1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
উদ্বোধনের আড়াই বছর পরও বন্ধ হাসপাতাল - bdtelegraph24.com
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জানুয়ারিতে নতুন বইয়ের পাশাপাশি ইউনিফর্ম পাবে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা: শিক্ষামন্ত্রী বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা: জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের ১ দিনের রিমান্ড ঝিনাইদহে ৪ লাখ টাকার ৭৭টি অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ধ্বংস শাহজালাল বিমানবন্দরে পৃথক অভিযানে ৭৮১ গ্রাম স্বর্ণসহ আটক ৭ জবিতে মোরাল প্যারেন্টিং ট্রাস্টের ‘নৈতিক অভিভাবকত্ব’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ‘বঙ্গোপসাগর সংলাপে’ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থী কুষ্টিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও লুটপাট: এলাকা পুরুষশূন্য কিশোরগঞ্জে মাদকের টাকার জন্য ৫ শিশুকে বিক্রির অভিযোগ শরীয়তপুরে ডোবা থেকে শিশুর গলাকাটা বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, আটক ১ গাজীপুরে পোশাক কারখানায় আগুন, ধোঁয়ায় অসুস্থ ৬৯ জন উদ্ধার

উদ্বোধনের আড়াই বছর পরও বন্ধ হাসপাতাল

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৯০ জন খবরটি পড়েছেন

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ভারত সীমান্ত-ঘেঁষা ভৈরবা এলাকায় নির্মিত ২০ শয্যার একটি হাসপাতাল উদ্বোধনের আড়াই বছর পরও চালু না হওয়ায় অন্তত পাঁচটি ইউনিয়নের প্রায় ৫০টি গ্রামের লাখো মানুষ প্রাথমিক ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত রয়েছেন।

২০২৩ সালের ২৫ অক্টোবর উদ্বোধন হওয়া এই হাসপাতালটি প্রায় ২০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত হলেও এখনো কার্যক্রম শুরু হয়নি। জেলা শহর থেকে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই হাসপাতালটির লক্ষ্য ছিল সীমান্তবর্তী জনগোষ্ঠীর চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা।

তবে দীর্ঘদিন চালু না থাকায় হাসপাতাল ভবনটি অবহেলায় নষ্ট হতে শুরু করেছে। বিভিন্ন স্থানে পলেস্তারা খসে পড়ছে এবং দেয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে। পাশাপাশি রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে কিছু যন্ত্রাংশ চুরির ঘটনাও ঘটছে বলে জানা গেছে।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, হাসপাতাল চালু না হওয়ায় তাদের চিকিৎসার জন্য এখনো উপজেলা কিংবা জেলা শহরে যেতে হচ্ছে। এতে সময় ও অর্থ—দুটোরই অপচয় হচ্ছে।

এলাকার বাসিন্দা সম্রাট বলেন, হাসপাতাল চালু হলে কাছেই চিকিৎসা পাওয়া যাবে—এমন আশা ছিল। কিন্তু বাস্তবে এখনো দূরে গিয়ে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে।

একই ধরনের হতাশা প্রকাশ করে খাদিজা বানু নামে এক বৃদ্ধা বলেন, বিপুল অর্থ ব্যয়ে হাসপাতাল নির্মাণ হলেও এখনো সেখানে কোনো চিকিৎসক আসেননি। দ্রুত এটি চালুর দাবি জানান তিনি।

এ বিষয়ে ঝিনাইদহের সিভিল সার্জন ডা. মো. কামরুজ্জামান জানান, হাসপাতাল চালুর জন্য প্রয়োজনীয় জনবল ও সরঞ্জামের চাহিদাপত্র সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। প্রশাসনিক অনুমোদন পেলেই দ্রুত কার্যক্রম শুরু করা হবে।

তিনি আরও বলেন, হাসপাতালটি চালু হলে প্রতি মাসে প্রায় ১০ থেকে ১২ হাজার মানুষ নিয়মিত স্বাস্থ্যসেবা পাবে, যা সীমান্তবর্তী এলাকার চিকিৎসা সংকট অনেকটাই লাঘব করবে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar