1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
ফরিদপুরে পদ্মার ভাঙনে বিলীন এলজিইডির ৮ কোটি টাকার সেতু - bdtelegraph24.com
রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ১০:২৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
২১০০ সালের মধ্যে বিলুপ্ত হতে পারে মানবজাতি: ল্যানসেটের সতর্কবার্তা ভিসা জটিলতা ও বাড়তি খরচে অস্ট্রেলিয়ায় কমছে বিদেশি শিক্ষার্থী, সংকটে বিশ্ববিদ্যালয় ফরিদপুরে পদ্মার ভাঙনে বিলীন এলজিইডির ৮ কোটি টাকার সেতু সহযোগী অধ্যাপক পদে পদোন্নতি পেলেন জাককানইবি শিক্ষক ড. মুস্তাফিজুর রহমান কালিয়াকৈরে ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নে মাঠকর্মী ও সুপারভাইজারদের প্রশিক্ষণ শুরু যশোরে সাম্রাজ্যবাদ ও যুদ্ধবিরোধী জোটের বিক্ষোভ ও মিছিল কুবিতে ‘চিঠি উৎসব’ অনুষ্ঠিত জবিতে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিশ্ব মানসিক স্বাস্থ্য দিবস পালিত অভয়নগরে আনসার ও ভিডিপির উদ্যোগে ৬০টি বৃক্ষরোপণ বেনাপোল সীমান্ত দিয়ে দেশে ফিরল ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রোটনের মরদেহ

ফরিদপুরে পদ্মার ভাঙনে বিলীন এলজিইডির ৮ কোটি টাকার সেতু

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ১১ অক্টোবর, ২০২৬
  • ২৬ জন খবরটি পড়েছেন

নিউজ ডেস্ক
রবিবার (১১ অক্টোবর), রাত ৮টা ৪৩ মিনিট

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

ফরিদপুর সদরের নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের কবিরপুর গ্রামে পদ্মার তীব্র ভাঙনে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) নির্মিত ৪০ মিটার দীর্ঘ একটি সেতু বিলীন হয়েছে। শনিবার (১০ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ৭টার দিকে সেতুটি নদীগর্ভে তলিয়ে গেলে দুই জেলার অন্তত দুই হাজার মানুষের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন।

এলজিইডি সূত্রে জানা যায়, ২০১৯-২০ অর্থবছরে সাত কোটি ৯৬ লাখ টাকা ব্যয়ে সেতুটি নির্মাণ করা হয়েছিল। সেতুটি নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের আজমত আলী মন্ডলের ডাঙ্গী, মোনতাজ মাদবরের ডাঙ্গী ও আদর্শ গ্রামের বাসিন্দাদের যাতায়াতের প্রধান মাধ্যম ছিল। এছাড়া মানিকগঞ্জের হরিরামপুর উপজেলার লেছরাগঞ্জ ইউনিয়নের সাতটি গ্রামের মানুষও এই সেতু ব্যবহার করতেন।

নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোস্তফা হোসেন বলেন, “গত দুই মাস আগে এলাকায় ভাঙন শুরু হলেও গত ১৫ দিনে তা মারাত্মক রূপ নেয়। গত চার দিন ধরে সেতুর পূর্ব পাশের সড়ক ভাঙতে শুরু করে এবং শনিবার সকালে সেতুর পূর্ব অংশ নদীতে ধসে পড়ে।”

তিনি আরও জানান, গত দুই মাসের নদীভাঙনে ওই এলাকার আদর্শ গ্রামের ৫০টি পরিবারসহ মোট ২৫০টি বসতবাড়ি এবং ৮২৫ একর ফসলি জমি নদীগর্ভে তলিয়ে গেছে।

নর্থ চ্যানেল ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মোস্তাকুজ্জামান বলেন, “সেতুটির পূর্ব পাশের পাইলিংয়ের নিচের মাটি সরে যাওয়ায় এটি নদীতে বসে গেছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড বালুর বস্তা ফেললেও ভাঙন ঠেকানো যায়নি।”

ফরিদপুর সদরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মেশকাতুল জান্নাত রাবেয়া জানান, জেলা প্রশাসক ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের নিয়ে একাধিকবার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। সেতুটি রক্ষায় ১৫০ মিটার অংশে বালুর বস্তা ফেলা হলেও দেড় কিলোমিটারজুড়ে বিস্তৃত ভাঙনের মুখে তা কার্যকর হয়নি।

ফরিদপুর এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ আজহারুল ইসলাম বলেন, “গত ৩৫ বছরে ওই এলাকায় এমন তীব্র ভাঙন দেখা যায়নি। নদী তার পুরনো রূপ ও প্রবাহে ফিরে আসছে বলে মনে হচ্ছে।”

ফরিদপুর পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী রাকিব হোসেন জানান, সেতুর দুই পাশেই পদ্মার দুটি ধারা প্রবাহিত হওয়ায় ভাঙন তীব্র আকার ধারণ করেছে। নদী ৫০০ মিটার ভেতরে ঢুকে পড়েছে এবং ১ হাজার ৩০০ মিটারজুড়ে ভাঙন বিস্তৃত। বর্ষা মৌসুম শেষ হলে বিশেষজ্ঞ দলের পরামর্শ অনুযায়ী পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar