ডেস্ক নিউজ।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
বাংলাদেশে গত চার দিনে বজ্রপাতে অন্তত ২৮ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে, যার মধ্যে ২৬ এপ্রিল একদিনেই প্রাণ হারিয়েছেন ১৪ জন। সাম্প্রতিক এসব ঘটনার মধ্যে মৃতদেহ চুরি হওয়ার আশঙ্কায় রাত জেগে লাশ পাহারা দেওয়ার ঘটনাও আলোচনায় এসেছে।
বজ্রপাত একটি শক্তিশালী প্রাকৃতিক ঘটনা, যা পৃথিবীর যেকোনো স্থানে ঘটতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি)-এর তথ্য অনুযায়ী, প্রতি মিনিটে প্রায় ছয় হাজার বজ্রপাত ঘটে, যা দিনে গড়ে প্রায় ৮০ লাখে পৌঁছায়। দেশটিতে বছরে প্রায় চার কোটি বজ্রপাত হলেও আক্রান্তদের প্রায় ৯০ শতাংশই বেঁচে যান।
বাংলাদেশে ২০১৬ সালে বজ্রপাতে ব্যাপক প্রাণহানির পর এটিকে ‘জাতীয় দুর্যোগ’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে দেশে বজ্রপাতে ৩ হাজার ৬৫৮ জনের মৃত্যু হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, বজ্রপাত সৃষ্টির জন্য বাতাসের আর্দ্রতা, অস্থিতিশীল বায়ু ও ঊর্ধ্বমুখী বল প্রয়োজন। উষ্ণ ও আর্দ্র বায়ুর সঙ্গে শীতল ও শুষ্ক বায়ুর সংঘর্ষে বজ্রঝড় তৈরি হয়। এ সময় মেঘের ভেতরে বরফ ও পানির ঘর্ষণে বৈদ্যুতিক চার্জ জমা হয়ে বজ্রপাত ঘটে।
বজ্রপাতের সময় বায়ুর তাপমাত্রা প্রায় ৩০ হাজার ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছাতে পারে, যার ফলে সৃষ্ট শকওয়েভই বজ্রধ্বনি হিসেবে শোনা যায়।