1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
প্রতিহিংসার রাজনীতি  - bdtelegraph24.com
রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১১:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৯৯তম অস্কারে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে মেজবাউর রহমান সুমনের ‘রইদ’ মহিপুরে ১ কেজি ৯০০ গ্রামের ইলিশ বিক্রি হলো ৬ হাজার ৬৫০ টাকায় ভারত ও নেপালে বন্যা ও ভূমিধস: নিহত ৭০ বাংলার জমিনে কাউকে সন্ত্রাস করতে দেয়া যাবেনা- স্বাস্থ্যমন্ত্রী পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পরিকল্পনা বাতিল করেনি সৌদি আরব: মার্কিন গোয়েন্দা প্রতিবেদন পাবনায় ৩৮১ বস্তা সার জব্দ, দুই ব্যবসায়ীকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা ভারতে অন্তঃসত্ত্বা নারীকে ২৭৫ কিমি দূরে নিয়ে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ৪ হরমুজ প্রণালিতে ১৯ জাহাজে ইরানের হামলা, মার্কিন ডুবোযান আটক অভয়নগরে সন্তানসহ নিখোঁজ গৃহবধূর সন্ধান মেলেনি ভাতাভোগী ও সঞ্জীবন প্রকল্পের আনসার ও ভিডিপি সদস্য-সদস্যাদের মাঝে ফলজ ও ঔষধি গাছের চাঁরা বিতরণ

প্রতিহিংসার রাজনীতি 

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৪ জুন, ২০২৬
  • ১২৪ জন খবরটি পড়েছেন

মোঃ মাসুম বিল্লাহ 

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

আমরা মুসলমান। মুসলমান হিসাবে মৃত্যুর পরে অন্য মুসলমানের জানাজাতে শরিক হওয়া ফরজে কিফায়া। বেশ কয়েক বছর ধরে আমাদের দেশে নতুন একটা সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে যে, কারো মৃত্যু হলে তার পূর্ব জন্মের অর্থাৎ অতীত কাজের ফিরিস্তি প্রকাশ করে কেউ তাকে ইবলিশ আবার কেউ তাকে ফেরেশতা বানাতে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। আবার অতি উৎসাহে কেউ কেউ জানাজার নামাজ পড়াতে পর্যন্ত দিচ্ছে না। কিন্তু সবচেয়ে অদ্ভুত ব্যাপার ঐসব ব্যক্তির সাথে যারা এমন করে তাদের রক্তের সম্পর্কতো দুরে থাক, কোন আত্মীয়তার সম্পর্কও নেই। এমকি কেউ কাউকে চেনেও না, কোন দিন একটা কথাও হয়নি। তবু কি যে শত্রুতা। দেখলে, শুনলে মনে হবে একজন অন্য জনের সকল সম্পদ আত্মসাৎ করেছে। এই দ্বন্দ্ব স্বার্থের না বরং আদর্শের দ্বন্দ্ব। আচ্ছা এটা কেমন আদর্শ যে, একই দেশের, একি এলাকার মানুষকে শত্রুতে পরিণত করে? জানাজা পড়াতে পর্যন্ত দেয় না। মৃত্যুর পরে কবরে ঝাড়ু পিটা  চ্যান্ডেল দিয়ে জুতা করে আনন্দ করে। এতো ঘৃণা কেন? আপনি কি মরবেন না? আপনার কি কবর হবে না? সেদিন কি হবে?প্রবাদ আছে, ইট মারলে পাটকেল খেতে হয়। অতীতের দেখানো পথে হাটছেন, মনে রাখবেন বর্তমানও এক সময় অতীত হয়। কারো দেখানো পথে না হেঁটে নতুন পথ নির্মান করেন।

এ জীবন মিথ্যা; মৃত্যু চিরন্তন সত্য। আপনি যদি মুসলমান হন তবে বিশ্বাস করতে হবে পৃথিবী একটা পরীক্ষা ক্ষেত্র আর আমরা সকলে পরক্ষার্থী। এই পরীক্ষায় উত্তর্ণী হতে আল্লাহ পথ বলে দিয়েছেন। সে পথে না চললে শাস্তি বলে দিয়েছেন। আর সেটা বিশ্বাসের নাম ইমান। আর তা মানার নাম ইসলামী জীবন বিধান। কিন্তু আমাদের কাজে কি সেই ইমানের পরিচয় মেলে? আচ্ছা আপনারা তাহলে আল্লাহ সাথে কাকে শরিক করে, কোন নতুন সৃষ্টিকর্তার উাপাসনা করেন? তাহলে কি আপনাদের মুখের বুলি আর অন্তরের বিশ্বাসে মুনাফেকি? কেন এই দ্বিচারিতা? মুসলমান হিসাবে পৃথিবীতে যা কিছু করতে হবে তার সব কিছু হতে হবে আল্লাহর জন্য। আপনারা সেই আল্লাহ কে বাদ দিয়ে কার দাসত্বকে অপরিহার্য করেছেন? এই রাজনীতি তাহলে আপনাকে কি দিলো? যদি মৃত্যুর পরে অন্যের কাছে গালি শুনতে হয়। মৃত্যুর পরে জানাজ পড়তে লোক পাওয়া না যায়। যদি বিশেষ দলের আনুগত্য করতে গিয়ে সকলের থেকে বিছিন্ন হতে হয়। তবে কি লাভ এই রাজনীতি করে? আমাদের মাশরাফি, সাকিব আল হাসান, নায়ক ফেরদৌস এরা কত-না জনপ্রিয় ছিল দল মত নির্বিশেষে। দেশের ২০ কোটি মানুষের মনের মনিকোঠায় আসন করেছিল তারা স্বমহিমায়। কিন্তু কেন একটা দলের আর্দশ ধারণ করে ২০ কোটি মানুষের নয়নের মনি থেকে ১৫ কোটি মানুষের ঘৃণার পাত্র হতে হলো? এই ক্ষমতার কি দরকার ছিল; যা মানুষের কাছে ঘৃণার পাত্র বানায়? এসব প্রশ্ন করেন আপনার বিবেককে। রাতে ঘুমানোর সময় ভেবে দেখেনতো আপনি কি বলতে পারবেন কতদিন বাঁচবেন? আপনি হয়তো এখনি মরে যাবেন। সাথে কি যাবে ঐ ক্ষমতা? নাকি মানুষের চাটুকারিতা? কিছুই যাবে না। তাহলে কেন ২০ কোটি মানুষের প্রিয় থেকে ৫ কোটি মানুষকে বেছে নিলেন। কিছু মানুষ থাকে যারা সামান্য স্বার্থের জন্য যে কোন কিছু করতে পারেন। আবার কিছু মানুষকে সকল স্বার্থ ব্যক্তিগত ইচ্ছে উৎসর্গ করতে হয় বৃহৎ স্বার্থে, মানুষের বিশ্বাস রাখতে। মানুষের বিশ্বাস ভাঙ্গা পাপ। তবে কেন ক্ষুদ্র সংখ্যক মানুষের প্রিয় হয়ে নিজেকে নিচে নামাতে চান? তাহলে কি আপনাদের কলবের উপর মোহর মেরে দিয়েছে? তাই যদি হয় তবে আপনাকে বলার কিছু নেই। আর যদি তা না হয় তবে আপনার বিবেককে জাগান। আপনি হয়তো পাঁচবার নামাজ পড়েন। তবে কেন আল্লাহ রাসুলের আদর্শের বাইরে আবার নতুন আদর্শর দ্বন্দ্ব টেনে নিজের স্বজন পাড়া প্রতিবেশীকে বিভাজন করছেন। 

আমাদের দেশটি পৃথিবীর মানচিত্রে খুঁজে দেখবেন। সেখানে খুঁজে পাওয়া যায় না! সেই খুঁজে না পাওয়া দেশের মানুষ হয়ে নিজেদের মধ্যে এতো রেষারেষি কেন? আমররিকা, ভারত কিংবা পাকিস্তান একটা পারমানবিক বোমা মারলে কি করবেন? তখনো আপনারা কেউ তাদের পক্ষে যাবে, পা চাটবেন, তার বৈধতাও দেবেন। কিন্তু দিন শেষে আপনার দেশের পরাজয় হবে। আপনার দেশের জনগণের ক্ষতি হবে, পরোক্ষ ভাবে আপনারও ক্ষতি হবে। তবে আপনি যদি দাসত্বের জীবন পছন্দ হয় তবে কিছু বলার নেই।দিন শেষে কি লাভ এতো যশ এতো খ্যাতির, যদি মৃত্যুর পরে ঘৃণার পাত্র হতে হয়? যদি আপনার জানাজাতে লোক না পাওয়া যায়? আসুন না আমরা এই প্রতিহিংসার রাজনীতি বন্ধ করে মানবিক হয়ে উঠি। যেন আপনার মৃত্যুর পরে সকলের চেখে দুফোটা অশ্রু ঝরে। তবে সেই মৃত্যু হবে গর্বের।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar