আহ্বান জানিয়েছেন।

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, বিদ্যুৎ সেবার মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি। একই সঙ্গে গ্রাহকদের হয়রানি বন্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ারও দাবি জানিয়েছেন তারা। ###

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar