1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
চিতলমারীতে বজ্রপাতের অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই দিনমজুরের বসতঘর - bdtelegraph24.com
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০:০৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জানুয়ারিতে নতুন বইয়ের পাশাপাশি ইউনিফর্ম পাবে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা: শিক্ষামন্ত্রী বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা: জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের ১ দিনের রিমান্ড ঝিনাইদহে ৪ লাখ টাকার ৭৭টি অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ধ্বংস শাহজালাল বিমানবন্দরে পৃথক অভিযানে ৭৮১ গ্রাম স্বর্ণসহ আটক ৭ জবিতে মোরাল প্যারেন্টিং ট্রাস্টের ‘নৈতিক অভিভাবকত্ব’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ‘বঙ্গোপসাগর সংলাপে’ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থী কুষ্টিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও লুটপাট: এলাকা পুরুষশূন্য কিশোরগঞ্জে মাদকের টাকার জন্য ৫ শিশুকে বিক্রির অভিযোগ শরীয়তপুরে ডোবা থেকে শিশুর গলাকাটা বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, আটক ১ গাজীপুরে পোশাক কারখানায় আগুন, ধোঁয়ায় অসুস্থ ৬৯ জন উদ্ধার

চিতলমারীতে বজ্রপাতের অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে ছাই দিনমজুরের বসতঘর

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৬২ জন খবরটি পড়েছেন

প্রিন্স মন্ডল অলিফ, বাগেরহাট জেলা প্রতিনিধি। 

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার দড়ি উমাজুড়ি গ্রামে বজ্রপাতের ফলে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডে আনন্দ মিস্ত্রী নামের এক দিনমজুরের বসতঘর সম্পূর্ণ পুড়ে গেছে। এতে তার পরিবারের সব ধরনের সহায়-সম্বল ধ্বংস হয়ে গেছে।

পরিবার সূত্রে জানা যায়, আনন্দ মিস্ত্রী তার স্ত্রী ও এক কন্যাকে নিয়ে অত্যন্ত সীমিত আয়ে জীবনযাপন করতেন। তারা একটি ভাড়া বাড়িতে থাকতেন এবং ঘরের ভেতরে থাকা প্রতিটি জিনিসই ছিল তাদের দীর্ঘদিনের কষ্টের ফল।

ঘটনার দিন তারা বাড়ির বাইরে থাকায় বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়ানো সম্ভব হয়েছে। তবে রাতের অগ্নিকাণ্ডে ঘরের ভেতরে থাকা কোনো কিছুই অবশিষ্ট নেই।

স্থানীয়রা জানান, বজ্রপাতের পরপরই আগুন ছড়িয়ে পড়ে এবং আশেপাশের লোকজন চেষ্টা করেও আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারেননি।

ভোরে বাড়িতে ফিরে আনন্দ মিস্ত্রী ও তার পরিবার নির্বাক হয়ে পড়েন। তাদের চোখের সামনে পড়ে থাকে শুধু ছাই, ভাঙা টিন আর পোড়া কাঠের স্তূপ।

উপজেলা প্রশাসন দ্রুত সহায়তা পৌঁছে দিলেও ক্ষয়ক্ষতির তুলনায় তা অপ্রতুল।

সচেতনতা ও করণীয়:
বিশেষজ্ঞদের মতে, বজ্রপাতের সময় নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়া, বৈদ্যুতিক সংযোগ বন্ধ রাখা এবং গ্রামীণ এলাকায় বজ্রনিরোধক স্থাপন করলে এমন দুর্ঘটনা অনেকাংশে কমানো সম্ভব।

স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, দুর্যোগপ্রবণ এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ ঘরগুলো চিহ্নিত করে আগাম নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা এখন অত্যন্ত জরুরি।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar