ডেস্ক নিউজ।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর আজ মঙ্গলবার বিকেলে বাংলাদেশের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। একই অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে শপথ নেবেন নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যরাও। গত ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে নিরঙ্কুশ জয়ের পর এই শপথের মাধ্যমেই দেশটিতে নতুন সরকার গঠনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হচ্ছে।
বিএনপির দায়িত্বশীল সূত্রগুলো জানিয়েছে, নতুন এই মন্ত্রিসভার আকার হতে পারে ৩৫ থেকে ৪০ জনের মধ্যে। যেখানে অভিজ্ঞ প্রবীণ রাজনীতিকদের পাশাপাশি বড় একটি অংশজুড়ে থাকছেন নবীন ও প্রশাসনিক দক্ষতাসম্পন্ন নেতারা।
দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে পাওয়া আভাস অনুযায়ী, নতুন সরকারে ২৬ থেকে ২৭ জন পূর্ণমন্ত্রী এবং ১০ থেকে ১২ জন প্রতিমন্ত্রী থাকতে পারেন। মন্ত্রিসভায় জ্যেষ্ঠ নেতাদের মধ্যে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, মির্জা আব্বাস, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহ্মদের থাকা প্রায় নিশ্চিত।
এছাড়া দীর্ঘ সময় রাজপথে সক্রিয় থাকা রুহুল কবীর রিজভী আহমেদ এবং শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানিও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পেতে পারেন বলে আলোচনা রয়েছে।
তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন এই সরকারে ‘টেকনোক্র্যাট’ বা সংসদ সদস্য নন এমন বিশেষজ্ঞ কোটায় গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ড. রেজা কিবরিয়া, ড. হুমায়ুন কবির ও ড. মাহদী আমিনের মতো ব্যক্তিদের নাম এ ক্ষেত্রে আলোচিত হচ্ছে। পাশাপাশি প্রশাসনিক দক্ষতা ও স্থানীয় গুরুত্ব বিবেচনায় অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, আরিফুল হক চৌধুরী ও শামা ওবায়েদের মতো তরুণ মুখগুলোকে মন্ত্রিসভায় এনে নতুন চমক দিতে চায় বিএনপি।
সরকার গঠনের এই উৎসবমুখর পরিবেশের মধ্যেই ভিন্ন সুর শোনা যাচ্ছে জোটসঙ্গী এনসিপির পক্ষ থেকে। দলটির ৬ জন সংসদ সদস্য দ্বৈত শপথের বিষয়টি সামনে এনে মন্ত্রিসভার শপথ অনুষ্ঠানে না যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। তবে এই ঘোষণা সরকারের ওপর কোনো প্রভাব ফেলবে কি না, তা নিয়ে এখনো কোনো মন্তব্য করেনি বিএনপি।
নতুন এই মন্ত্রিসভার পূর্ণাঙ্গ ও চূড়ান্ত তালিকা শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের পরপরই আনুষ্ঠানিকভাবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে ঘোষণা করা হবে।