1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
বিলুপ্তির পথে গ্রাম-বাংলার জনপ্রিয় ধানের গোলা - bdtelegraph24.com
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শ্যামনগরে সিবিডি কপ -১৭ বিষয়ক কমিউনিটি পর্যায়ে পরামর্শ সভা মাঝ আকাশে ১৭ হাজার ফুট উচ্চতায় ইন্ডিগোর বিমানে বজ্রপাত, নিরাপদে অবতরণ প্রধান শিক্ষক নিয়োগে আইনি বাধা কাটল, ১৫ অক্টোবর থেকে পরীক্ষা পাঁচশ বছর ধরে বিরতিহীন কুরআন তেলাওয়াত ইস্তাম্বুলের তোপকাপি প্রাসাদে ঢাকার বাতাস আজও অস্বাস্থ্যকর, দূষিত শহরের তালিকায় সপ্তম অবস্থানে ভারতীয় অভিনেতা নানা পাটেকার আর নেই সৌদি আরবের দুই বিমানবন্দরে হুথিদের হামলা: নিহত ৩, আহত ৩৬ শেখ হাসিনাকে ফেরানো আইনি বিষয়, প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে: ভারত গৌরীপুরে আগুনে পুড়ে ছাই ঐতিহ্যবাহী ঝলমল সিনেমা হল জকসুর উদ্যোগে ক্যালিগ্রাফি প্রদর্শনী

বিলুপ্তির পথে গ্রাম-বাংলার জনপ্রিয় ধানের গোলা

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৯ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ২৪৬ জন খবরটি পড়েছেন

রফিকুল ইসলাম দেবহাটা প্রতিনিধি। এক সময় মাঠ ভরা ধান, গোয়াল ভরা গরু, আর গোলাভরা ধান গ্রামের সম্ভ্রান্ত কৃষকের পরিচয় বহন করত। সভ্যতার বিবর্তনে আর আধুনিক কৃষি সংক্ষণের পদ্ধতি আবিষ্কারের ফলে হারাতে বসেছে কৃষকের ঐতিহ্যবাহী ধানের গোলা।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

দেবহাটা উপজেলা সহ বিভিন্ন গ্রামে এক সময় সম্ভ্রান্ত কৃষকের বাড়ীর উঠানে শোভা পেতো ধান রাখার এই গোলাঘর এখন সেটা আর চোঁখে পড়েনা সেটা বর্তমানে বিলুপ্তির পথে। বাঁশ দিয়ে বিশেষ পদ্ধতিতে তৈরি গোল আকৃতির কাঠামোই “গোলা ছোট বড় মানের ভেদে ১০০ থেকে ৩০০ মন ধান সংরক্ষন করা হতো এই গোলায়।

উত্তর সখিপুর গ্রামের আব্দুল হামিদ বলেন আমরা সেই ছোট থেকে দেখে আসছি গ্রামে যাদের অনেক ধান হতো তারা সেগুলা সংরক্ষণ করে রাখার জন্য এই গোলার ব্যবহার করতো, কিন্তু বর্তমানে আধুনিকতার ছোঁয়ায় এই গোলা ঘর এর প্রয়োজন হয় না।

সখিপুর গ্রামের বাঁশের গোলা তৈরি মিস্ত্রি বক্স কারিগর বলেন,আমি আশি- নব্বই দশকের দিকে গোলা তৈরির কাজ করতাম তখন একটি গোলা তৈরি করতে খরচ হত সেই সময়ের টাকা ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকা,যা এখন তৈরি করতে গেলে যা খরচ হবে প্রায় ১লক্ষ থেকে ১লক্ষ ৫০ হাজার টাকার মতো। আর এখন তো আর গোলা বান্ধার কাজ হয় না। যার কারণে অন্য কাজ খুঁজতে হচ্ছে।

উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রণ কর্মকর্তা শাহিনা খাতুন বলেন বর্তমান সময় মানুষ এখন অনেক আধুনিক হয়েছে। এখন যেমন মানুষ কোন কিছু সংরক্ষন করার জন্য চটের বস্তা,পলিথিনের বস্তায় কিংবা প্লাসটিকের ড্রাম ব্যকবহার করছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আসাদুজ্জামান বলেন আমি বা আমরা হয়তো কিছু দিন গোলা এর ব্যবহার দেখছি, কিন্তু বর্তমান জেনারেশন এর ব্যাবহার কি ভাবে করতে হয় সেটাও জানে না। বর্তমান সময় গোলা তেমন কোন প্রয়োজন হয়না কারণ গোলা ঘরে ফসল সংরক্ষণ করলে নষ্ট হওয়ার সম্ভবনা থাকে,বর্তমান বিশ্ব উন্নত হয়েছে তাই এর ব্যাবহার কমে গেছে,তবে আমি চাই আমাদের গ্রাম গঞ্জে যাদের বাড়ির এখনো গোলা আছে সেটা কি ভাবে সংরক্ষণ করা যায় সেদিকে সবার খেয়াল রাখা উচিত।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar