মোঃ কামরুল ইসলাম, রাঙামাটি জেলা প্রতিনিধি
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর), ২০২৬
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
রাঙামাটিতে ১৩তম গাউছুল আজম মাইজভাণ্ডারী মেধাবৃত্তি ও সৈয়দ আহমদ উল্লাহ মাইজভাণ্ডারী কারিগরি বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত রাঙামাটি শহরের রাণী দয়াময়ী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। মাইজভাণ্ডারী ফাউন্ডেশনের আয়োজনে এবং দারুল ইরফান রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (ডিআইআরআই) সহযোগিতায় দেশের ৪০টি কেন্দ্রে একযোগে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।
রাঙামাটির রাণী দয়াময়ী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে বিভিন্ন বিদ্যালয়, ইবতেদায়ী ও দাখিল মাদ্রাসার চতুর্থ থেকে অষ্টম শ্রেণি এবং কারিগরি বিদ্যালয়ের নবম ও দশম শ্রেণির প্রায় ৬৪২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। পরীক্ষা কেন্দ্রের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন রাণী দয়াময়ী উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রনতোষ মল্লিক। কেন্দ্র সচিবের দায়িত্বে ছিলেন উত্তর নিশ্চিন্তাপুর নুর-ছাপা মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ইব্রাহিম।
মাইজভাণ্ডার গাউছিয়া আহমদিয়া মঞ্জিলের সাজ্জাদানশীন হযরত মওলানা শাহ সুফি সৈয়দ এমদাদুল হক মাইজভাণ্ডারীর পৃষ্ঠপোষকতায় পরীক্ষার সার্বিক তত্ত্বাবধান করেন নায়েব সাজ্জাদানশীন ও ডিআইআরআই-এর ম্যানেজিং ট্রাস্টি সৈয়দ ইরফানুল হক মাইজভাণ্ডারী। আয়োজকদের লক্ষ্য শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশ, পড়াশোনায় আগ্রহ সৃষ্টি এবং প্রতিভাবানদের উৎসাহিত করা।
পরীক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ ও শৃঙ্খলা
পরীক্ষা চলাকালে আঞ্জুমানে মোত্তাবেয়ীনে গাউছে মাইজভাণ্ডারী (শাহ এমদাদীয়া) রাঙামাটি জেলা শাখার সদস্যরা উপস্থিত থেকে সার্বিক সহযোগিতা করেন। কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই শান্তিপূর্ণ ও শৃঙ্খলাপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষা সম্পন্ন হয় বলে জানান হল সুপার মো. হাসান উদ্দীন।
কেন্দ্র প্রধান রনতোষ মল্লিক বলেন, “শিক্ষার্থীদের মেধা বিকাশে এ ধরনের বৃত্তি পরীক্ষা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। পরীক্ষার্থীরা সুন্দর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। ভবিষ্যতেও শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করতে এ ধরনের উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলে আশা করি।”
কেন্দ্র সচিব মো. ইব্রাহিম বলেন, “পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে কেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত শিক্ষক ও সংশ্লিষ্ট সবাই আন্তরিকভাবে কাজ করেছেন। শিক্ষার্থীদের উপস্থিতিও ছিল সন্তোষজনক। মেধাবী শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার পাশাপাশি তাদের প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব তৈরিতে এই আয়োজন গুরুত্বপূর্ণ।”