1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
কুরআনের ৩০ টি পারার সারসংক্ষেপ - bdtelegraph24.com
রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০৪ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জানুয়ারিতে নতুন বইয়ের পাশাপাশি ইউনিফর্ম পাবে প্রাথমিক শিক্ষার্থীরা: শিক্ষামন্ত্রী বিমানবন্দরে বিশৃঙ্খলা: জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামানের ১ দিনের রিমান্ড ঝিনাইদহে ৪ লাখ টাকার ৭৭টি অবৈধ চায়না দুয়ারী জাল ধ্বংস শাহজালাল বিমানবন্দরে পৃথক অভিযানে ৭৮১ গ্রাম স্বর্ণসহ আটক ৭ জবিতে মোরাল প্যারেন্টিং ট্রাস্টের ‘নৈতিক অভিভাবকত্ব’ বিষয়ক সেমিনার অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক ‘বঙ্গোপসাগর সংলাপে’ বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচ শিক্ষার্থী কুষ্টিয়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ ও লুটপাট: এলাকা পুরুষশূন্য কিশোরগঞ্জে মাদকের টাকার জন্য ৫ শিশুকে বিক্রির অভিযোগ শরীয়তপুরে ডোবা থেকে শিশুর গলাকাটা বস্তাবন্দি মরদেহ উদ্ধার, আটক ১ গাজীপুরে পোশাক কারখানায় আগুন, ধোঁয়ায় অসুস্থ ৬৯ জন উদ্ধার

কুরআনের ৩০ টি পারার সারসংক্ষেপ

  • সর্বশেষ আপডেট : মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১২৩ জন খবরটি পড়েছেন

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

মোঃ আরিফুল ইসলাম,
পাবনা জেলা প্রতিনিধি।

কুরআনের প্রথম পারা শুরু হয়েছে এর উদ্বোধনী সূরা, ‘সূরা আল-ফাতিহা’ দিয়ে। ৭ টি মহিমান্বিত আয়াত! সূরা ফাতিহাকে অনেক আলেম “কিতাবের মা” (উম্মুল কিতাব) বলেছেন। এই সাতটি ছোট আয়াতে আল্লাহর প্রশংসা করা, একমাত্র তাঁরই ইবাদত করার ঘোষণা এবং সঠিক পথের দিকনির্দেশনা রয়েছে। দুআ করার ম্যাজিক্যাল পদ্ধতি আছে সূরা ফাতিহাতে। আমরা যেন পথভ্রষ্টদের মতন না হই, যাদের জ্ঞান আছে, কিন্তু আমল নেই (ইহুদি) এবং যাদের আমল আছে, কিন্তু জ্ঞান নেই (নাসারাহ), তাদের মতন না হই – সেটাই সূরা ফাতিহার শেষ দুআ।

জিজ্ঞেস করি তো এবার নিজেকে, আমার কি আমল এবং জ্ঞান দুইটাই আছে?

এরপর রয়েছে কুরআনের দীর্ঘতম সূরা ‘সূরা আল-বাকারা’ এর প্রথম অংশ।

এরপর সূরা আল-বাকারার প্রথম অংশে মানুষের প্রকৃতি ব্যাখ্যা করা হয়েছে হযরত আদম (আঃ)-এর কাহিনির মাধ্যমে। আদম (আঃ) এর কাহিনী আমাদের শেখায়, আল্লাহ আপনাকে আল্লাহর “খলিফা” এর সম্মান দিয়ে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন। তিনি আগে থেকেই জানতেন মানুষের ফিতনা-ফ্যাসাদ করবে এই পৃথিবীতে এসে! তাও তিনি এই অধম আমাদের জ্ঞান শিখিয়েছেন, তওবার দরজা খুলে দিয়েছেন, পথনির্দেশ দিয়েছেন সুবহানআল্লাহ কতটা ভরসা এই আদম সন্তানদের উপর। আর আমরা কি করলাম? আমরা কি আল্লাহর দ্বীনের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করছি?

আমরা কি বুঝি, আপনি যখন আল্লাহর দীনকে প্রতিনিধিত্ব করেন, তখন আপনার মূল্য আরও বেড়ে যায়, কারণ আপনি তখন শুধু “একজন মানুষ” নন, আপনি আল্লাহর বার্তার বাহক।

এবং আদম (আ) এর জান্নাত থেকে পৃথিবীতে আগমনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে আমরা ভুল করলেও আল্লাহর ক্ষমা পাওয়ার আশা এবং পজিটিভ এনার্জি পাই।

পরে সূরা আল-বাকারায় বনী ইসরাঈলের ইতিহাস তুলে ধরা হয়েছে। বিশেষত “গরুর ঘটনা” দিয়ে দেখানো হয়েছে, তারা আদেশ মানার বদলে গড়িমসি করে অতিরিক্ত প্রশ্ন করতে করতে নিজেরাই নিজেদের জীবন কঠিন করে ফেলেছিল। ফলে ক্ষতিটাও তাদেরই হয়েছে। এই কাহিনি আমাদের শেখায়, আল্লাহর হুকুম পালনে দেরি করা, টালবাহানা করা, গড়িমসি করা, আর অকারণে জটিলতা বাড়ানো ঈমানের জন্য ক্ষতিকর। তাই আদেশ এলে সহজভাবে “শুনলাম ও মানলাম” বলাই নিরাপদ—নইলে ক্ষতিটা শেষ পর্যন্ত আমাদেরই।

ধৈর্য এবং নামাজের মাধ্যমে আল্লাহর সাহায্য চান! সবর এবং সালাতেই আপনার সব সমস্যার সমাধান।

আল্লাহ মানুষকে তিনটি শ্রেণিতে ভাগ করেছেন:

  • মুমিন (বিশ্বাসী)
  • কাফির (অবিশ্বাসী)
  • মুনাফিক (কপট/ভণ্ড)

এবং কুরআনে মুনাফিকদের বৈশিষ্ট্যও বিশদভাবে বর্ণনা করা হয়েছে।

নবী সুলায়মান (আঃ) এর যুগে বাবেল শহরে হারূত-মারূত নামে দুজন ফেরেশতা আগমন করেন। তারা আল্লাহর পক্ষ থেকে বাবেলবাসীকে পরীক্ষামূলক জাদুবিদ্যা শিক্ষা দিতেন এবং জাদুর ক্ষতি হাতে-কলমে দেখিয়ে তা থেকে সতর্ক করতেন বার বার। অথচ এই বাবেলবাসী ফেরেশতাদের কাছ থেকে প্রকৃত শিক্ষা গ্রহণ করলও না। বরং তারা এই জাদুর চর্চা করে ভয়ংকর খারাপ কাজে লিপ্ত হয়। তাদের পাপ এমন, এর ফলে আখিরাতে তাদের কোনো উত্তম বিনিময় থাকবে না। আলোচ্য সুরায় এই ঘটনাও উল্লেখ করা হয়েছে। তাহলে আমাদের জন্য কালো জাদু থেকে দূরে থাকা কত জরুরী ভাবুন? সকাল-সন্ধ্যার জিকির করা মাস্ট, করছেন তো?

ইবরাহীম ও ইসমাঈল (আ.) এই দুইজন নবী বাবা এবং ছেলে মিলে কীভাবে কাবার ভিত্তি স্থাপন করেছেন সেটা উল্লেখ আছে। সে সময় তারা আল্লাহর নিকট কয়েকটি চমৎকার দুআ করেছিলেন, আমাদের শিক্ষার জন্য সেই দুআগুলো বাকারাহতয়ে উল্লেখ করেছেন।

মুসলমানদের প্রথম কিবলা ছিল বাইতুল মাকদিস, প্রিয় জেরুজালেমের মসজিদ যা আজকে মুসলিমদের অধীনে নেই। মাক্কি জীবনে মুসলমানদের প্রতি বাইতুল মাকদিসের দিকে ফিরে সালাত আদায়ের নির্দেশ ছিল। মদীনায় আসার পরও সতেরো মাস সে নির্দেশ ছিল। প্রিয় রসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয় সাল্লাম) এর আকাঙ্ক্ষার প্রেক্ষিতে বাইতুল মাকদিসের পরিবর্তে বাইতুল্লাহর দিকে মুখ করে সালাত আদায়ের নির্দেশ দেন আল্লাহ।

এই রামাদানে মনে প্রাণে দুআ করছেন তো আল্লাহ যেন আল-আক্বসার বিজয় দেন?

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar