1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
বর্ষার জলাবদ্ধতা দূর করতে নিজ অর্থায়নে কাজ করছেন ইউপি চেয়ারম্যান আতাহার আলী - bdtelegraph24.com
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জানুয়ারিতে নতুন বইয়ের পাশাপাশি ইউনিফর্ম পাবে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা: শিক্ষামন্ত্রী বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা: জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের ১ দিনের রিমান্ড ঝিনাইদহে ৪ লাখ টাকার ৭৭টি অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ধ্বংস শাহজালাল বিমানবন্দরে পৃথক অভিযানে ৭৮১ গ্রাম স্বর্ণসহ আটক ৭ জবিতে মোরাল প্যারেন্টিং ট্রাস্টের ‘নৈতিক অভিভাবকত্ব’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ‘বঙ্গোপসাগর সংলাপে’ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থী কুষ্টিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও লুটপাট: এলাকা পুরুষশূন্য কিশোরগঞ্জে মাদকের টাকার জন্য ৫ শিশুকে বিক্রির অভিযোগ শরীয়তপুরে ডোবা থেকে শিশুর গলাকাটা বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, আটক ১ গাজীপুরে পোশাক কারখানায় আগুন, ধোঁয়ায় অসুস্থ ৬৯ জন উদ্ধার

বর্ষার জলাবদ্ধতা দূর করতে নিজ অর্থায়নে কাজ করছেন ইউপি চেয়ারম্যান আতাহার আলী

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ২১ জুন, ২০২৬
  • ৫৪ জন খবরটি পড়েছেন

স্টাফ রিপোর্টার।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার চৌদ্দশত ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের পশ্চিম জিনারাই গ্রামে নিজ অর্থায়নে খাল খনন ও ড্রেন নির্মাণ করে প্রশংসিত হয়েছেন চৌদ্দশত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আতাহার আলী। দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা ও জনদুর্ভোগ নিরসনে তাঁর এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, পশ্চিম জিনারাই গ্রামে একসময় একটি সরকারি খাল ছিল। সময়ের পরিক্রমায় বিভিন্ন প্রয়োজনে খালটি ভরাট হয়ে যায়। ফলে বর্ষা মৌসুমে কৃষিজমি ও আশপাশের বসতবাড়িতে পানি জমে ব্যাপক দুর্ভোগ সৃষ্টি হতো। বছরের পর বছর জলাবদ্ধতায় ভোগান্তিতে পড়তেন কয়েকশ’ মানুষ।

এ অবস্থায় এলাকাবাসীর দুর্ভোগ লাঘবে চেয়ারম্যান মো. আতাহার আলী নিজ অর্থায়নে সামছুদ্দিনের বাড়ি থেকে কালিকুমারের বাড়ি পর্যন্ত খাল পুনঃখনন ও ড্রেন নির্মাণের উদ্যোগ নেন। বর্তমানে কাজ চলমান রয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা কাজল মিয়া বলেন, “খালটি ভরাট হয়ে যাওয়ার কারণে প্রতিবছর বর্ষা এলেই প্রায় পাঁচ থেকে ছয়শ’ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়ত। আমাদের কষ্টের কথা বিবেচনা করে চেয়ারম্যান নিজ খরচে খাল খনন ও ড্রেন নির্মাণের কাজ শুরু করেছেন। এজন্য আমরা তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞ।”

আরেক বাসিন্দা ফরিদ মিয়া বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে আমরা জলাবদ্ধতার সমস্যায় ভুগছিলাম। বিষয়টি চেয়ারম্যানকে জানালে তিনি দ্রুত ব্যবস্থা নেন। তাঁর এই মানবিক উদ্যোগে গ্রামবাসী খুবই খুশি।”

চৌদ্দশত ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আতাহার আলী বলেন, “এই এলাকায় সরকারি একটি খাল ছিল, যা বহু বছর আগে ভরাট হয়ে যায়। ফলে বর্ষা মৌসুমে প্রায় ৫ থেকে ৬ শতাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়তেন। জনগণের দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে আমি নিজ অর্থায়নে খাল পুনঃখনন ও ড্রেন নির্মাণের কাজ শুরু করেছি। পাশাপাশি মানুষের নির্বিঘ্ন চলাচলের সুবিধার্থে এখানে একটি রাস্তা নির্মাণেরও পরিকল্পনা রয়েছে।”

স্থানীয়দের আশা, খাল খনন ও ড্রেন নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হলে এলাকার দীর্ঘদিনের জলাবদ্ধতা দূর হবে এবং কৃষি ও জনজীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar