1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
নবীনগরে শীতের পিঠা বিক্রির ধুম - bdtelegraph24.com
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৩৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
যশোরে পানি মোটরের সুইচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শিশুর মৃত্যু নির্বাচন কমিশনের সামনে রাহুল গান্ধীসহ বিরোধী এমপিদের বিক্ষোভ, আটক ও মুক্তি নওগাঁর ধামইরহাটে একই পরিবারের ৫ সদস্যের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শ্রীলঙ্কান তরুণকে ক্ষমার আকুতি পরিবারের গোপালগঞ্জে মোটরসাইকেলের যন্ত্রাংশ চুরির জেরে সংঘর্ষ, আহত ১৫ ৮ মাস পর যমুনা সার কারখানায় ইউরিয়া উৎপাদন শুরু মিয়ানমারে পাচারকালে পতেঙ্গায় ৮০০ বস্তা সিমেন্ট জব্দ শিশুদের প্রতিভা বিকাশে খেলাধুলা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের সুযোগ তৈরির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর কালিয়াকৈরে ১৪৫ মন্ডপে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি: নিরাপত্তা নিশ্চিতে কঠোর প্রশাসন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয়-২৪ হলের নতুন প্রভোস্ট ড. মোহাম্মদ মহিউদ্দিন

নবীনগরে শীতের পিঠা বিক্রির ধুম

  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ৫ ডিসেম্বর, ২০২৫
  • ৮১ জন খবরটি পড়েছেন

ফরিদ আহমেদ,নবীনগর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) ।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপ-জেলায় শীত মৌসুমের শুরুতেই পিঠা পিঠা বিক্রির হিড়িক পড়েছে। উপ-জেলার বিভিন্ন লোকালয়ে চলছে পিঠা বিক্রির হিড়িক। এ ব্যবসায় অনেকেই ভাল আয় করছেন বলে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ী সুদন ও মনোয়ারা জানান।

এ ব্যবসায় তেমন বেশি পুঁজি লাগে না। জ্বালানী হিসেবে লাকড়ি, কিছু গুড়, নারিকেল ও চাউলের গুড়া দিয়ে শুরু করা হয় এ ব্যবসা। পিঠা ব্যবসায়ীদের লাকড়ীর পরিবর্তে গ্যাসের চুলা ব্যবহার করতে ও দেখা যাচ্ছে। উপজেলার হাইস্কুল গেইট, লঞ্চ ঘাট, পৌরসভা ও ২১টি ইউনিয়নের হাট-বাজার গুলোতে শীত মৌসুমের জমজমাট ভাঁপা, চিতই, পুলি, ডিমপিঠা, মেরা পিঠার ব্যবসা শুরু হয়েছে। এসব জায়গায় ক্রেতাদের সংখ্যা চোখে পড়ার মত। এখানে বেঁচা-বিক্রি চলে বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত, বিশেষ করে সন্ধ্যার পর থেকে। কেউ টুলে বসে কেউ বা দাঁড়িয়ে পিঠা খায়, আবার অনেকে বাড়ির জন্য নিয়েও যান। চিতই পিঠার সাথে ধনিয়া পাতা, মরিচ, সরিষা, শুঁটকি বাটা দিয়ে ও পিঠা বিক্রি করে। এক একটি পিঠার দাম নেয়া হয় ১০ থেকে ২০ টাকা। পিঠা তৈরীর বেশির ভাগ দোকানের ব্যবসায়ী হয় মহিলা, পাশাপাশি পুরুষরা ও তৈরি করে।

পিঠা বিক্রেতা নুরজাহান বেগম জানান, প্রতি বছর শীত এলেই আমরা পিঠা বিক্রি শুরু করি। শীতের প্রকোপ যত বেশি থাকে পিঠা বিক্রি ও বেড়ে যায়। প্রতি দিন বিকাল থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত এক থেকে ২ থেকে আড়াই হাজার টাকার পিঠা বিক্রি করি। যে পিঠায় গুড় ও নারকেল দেয়া হয় সে সব পিঠার ক্রেতা বেশী। পিঠা খেতে আসা অনেকেই জানান, শীতের সময় ভাঁপা ও চিতই পিঠা খাওয়ার মজাই অন্য রকম। গরম গরম ভাঁপা পিঠা দেখলে লোভ সামলানো দায়।

তারেক নামের এক ক্রেতা জানান, কর্মব্যস্ততার কারণে বাসায় পিঠা তৈরি করে খাওয়া অধিকাংশ সময়ই সম্ভব হয় না। ফলে রাস্তার পাশের দোকান থেকে কিনে খেতে হয়। তবে পিঠা যারা তৈরি করেন তারা যেন ধুলা বালি থেকে রক্ষা করে স্বাস্থ্য সম্মত ভাবে পিঠা তৈরি করেন এটা খেয়াল রাখতে হবে। সাধারণত চাউলের গুঁড়ার সাথে নারিকেল, খেজুর গুড় মিশিয়ে তৈরি করা হয় ভাঁপা পিঠা। প্রতি দিন অন্তত ২ থেকে ৩ শত পিস পিঠা বিক্রি করেন একজন বিক্রেতা।

উপ-জেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হাবিবুর রহমান জানান, রাস্তার পাশে খোলা বাজারে তৈরি পিঠাতে ধুলা-বালি সহ নানা রকম জীবাণু লেগে যেতে পারে। যা হতে পারে পেপটিকালচার ডিজিজ, ডায়রিয়া, টাইফয়েড সহ নানা ধরনের কঠিন শারীরিক সমস্যার কারণ। তাই পিঠা তৈরি ও তা খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্কতা
অবলম্বন করতে হবে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar