1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
হারুত ও মারুত: কোরআনের আলোয় রহস্যময় দুই নামের প্রকৃত ব্যাখ্যা - bdtelegraph24.com
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:৩১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জানুয়ারিতে নতুন বইয়ের পাশাপাশি ইউনিফর্ম পাবে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা: শিক্ষামন্ত্রী বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা: জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের ১ দিনের রিমান্ড ঝিনাইদহে ৪ লাখ টাকার ৭৭টি অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ধ্বংস শাহজালাল বিমানবন্দরে পৃথক অভিযানে ৭৮১ গ্রাম স্বর্ণসহ আটক ৭ জবিতে মোরাল প্যারেন্টিং ট্রাস্টের ‘নৈতিক অভিভাবকত্ব’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ‘বঙ্গোপসাগর সংলাপে’ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থী কুষ্টিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও লুটপাট: এলাকা পুরুষশূন্য কিশোরগঞ্জে মাদকের টাকার জন্য ৫ শিশুকে বিক্রির অভিযোগ শরীয়তপুরে ডোবা থেকে শিশুর গলাকাটা বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, আটক ১ গাজীপুরে পোশাক কারখানায় আগুন, ধোঁয়ায় অসুস্থ ৬৯ জন উদ্ধার

হারুত ও মারুত: কোরআনের আলোয় রহস্যময় দুই নামের প্রকৃত ব্যাখ্যা

  • সর্বশেষ আপডেট : রবিবার, ২ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৩২২ জন খবরটি পড়েছেন

ইসলামী ইতিহাসে হারুত ও মারুত দুই রহস্যময় নামকে ঘিরে শতাব্দীর পর শতাব্দী ধরে প্রচলিত নানা গল্প, পৌরাণিক কাহিনি ও উপকথা রয়েছে। তবে কোরআন ও হাদিসের আলোকে বিষয়টি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, মানবকল্পনা নয়—বরং আল্লাহর বাণীই এদের প্রকৃত পরিচয় ব্যাখ্যা করে।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

ইরাকের প্রাচীন ব্যাবিলন বা বাবেল শহরেই এই ঘটনার প্রেক্ষাপট। কোরআনের সুরা আল-বাকারা, আয়াত ১০২-এ উল্লেখ রয়েছে যে, “মানুষ শয়তানদের কাছ থেকে জাদুবিদ্যা শিখেছিল, যারা সোলাইমান (আ.)-এর রাজত্বকালে কুফরি করেছিল।” ঐ আয়াতে বলা হয়, বাবেলে হারুত ও মারুত নামে দুই ফেরেশতার ওপর জাদুবিদ্যার পরীক্ষা অবতীর্ণ হয়েছিল।

তাঁরা কাউকে শিক্ষা দেওয়ার আগে সতর্ক করতেন—“আমরা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছি; তাই তুমি কুফরি করো না।” কিন্তু বহু মানুষ সেই জ্ঞান অপব্যবহার করে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটানোর মতো কাজে লিপ্ত হয়। কোরআন স্পষ্ট জানায়, তারা আল্লাহর অনুমতি ছাড়া কারও অনিষ্ট করতে পারত না।

প্রখ্যাত মুফাসসির ইবনে কাসির (রহ.) উল্লেখ করেছেন, নবী সোলাইমান (আ.)-এর বিরুদ্ধে জাদুবিদ্যা ব্যবহারের অপবাদ দেওয়া হয়েছিল, যা পরবর্তীতে প্রমাণিত হয় মিথ্যা। প্রকৃতপক্ষে, ইবলিশ ও তার অনুসারীরাই এই জাদু প্রচার করেছিল এবং নিষিদ্ধ বইগুলোকে “সোলেমানি তাবিজ” নামে চালু করেছিল।

ইমাম তাবারি (রহ.) ও ইবন জারির (রহ.)-এর ব্যাখ্যায় দেখা যায়, “হারুত ও মারুত” শব্দ দুটি কখনও ফেরেশতা (“মালাকাইনে”) হিসেবে, আবার কখনও শাসক (“মালিকাইনে”) অর্থে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। ফেরেশতা হিসেবে তারা মানবজাতির পরীক্ষার মাধ্যম ছিলেন, শাস্তি প্রাপ্ত কেউ নন।

কোরআনের ভাষায়, “তারা আল্লাহর আদেশ অমান্য করে না এবং যা আদেশপ্রাপ্ত, তা-ই সম্পাদন করে।” (সুরা আত-তাহরিম: ৬)
অতএব, হারুত-মারুতকে ঘিরে “জোহরা নামের নারী” সংক্রান্ত গল্পগুলো নিছক মনগড়া ও অবিশ্বাস্য কল্পনা—যা ইসলামী বিশ্বাসের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কোরআনের এই অংশ মানবজাতিকে শিক্ষা দেয় যে, জ্ঞান ও ক্ষমতা সবসময়ই এক পরীক্ষা। এর অপব্যবহারই মানুষকে বিপথে নিয়ে যায়।
শেষত, ইসলামী দৃষ্টিতে হারুত ও মারুত আল্লাহর নির্দেশে প্রেরিত ফেরেশতা, যাঁদের মাধ্যমে মানবজাতিকে জাদুবিদ্যা ও পরীক্ষার বাস্তবতা বোঝানো হয়েছিল।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar