1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
মহেশপুরে দিনমজুরের ঘরে ৩৩ হাজার টাকা ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল - bdtelegraph24.com
বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আল-আযহার বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রথম বাংলাদেশী নারী হিসেবে এমফিল ডিগ্রী অর্জন করলেন দুর্গাপুরের মুনিরা তাহের যশোরে পানি মোটরের সুইচ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে শিশুর মৃত্যু নির্বাচন কমিশনের সামনে রাহুল গান্ধীসহ বিরোধী এমপিদের বিক্ষোভ, আটক ও মুক্তি নওগাঁর ধামইরহাটে একই পরিবারের ৫ সদস্যের ইসলাম ধর্ম গ্রহণ সৌদি আরবে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত শ্রীলঙ্কান তরুণকে ক্ষমার আকুতি পরিবারের গোপালগঞ্জে মোটরসাইকেলের যন্ত্রাংশ চুরির জেরে সংঘর্ষ, আহত ১৫ ৮ মাস পর যমুনা সার কারখানায় ইউরিয়া উৎপাদন শুরু মিয়ানমারে পাচারকালে পতেঙ্গায় ৮০০ বস্তা সিমেন্ট জব্দ শিশুদের প্রতিভা বিকাশে খেলাধুলা ও সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের সুযোগ তৈরির আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর কালিয়াকৈরে ১৪৫ মন্ডপে দুর্গাপূজার প্রস্তুতি: নিরাপত্তা নিশ্চিতে কঠোর প্রশাসন

মহেশপুরে দিনমজুরের ঘরে ৩৩ হাজার টাকা ভুতুড়ে বিদ্যুৎ বিল

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৫
  • ১৭৫ জন খবরটি পড়েছেন

মহেশপুর প্রতিনিধি।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলায় ব্যবহারের তুলনায় কয়েকগুণ বেশি বিদ্যুৎ বিল পেয়ে হতবাক গ্রাহকরা।
অঞ্চলের আজমপুর, রামচন্দ্রপুর, বলিভদ্রপুর, কাশিপুর, যাদবপুর ও দত্তনগরসহ একাধিক এলাকায় এমন অভিযোগ উঠেছে।

আজমপুর গ্রামের দিনমজুর খোকন বিশ্বাস জানান, তার টিনের ঘরে দুটি ফ্যান, দুটি বাল্ব ও একটি ফ্রিজ ব্যবহৃত হয়। তবু চলতি মাসে তার হাতে এসেছে ৩৩ হাজার ৪৫০ টাকার বিল।
“আমাদের ব্যবহার তো আগের মতোই, তবু বিল এলো লাখপতির মতো। এখন কীভাবে দেব এত টাকা?”—বলেন হতাশ খোকন।

একই অভিযোগ করেন স্থানীয় ব্যবসায়ী জাকির হোসেন। তার দোকানে কেবল একটি ফ্যান ও দুটি লাইট ব্যবহৃত হয়, সাধারণত বিল আসে এক হাজার টাকার মতো, কিন্তু এবার এসেছে ৮ হাজার ৫০০ টাকা।
“অফিসে গেলে বলে তদন্ত চলছে, কিন্তু ততদিনে লাইন কেটে দেয়,”—বলেন তিনি।

স্থানীয়রা অভিযোগ করেছেন, অনেক ক্ষেত্রেই মিটার রিডিং না নিয়ে গড় হিসাবের ভিত্তিতে বিল তৈরি করা হয়েছে, যার ফলে বিল অস্বাভাবিক বেড়েছে।
কেউ লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন, কেউ সরাসরি পল্লী বিদ্যুৎ অফিসে যোগাযোগ করলেও কার্যকর সমাধান মিলছে না বলে অভিযোগ তাদের।

এ বিষয়ে ঝিনাইদহ পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির মহেশপুর জোনাল অফিসের উপসহকারী প্রকৌশলী অভিজিৎ সাহা বলেন, আমরা বিষয়টি জেনেছি। কিছু গ্রাহকের বিল অস্বাভাবিক বেশি এসেছে—তদন্ত চলছে। যদি মিটারে ত্রুটি বা রিডিংয়ে ভুল পাওয়া যায়, তা সংশোধন করা হবে। অনিয়মে কেউ জড়িত থাকলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিকে, মহেশপুরের গ্রামাঞ্চলে এখন আলোচনার মূল বিষয় ‘বিদ্যুৎ বিল’। ভুক্তভোগীরা বলছেন, অতি দ্রুত সঠিক বিল পুনর্নির্ধারণ না হলে তারা চরম বিপাকে পড়বেন।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar