1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
পদ্মার চরে বর্ষাকালে লাশ ভাসিয়ে দেয় বাসিন্দারা - bdtelegraph24.com
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
প্রধানমন্ত্রী স্বর্ণপদক পাচ্ছেন কুবির ১৬ শিক্ষার্থী আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে এমফিল ডিগ্রী অর্জন করলেন দুর্গাপুরের মুনিরা তাহের যশোরে পানি মোটরের সুইচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শিশুর মৃত্যু নির্বাচন কমিশনের সামনে রাহুল গান্ধীসহ বিরোধী এমপিদের বিক্ষোভ, আটক ও মুক্তি নওগাঁর ধামইরহাটে একই পরিবারের ৫ সদস্যের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শ্রীলঙ্কান তরুণকে ক্ষমার আকুতি পরিবারের গোপালগঞ্জে মোটরসাইকেলের যন্ত্রাংশ চুরির জেরে সংঘর্ষ, আহত ১৫ ৮ মাস পর যমুনা সার কারখানায় ইউরিয়া উৎপাদন শুরু মিয়ানমারে পাচারকালে পতেঙ্গায় ৮০০ বস্তা সিমেন্ট জব্দ শিশুদের প্রতিভা বিকাশে খেলাধুলা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের সুযোগ তৈরির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

পদ্মার চরে বর্ষাকালে লাশ ভাসিয়ে দেয় বাসিন্দারা

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৫
  • ২৪৫ জন খবরটি পড়েছেন

রাজবাড়ী প্রতিনিধি।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার পদ্মা পাড়ের রাখালগাছি চরের কয়েক হাজার মানুষ বছরের পর বছর স্বাস্থ্য, শিক্ষা ও অবকাঠামোগত সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়ে জীবনযাপন করছেন। বর্ষাকালে কবরস্থান পানিতে তলিয়ে গেলে লাশ ভাসিয়ে দেওয়া ছাড়া কোনো উপায় থাকে না বলে অভিযোগ স্থানীয়দের।

পানিবেষ্টিত এই এলাকায় উপজেলা সদর থেকে পৌঁছাতে সময় লাগে দুই থেকে তিন ঘণ্টা, যার বেশিরভাগ সময় লাগে নদী পারাপারে। স্বাস্থ্যকেন্দ্র বা হাসপাতাল না থাকায় রোগীদের চিকিৎসা পেতে অন্তত দুই ঘণ্টা নৌযাত্রা করতে হয়। স্বাস্থ্যসম্মত টয়লেটের অভাবে এখনো ঝুলন্ত টয়লেট ব্যবহার করছেন স্থানীয়রা। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্বল্পতার কারণে অনেক শিশু স্কুলে না গিয়ে শ্রমে যুক্ত হচ্ছে।

স্থানীয়দের অভিযোগ, বর্ষাকালে রাস্তাঘাটের বেহাল দশা চলাচল আরও দুরূহ করে তোলে। অন্তঃসত্ত্বা নারী, শিশু ও বয়স্কদের চিকিৎসা ও জরুরি সেবা পাওয়া কঠিন হয়ে যায়।

গোয়ালন্দ উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. কবির হোসেন বলেন, সরকারি নীতিমালার কারণে এখানে নতুন স্কুল স্থাপন করা কঠিন হলেও শিশুদের স্কুলমুখী করতে চেষ্টা চলছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. শরিফুল ইসলাম জানান, এলাকায় একটি কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। ইউএনও মো. নাহিদুর রহমান বলেন, দুর্গমতা ও নদীভাঙনের কারণে সেবা প্রদানে বিঘ্ন ঘটে, তবে কবরস্থানের বিষয় নজরে রয়েছে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar