প্রতি বছর রমজান মাস আগের বছরের তুলনায় প্রায় ১০ থেকে ১২ দিন এগিয়ে আসে। এর মূল কারণ হলো ইসলামি বর্ষপঞ্জি বা হিজরি ক্যালেন্ডার। হিজরি ক্যালেন্ডার চাঁদ দেখার ওপর বা চন্দ্র মাসের ওপর ভিত্তি করে তৈরি, যেখানে প্রতিটি মাস ২৯ বা ৩০ দিনের হয়।
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
চন্দ্র বছর সাধারণত ৩৫৪ বা ৩৫৫ দিনের হয়ে থাকে, যা সূর্যের চারদিকে পৃথিবীর ঘূর্ণনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি সৌর বছরের (৩৬৫ দিন) চেয়ে প্রায় ১১ দিন কম। এই পার্থক্যের কারণেই প্রতি বছর রমজান মাস এগিয়ে আসে।
চন্দ্র বছর সৌর বছরের চেয়ে ছোট হওয়ায় একটি মজার ঘটনা ঘটতে যাচ্ছে ২০৩০ সালে। ওই বছর মুসলিমরা দুইবার রমজান মাস পালন করবেন।
বিশ্বের ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বিভিন্ন দেশে রোজার সময় বা দীর্ঘতায় পার্থক্য দেখা দেয়:
রমজান মাস উপলক্ষে বিভিন্ন দেশের মুসলিমরা তাদের নিজস্ব ভাষায় শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। তবে সবচেয়ে জনপ্রিয় দুটি অভিবাদন হলো: ১. রমজান মোবারক: যার অর্থ “রমজান আপনার জন্য কল্যাণময় হোক”। ২. রমজান করিম: যার অর্থ “রমজান আপনার জন্য মহিমান্বিত বা উদার হোক”।