1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
শার্শা প্রকল্প কর্মকর্তা রঞ্জুর বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম, ঘুষ বাণিজ্য অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ - bdtelegraph24.com
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৫ লাখ টাকা যৌতুক দিয়েও মেলেনি সুখ, গলায় ওড়না পেঁচিয়ে স্ত্রীকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে ১৭ বিজিবি অধিনায়ক পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম সফরে প্রধানমন্ত্রী ইংল্যান্ডকে ৯ উইকেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ নাসিরনগরে মেম্বার পদপ্রার্থী রাজিব খানের গণসংযোগ বৃহৎ আকারে ‘কলমাকান্দা জামদানি পল্লী’ গড়ে তোলা সময়ের ব্যাপার মাত্র : ডেপুটি স্পিকার ফরিদপুর উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে পাবনা জেলা প্রশাসক শ্যামনগর উপজেলা অনলাইন নিউজ ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি গঠন শ্যামনগরে নারী নেতৃত্বের মাধ্যমে দুর্যোগে সাড়া প্রদান বিষয়ক রিফ্রেশার্স প্রশিক্ষণ প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে রাজশাহীতে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

শার্শা প্রকল্প কর্মকর্তা রঞ্জুর বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম, ঘুষ বাণিজ্য অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ

  • সর্বশেষ আপডেট : শুক্রবার, ৩ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৭৮ জন খবরটি পড়েছেন

আঃজলিল,স্টাফ রিপোর্টার।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

যশোর জেলার শার্শা উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) শাহারিয়ার মাহমুদ রঞ্জুর বিরুদ্ধে ব্যাপক অনিয়ম, ঘুষ বাণিজ্য ও সরকারি প্রকল্পের অর্থ আত্মসাতের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সচেতন মহলের দাবি, সরকারি নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করে নিজস্ব সিন্ডিকেটের মাধ্যমে নামমাত্র কাজ দেখিয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে সরকারের উন্নয়ন প্রকল্পের মোটা অংকের টাকা পকেটে ভরছেন।
​
​শার্শা ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা সদস্য রেহেনা খাতুন পিআইও-র বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছেন। তিনি জানান, গত এক বছর ধরে তাকে কেবল উপজেলা কার্যালয়ে ডেকে নিয়ে বিভিন্ন কাগজে স্বাক্ষর করিয়ে নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের পরিকল্পনা বা বাস্তবায়ন সম্পর্কে তাকে কিছুই জানানো হয়নি।

​রেহেনা খাতুন বলেন, “আমি কেবল স্বাক্ষর করেছি, কিন্তু প্রকল্পের টাকা কোথায় গেছে বা কারা কাজ করেছে তা আমি জানি না। ভবিষ্যতে কোনো তদন্ত হলে আমি এর দায় নেব না।” তিনি আরও জানান, পিআইও শাহারিয়ার মাহমুদ রঞ্জু এবং ইউপি প্রশাসক নুরুজ্জামান পরস্পর যোগসাজশে টেন্ডারের আড়ালে প্রকল্পগুলো বাইরের ব্যক্তির কাছে বিক্রি করে দিয়েছেন।

​অনুসন্ধানে জানা গেছে, টিআর (টেস্ট রিলিফ), কাবিখা (কাজের বিনিময়ে খাদ্য) ও কাবিটা(কাজের বিনিময়ে টাকা) প্রকল্পের ক্ষেত্রে ভুয়া সদস্য তালিকা তৈরি করে বছরের পর বছর অর্থ লোপাট করা হচ্ছে।

বিশেষ করে ​বেনাপোল পৌর গেট রং ও সৌন্দর্য বর্ধন। ​শার্শা উপজেলা পরিষদ পার্ক সংস্কার ও উন্নয়ন। ​বিভিন্ন গ্রামীণ রাস্তা সংস্কার প্রকল্প।

​এই প্রকল্পগুলোতে নামমাত্র কাজ করে সিংহভাগ টাকা ভাগ-বাটোয়ারা করার অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসীর দাবি, একই কর্মস্থলে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত থাকায় পিআইও রঞ্জু একটি শক্তিশালী দুর্নীতিবাজ চক্র গড়ে তুলেছেন।

​​এ বিষয়ে অভিযুক্ত প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা শাহারিয়ার মাহমুদ রঞ্জু সকল অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো ভিত্তিহীন। একটি পক্ষ উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সাংবাদিকদের ভুল তথ্য দিয়ে আমার ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে।”

​এদিকে, সরকারি অর্থের এমন অপচয় ও হরিলুটের ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে। সচেতন মহলের দাবি, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে একটি উচ্চ পর্যায়ের নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে পিআইওর অবৈধ সম্পদের হিসাব এবং প্রকল্পের সঠিকতা যাচাই করা হোক।

​দুর্নীতি ও অনিয়ম রোধে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন শার্শাবাসী।

এ ব্যাপারে জানতে শার্শা উপজেলা(ইউএনও) ফজলে ওয়াহিদ এর মুঠো ফোনে যোগাযোগ করা হলে,তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar