1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
নিজ স্ত্রী'র প্রতারণার শিকার হয়ে স্বামীর সংবাদ সম্মেলন - bdtelegraph24.com
বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:৩২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মাঝ আকাশে ১৭ হাজার ফুট উচ্চতায় ইন্ডিগোর বিমানে বজ্রপাত, নিরাপদে অবতরণ প্রধান শিক্ষক নিয়োগে আইনি বাধা কাটল, ১৫ অক্টোবর থেকে পরীক্ষা পাঁচশ বছর ধরে বিরতিহীন কুরআন তেলাওয়াত ইস্তাম্বুলের তোপকাপি প্রাসাদে ঢাকার বাতাস আজও অস্বাস্থ্যকর, দূষিত শহরের তালিকায় সপ্তম অবস্থানে ভারতীয় অভিনেতা নানা পাটেকার আর নেই সৌদি আরবের দুই বিমানবন্দরে হুথিদের হামলা: নিহত ৩, আহত ৩৬ শেখ হাসিনাকে ফেরানো আইনি বিষয়, প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে: ভারত গৌরীপুরে আগুনে পুড়ে ছাই ঐতিহ্যবাহী ঝলমল সিনেমা হল জকসুর উদ্যোগে ক্যালিগ্রাফি প্রদর্শনী দুর্যোগে দ্রুত সাড়ার দক্ষতা বাড়াতে জবিতে রেড ক্রিসেন্টের প্রশিক্ষণ

নিজ স্ত্রী’র প্রতারণার শিকার হয়ে স্বামীর সংবাদ সম্মেলন

  • সর্বশেষ আপডেট : বুধবার, ২০ আগস্ট, ২০২৫
  • ১৭২ জন খবরটি পড়েছেন

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে স্ত্রী ফারহানা ফারিহা কাজলের প্রতারণার শিকার হয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন স্বামী শওকত তালুকদার। বুধবার (২০ আগস্ট) উপজেলার ভবানীপুর গ্রামে নিজ বাড়িতে এ সংবাদ সম্মেলন করেন।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

জানা যায়, উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের কাচিনা লখাই গ্রামের আবুল কালাম আজাদের মেয়ে ফারহানা ফারিহা কাজলের সাথে একই উপজেলার ভবানীপুর গ্রামের জহিরুল তালুকদারের ছেলে শওকত তালুকদারের সাথে ২০১৭ সালে বিবাহ হয়।

স্বামী শওকত তালুকদার জানান, বিবাহের পর আমার স্ত্রী পড়ালেখা চালিয়ে যেতে থাকে। ২০২৪ সালে উচ্চ মাধ্যমিক পাশ করার পর স্ত্রী ফারহানা ফারিহা কাজল আমাকে জানায় সে অস্ট্রেলিয়ার স্কলারশিপ পেয়েছে। সে অস্ট্রেলিয়ায় পড়তে যাবে। আমি তাতে সম্মতি দিয়ে অস্ট্রেলিয়ায় যেতে সকল খরচ বহন করি এবং নগদ ৪ লক্ষ টাকা সাথে দিয়ে দেই। সে অস্ট্রেলিয়া গেছে এটা আমাকে বিশ্বাস করাতে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ছবি পাঠাতো। ১৩ মাস শুধু হোয়াটসঅ্যাপে কথা বলতো ও এসএমএস এ কথা বলতো। অস্ট্রেলিয়া গিয়ে সে বলে আমাকে সহ এলাকার কিছু লোক নিতে পারবে। আমি স্ত্রী’র কথামত অস্ট্রেলিয়া যাওয়ার জন্য আরো ৬ লক্ষ টাকা দেই এবং আমার এলাকার দুইজনের নিকট থেকে আরো ২০ লক্ষ টাকাসহ মোট ৩০ লক্ষ টাকা দেই। কিন্তু কিছু দিন পর জানতে পারি আমার স্ত্রী অস্ট্রেলিয়ায় না গিয়ে টাঙ্গাইলে বাসা ভাড়া নিয়ে আত্মগোপনে থাকে। হঠাৎ করে একদিন আমার বাড়ি এসে আমার ফোন হাতে নিয়ে আমাদের কথা বার্তার সকল এসএমএস ডিলিট করে দেয়। তারপর আমার স্ত্রী’র ভাই পুলিশ নিয়ে আমার বাড়িতে আসে এবং আমাকে বলে আমি নাকি আমার স্ত্রীকে অপহরণ করেছি।

পরে থানায় এসআই মিজানুর রহমান ও এসআই আতিকের সামনে আমার স্ত্রী ১৮ লক্ষ টাকা দেয়ার কথা স্বীকার করে আমাকে দুইটা ব্লাঙ্ক চেক দেয় এবং ১০০ টাকা স্ট্যাম্পে টাকা নেয়ার স্বীকারোক্তি দিয়ে স্বাক্ষর করে। আমাকে উক্ত টাকা না দিয়ে বিভিন্ন মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করছে। আমি সুষ্ঠ তদন্তের মাধ্যমে এই প্রতারণার বিচার দাবি করছি।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar