1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
বাঘারপাড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস চলে নিজস্ব নিয়মে - bdtelegraph24.com
সোমবার, ১৯ অক্টোবর ২০২৬, ১১:১৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৫ লাখ টাকা যৌতুক দিয়েও মেলেনি সুখ, গলায় ওড়না পেঁচিয়ে স্ত্রীকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে ১৭ বিজিবি অধিনায়ক পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম সফরে প্রধানমন্ত্রী ইংল্যান্ডকে ৯ উইকেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ নাসিরনগরে মেম্বার পদপ্রার্থী রাজিব খানের গণসংযোগ বৃহৎ আকারে ‘কলমাকান্দা জামদানি পল্লী’ গড়ে তোলা সময়ের ব্যাপার মাত্র : ডেপুটি স্পিকার ফরিদপুর উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে পাবনা জেলা প্রশাসক শ্যামনগর উপজেলা অনলাইন নিউজ ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি গঠন শ্যামনগরে নারী নেতৃত্বের মাধ্যমে দুর্যোগে সাড়া প্রদান বিষয়ক রিফ্রেশার্স প্রশিক্ষণ প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে রাজশাহীতে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

বাঘারপাড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস চলে নিজস্ব নিয়মে

  • সর্বশেষ আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল, ২০২৬
  • ৯৪ জন খবরটি পড়েছেন

বাঘারপাড়া প্রতিনিধি ।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

নিয়মের তোয়াক্কা না করে যশোরের বাঘারপাড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস চলে নিজেদের পাতানো নিয়মে। এ অফিসের কোন কর্মকর্তাই সঠিক সময়ে অফিসে আসেন না। বেশিরভাগ দিন তারা অফিসে আসেন বেলা এগারোটার পরে। মাঝে মধ্যে তাদের দেখা মেলে দশটার কাছাকাছি সময়ে।

একাডেমিক সুপারভাইজার অফিসের কাজ ফেলে ব্যস্ত থাকেন নিজের ব্যবসায়িক কাজে। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসার সতর্ক করলেও বদলায়নি তাদের অভ্যাস। বিষয়টি উপজেলার মাসিক সমন্বয় সভায় রেজুলেশন করেও কোন পরিবর্তন আসেনি তাদের মধ্যে।

বিভিন্ন সূত্রে জানাগেছে, বাঘারপাড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তার পদ শুন্য রয়েছে দুই বছরের অধিক সময় ধরে। এ পদে ভারপ্রাপ্ত হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন সহকারি মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আশিকুজ্জামান। তবে তিনি ভারপ্রাপ্ত শব্দটি মানতে নারাজ। এ কারণে তিনি নেমপ্লেটে ভারপ্রাপ্ত শব্দটি ব্যবহার করেননি। এ নিয়ে বাঘারপাড়া উপজেলা পরিষদের অফিস পাড়ায় রয়েছে নানা গুঞ্জন। নানা অভিযোগে অভিযুক্ত আশিকুজ্জামান সরকারের নিয়মনীতির কিছুই তোয়াক্কা করেন না। নিজের ইচ্ছামত অফিসে আসেন আর যান। খুব কম দিনে তার দেখা মেলে বেলা এগারোটার আগে। মাঝে মধ্যে দশটার কাছাকাছি সময়ে তার দেখা মিললেও তিনি শিক্ষকদের নিয়ে ব্যস্ত থাকেন বিভিন্ন দেন দরবারে। নতুন শিক্ষকদের কাগজপত্র এমনকি বেতন বৃদ্ধির কাগজ পত্র তিনি নির্দিষ্ট পরিমান টাকা ছাড়া শিক্ষা মন্ত্রনালয়ে পাঠান না। এ সব অভিযোগ একাধিক শিক্ষকের।

গতকাল সকাল নয়টা চল্লিশ মিনিটে মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসে গিয়ে তার দেখা মেলেনি। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, তিনি অভয়নগর থেকে বাঘারপাড়ায় যাতায়াত করেন। অফিস পিয়ন আব্দুস সামাদ ছাড়া অন্যান্য কর্মচারিদের কেউই তখন অফিসে আসেননি।

প্রায় এক যুগ ধরে একাডেমিক সুপারভাইজারের পদে রয়েছেন ওহেদুজ্জামান। তার নিজ জেলা মাগুরা। পিতা আবুল কাশেমের নামে একটি ফাউন্ডেশন খুলেছেন। এ ফাউন্ডেশনের নামে তিনি উপজেলার প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ডায়েরি, বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ জোর করে বিক্রি করেন শিক্ষক ও শিক্ষাথর্ীদের নিকট। এমনকি প্রতি মাসে এসব প্রতিষ্ঠান থেকে ফাউন্ডেশনের নামে চাঁদাও সংগ্রহ করেন। নোট, গাইড বিক্রির অভিযোগও রয়েছে তার নামে। তিনি অফিসেও আসেন না ঠিক সময়ে। সরকারের নির্দেশনা রয়েছে উপজেলা পর্যায়ের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারিকে সকাল নয়টা থেকে নয়টা চল্লিশ মিনিট পর্যন্ত দপ্তরে উপস্থিত থাকতে হবে। এরপর মাঠ পর্যায়ে কাজে গেলে যথাযথ পদ্ধতি অনুসরণ করে যেতে হবে। অথচ এ সবের কিছুই তোয়াক্কা করেন না তিনি।

গতকাল বেলা এগারোটার পরেও তার দেখা মেলেনি নিজ দপ্তরে। তিনি যশোর শহরে থাকেন বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা অশিকুজ্জামান বলেন, নেমপ্লেটে ভারপ্রাপ্ত শব্দটি না লেখা তার ভুল হয়েছে। তবে তিনি চিঠিপত্রে ভারপ্রাপ্ত শব্দটি ব্যবহার করেন। অফিসের সময়সূচি নিয়ে তিনি বলেন, সব দিনতো আর সঠিক সময়ে আসা যায় না।

একাডেমিক সুপারভাইজার ওহেদুজ্জামান জানান, বুধবার তিনি প্রথমার্ধে জেলা অফিসে ছিলেন। আবুল কাশেম ফাউন্ডেশনের নামে তিনি কোন ব্যবসা করেন না। প্রতিদিন অফিসে দেরিতে আসার কারণ জানতে চাইলে তিনি তা এড়িয়ে যান।

বাঘারপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার ভুপালী সরকার জানিয়েছেন, সরকারের নির্দেশনা রয়েছে উপজেলা পর্যায়ের সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারিকে সকাল নয়টা থেকে নয়টা চল্লিশ মিনিট পর্যন্ত দপ্তরে উপস্থিত থাকতে হবে। এরপর মাঠ পর্যায়ে কাজে গেলে যথাযথ পদ্ধতি অনুসরণ করে যেতে হবে। এ বিষয়ে গত মাসের ১২ তারিখে উপজেলা পরিষদের মাসিক সভায় বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। যা আলোচ্যসূচির বিবিধ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করে উপস্থিত সকল কর্মকর্তাকে সতর্ক করা হয়। সভার রেজুলেশনেও বিষয়টি লিপিবদ্ধ করা হয়। যে রেজুলেশন সকল কর্মকর্তাকে দেওয়া হয়েছে। এর পরও যদি কোন কর্মকর্তা সঠিক সময়ে অফিসে না আসে, আর তা যদি প্রমাণিত হয় তাহলে তার বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar