1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
জুমার দিনে দরুদ শরীফ ও ইস্তেগফার পাঠের গুরুত্ব - bdtelegraph24.com
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:২৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পশ্চিম তীর পূর্ণাঙ্গ অবরুদ্ধ করার নির্দেশ দিলেন নেতানিয়াহু সৌদি আরবের কারাগারে সাড়ে ৭ হাজার বাংলাদেশি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কুড়িগ্রামে শাবলের আঘাতে চাচিকে হত্যা, আহত ৩ ভারত থেকে আমদানিকৃত ১৩৫ টন চালে বিষাক্ত আফলাটক্সিনের অস্তিত্ব টঙ্গীতে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে দগ্ধ বাবা-মায়ের পর কন্যার মৃ/ত্যু সাজেকে পর্যটক ও নিরাপত্তাবাহিনীর ওপর হামলার নিন্দা পিসিসিপির বাঘারপাড়ায় ৩ খাতে সরকারি উন্নয়ন বরাদ্দ পেল খানপুর গ্রাম চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের ৫ স্থানে বাইপাস ও ফ্লাইওভার নির্মাণের পরিকল্পনা রাঙামাটিতে বাস থেকে ১৫ কেজি গাঁজা উদ্ধার, আটক ২ জুমার দিন দোয়া কবুলের মুহুর্তে যে দোয়া বেশি বেশি পড়তে হবে

জুমার দিনে দরুদ শরীফ ও ইস্তেগফার পাঠের গুরুত্ব

  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ৩১ জুলাই, ২০২৬
  • ১০৫ জন খবরটি পড়েছেন

নিউজ ডেস্ক।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

ইসলামে শুক্রবার (জুমার দিন) সপ্তাহের শ্রেষ্ঠ দিন। এই দিন ও এর আগের রাত (বৃহস্পতিবার সূর্যাস্তের পর থেকে) আল্লাহ তাআলার বিশেষ রহমত ও বরকতের সময়। হাদিসে এ সময়ে বেশি বেশি দরুদ শরীফ ও ইস্তেগফার পাঠের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

জুমার দিনে দরুদ শরীফ পাঠের গুরুত্ব

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাঁর উম্মতকে জুমার দিন বেশি বেশি দরুদ পাঠ করার নির্দেশ দিয়েছেন।

তিনি বলেন,

“তোমাদের সর্বোত্তম দিন হলো জুমার দিন। তাই এ দিনে আমার ওপর বেশি বেশি দরুদ পাঠ করো। কারণ তোমাদের দরুদ আমার কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়।”
— সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ১০৪৭

অন্য হাদিসে এসেছে,

“যে ব্যক্তি আমার ওপর একবার দরুদ পাঠ করে, আল্লাহ তার ওপর দশটি রহমত বর্ষণ করেন, তার দশটি গুনাহ মাফ করে দেন এবং তার মর্যাদা দশ ধাপ উন্নীত করেন।”
— সুনানে নাসাঈ, হাদিস: ১২৯৭

দরুদ পাঠের ফজিলত

১। রাসুল (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ পায়। ২। আল্লাহর রহমত লাভ করা যায়। ৩। গুনাহ ক্ষমা হয়। ৪। মর্যাদা বৃদ্ধি পায়.৫। কিয়ামতের দিন রাসুল (সা.)-এর নৈকট্য লাভের আশা করা যায়।৬। দোয়া কবুল হওয়ার অন্যতম মাধ্যম।

সহজ একটি দরুদ

اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَىٰ مُحَمَّدٍ وَعَلَىٰ آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَىٰ إِبْرَاهِيمَ وَعَلَىٰ آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ…

অথবা সংক্ষেপে—

ﷺ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)

জুমার দিনে ইস্তেগফারের গুরুত্ব

ইস্তেগফার অর্থ আল্লাহর কাছে নিজের গুনাহের জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা। জুমার দিন আল্লাহর রহমত ও মাগফিরাত লাভের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আমল হলো বেশি বেশি ইস্তেগফার করা।

আল্লাহ তাআলা বলেন,

“তোমরা তোমাদের রবের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর, তারপর তাঁর দিকেই ফিরে আস। নিশ্চয়ই আমার রব অতি দয়ালু ও পরম স্নেহশীল।”
— সূরা হুদ, আয়াত: ৯০

আরও বলেন,

“তোমরা তোমাদের প্রতিপালকের কাছে ক্ষমা প্রার্থনা কর; নিশ্চয়ই তিনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল।”
— সূরা নূহ, আয়াত: ১০

রাসুলুল্লাহ (সা.) বলেছেন,

“যে ব্যক্তি বেশি বেশি ইস্তেগফার করবে, আল্লাহ তার প্রতিটি সংকট থেকে বের হওয়ার পথ করে দেবেন, সব দুশ্চিন্তা দূর করবেন এবং তাকে এমন স্থান থেকে রিজিক দেবেন, যা সে কল্পনাও করতে পারে না।”
— সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ১৫১৮

ইস্তেগফারের উপকারিতা জুমার দিনে দরুদ শরীফ ও ইস্তেগফার পাঠের গুরুত্ব

১। অন্তর প্রশান্ত হয়। ২। দুশ্চিন্তা ও বিপদ দূর হয়। ৩। রিজিকে বরকত আসে। ৪। আল্লাহর নৈকট্য অর্জিত হয়। ৫। দোয়া কবুলের সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।

সহজ ইস্তেগফার

أَسْتَغْفِرُ اللَّهَ وَأَتُوبُ إِلَيْهِ

উচ্চারণ: আস্তাগফিরুল্লাহা ওয়া আতুবু ইলাইহি।

অর্থ: আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই এবং তাঁর কাছেই তাওবা করি।

জুমার দিনে কখন বেশি বেশি দরুদ ও ইস্তেগফার পড়া উত্তম?

১। বৃহস্পতিবার সূর্যাস্তের পর (জুমার রাত) থেকে। ২। জুমার দিনের পুরো সময়। ৩। জুমার নামাজে যাওয়ার আগে। ৪। খুতবার আগে ও পরে। ৪। আসরের পর থেকে মাগরিব পর্যন্ত, কারণ এ সময়ে দোয়া কবুলের বিশেষ একটি মুহূর্ত থাকার কথা হাদিসে উল্লেখ রয়েছে। ৫। নামাজের পর এবং ব্যক্তিগত দোয়ার সময়।

উপসংহার

জুমার দিন মুমিনের জন্য রহমত, বরকত ও ক্ষমা লাভের এক অনন্য সুযোগ। এ দিনে বেশি বেশি দরুদ শরীফ পাঠ করলে রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রতি ভালোবাসার প্রকাশ ঘটে এবং আল্লাহর রহমত লাভ হয়। একই সঙ্গে ইস্তেগফার বান্দার গুনাহ মাফ, অন্তরের প্রশান্তি, দুশ্চিন্তা দূরীকরণ ও রিজিকে বরকতের গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম। তাই জুমার দিনটি কোরআন তিলাওয়াত, দরুদ শরীফ, ইস্তেগফার, দোয়া এবং অন্যান্য নফল ইবাদতের মাধ্যমে অতিবাহিত করার চেষ্টা করা একজন মুমিনের জন্য অত্যন্ত কল্যাণকর।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar