1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
বেনাপোলের নিরাপত্তাকর্মী ইউনুস হত্যা মামলায় সোহেল রানা আটক - bdtelegraph24.com
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
৫ লাখ টাকা যৌতুক দিয়েও মেলেনি সুখ, গলায় ওড়না পেঁচিয়ে স্ত্রীকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে ১৭ বিজিবি অধিনায়ক পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম সফরে প্রধানমন্ত্রী ইংল্যান্ডকে ৯ উইকেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ নাসিরনগরে মেম্বার পদপ্রার্থী রাজিব খানের গণসংযোগ বৃহৎ আকারে ‘কলমাকান্দা জামদানি পল্লী’ গড়ে তোলা সময়ের ব্যাপার মাত্র : ডেপুটি স্পিকার ফরিদপুর উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে পাবনা জেলা প্রশাসক শ্যামনগর উপজেলা অনলাইন নিউজ ক্লাবের আহ্বায়ক কমিটি গঠন শ্যামনগরে নারী নেতৃত্বের মাধ্যমে দুর্যোগে সাড়া প্রদান বিষয়ক রিফ্রেশার্স প্রশিক্ষণ প্রধানমন্ত্রীর আগমন ঘিরে রাজশাহীতে শেষ মুহূর্তের প্রস্তুতি

বেনাপোলের নিরাপত্তাকর্মী ইউনুস হত্যা মামলায় সোহেল রানা আটক

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ২৫ মে, ২০২৬
  • ৬১ জন খবরটি পড়েছেন

নজরুল ইসলাম যশোর প্রতিনিধি।

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

বেনাপোলে নিরাপত্তাকর্মী ইউনুস আলী হত্যা মামলায় আরও এক আসামিকে আটক করেছে পিবিআই যশোর। একই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত একটি গামছাও উদ্ধার করা হয়েছে। আটক সোহেল রানা বেনাপোলের রহমতপুর গ্রামের কুদ্দুস সিকদারের ছেলে। রোববার রাতে শার্শার গোগা বাগানপাড়া এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়। সোমবার তাকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

এর আগে এ মামলায় বেনাপোলের রহমতপুর গ্রামের তরিকুল ইসলাম এবং একই গ্রামের সবুজ হোসেনকে আটক করা হয়েছিল। তাদের জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডে সোহেল রানার সরাসরি সম্পৃক্ততার তথ্য উঠে আসে বলে জানিয়েছে তদন্ত সংশ্লিষ্টরা।

নিহত ইউনুস আলী (৪৭) ছোট আঁচড়া গ্রামের মৃত মোস্তাব আলীর ছেলে। তিনি বেনাপোল স্থলবন্দরের একটি ট্রান্সপোর্ট এজেন্সিতে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

আটকের পর সোহেল রানা জানিয়েছেন, ঘটনার রাতে আনোয়ার ও ইউনুস তার ঘরে যান। এ সময় আনোয়ার তাকে ১০টি ইয়াবা কিনে আনতে বলেন। পরে তিনি ইয়াবা সংগ্রহ করেন। এর মধ্যে একটি তিনি নিজে সেবন করেন এবং বাকি নয়টি আনোয়ার ও ইউনুস সেবন করেন।কিছু সময় পর ইউনুস অস্বাভাবিক আচরণ করতে শুরু করলে আনোয়ার জানান, ইয়াবার সঙ্গে ইউনুসকে ঘুমের ওষুধ খাওয়ানো হয়েছিল। এরপর তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। পরে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয় বলে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে।

পিবিআই যশোরের পুলিশ সুপার কামরুজ্জামান জানান, পারিবারিক জটিলতা ও পূর্বের দাম্পত্য বিরোধকে কেন্দ্র করে এ হত্যাকাণ্ড সংঘটিত হয়। নিহতের স্ত্রী তাসলিমা খাতুনের সঙ্গে একই এলাকার আনোয়ার হোসেনের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। পরবর্তীতে বিয়ে, বিচ্ছেদ ও পুনরায় সংসারকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয় এবং সেখান থেকেই হত্যার পরিকল্পনা করা হয়।

তদন্তে জানা গেছে, গত ২২ এপ্রিল কৌশলে তরিকুল ইসলাম ইউনুস আলীকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে রহমতপুরের একটি বাড়িতে নিয়ে যায়। সেখানে আনোয়ারসহ আরও কয়েকজন মিলে তাকে আটকে রেখে মারধর ও নির্যাতন চালায়। একপর্যায়ে শ্বাসরোধ করে তাকে হত্যা করা হয়। পরে সবুজের অ্যাপাচি মোটরসাইকেলে মরদেহ বেনাপোল-পুটখালী সড়কের পাশে ফেলে রাখা হয়।

এ ঘটনায় নিহতের ভাই ইউসুফ আলী বেনাপোল পোর্ট থানায় অজ্ঞাত আসামিদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্ত করেন পিবিআই যশোরের এসআই রতন মিয়া। তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় জড়িতদের শনাক্ত করে একে একে অভিযুক্তদের আটক করা হচ্ছে। তবে মামলার মূল পরিকল্পনাকারী আনোয়ার হোসেন এখনো পলাতক রয়েছেন। তাকে আটকে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। 

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar