1. bdtelegraph24@gmail.com : বিডিটেলিগ্রাফ ডেস্ক :
  2. suma59630@gmail.com : ফাতেমা আকতার তোয়া : ফাতেমা আকতার তোয়া
  3. limonhosen529@gmail.com : Limon Hossain : Limon Hossain
  4. mirzagonj@bdtelegraph24.com : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি : মির্জাগঞ্জ প্রতিনিধি
  5. tarim7866@gmail.com : তারিম আহমেদ : তারিম আহমেদ
  6. wasifur716@gmail.com : Wasifur Rahaman : Wasifur Rahaman
দুর্গাপুরে ডিবি পরিচয়ে চাচার বাড়িতে ভাতিজার দুর্ধর্ষ ডাকাতি, আটক ৩ - bdtelegraph24.com
মঙ্গলবার, ২০ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৩৩ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নতুন ডিভাইসে কেন পূর্ণ স্টোরেজ পাওয়া যায় না? নেপথ্যে দুই কারণ নাটোরে বাস-ট্রাক সংঘর্ষে নিহত ১৪, আহত ৩০ কালিয়াকৈরে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শন করলেন চেয়ারম্যান প্রার্থী মজিবর রহমান ৫ লাখ টাকা যৌতুক দিয়েও মেলেনি সুখ, গলায় ওড়না পেঁচিয়ে স্ত্রীকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ দুর্গাপূজার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পূজা মণ্ডপ পরিদর্শনে ১৭ বিজিবি অধিনায়ক পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম সফরে প্রধানমন্ত্রী ইংল্যান্ডকে ৯ উইকেটে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন ওয়েস্ট ইন্ডিজ নাসিরনগরে মেম্বার পদপ্রার্থী রাজিব খানের গণসংযোগ বৃহৎ আকারে ‘কলমাকান্দা জামদানি পল্লী’ গড়ে তোলা সময়ের ব্যাপার মাত্র : ডেপুটি স্পিকার ফরিদপুর উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শনে পাবনা জেলা প্রশাসক

দুর্গাপুরে ডিবি পরিচয়ে চাচার বাড়িতে ভাতিজার দুর্ধর্ষ ডাকাতি, আটক ৩

  • সর্বশেষ আপডেট : সোমবার, ২০ জুলাই, ২০২৬
  • ৬৪ জন খবরটি পড়েছেন

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন
Telegraph Bangladesh WHATSAPP Channel

হোয়াটসঅ্যাপে ফলো করুন

দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।

মামুন রণবীর, নেত্রকোণা জেলা প্রতিনিধি

গভীর রাতে গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিচয় দিয়ে বাড়ির সদস্যদের হাত-পা বেঁধে নগদ প্রায় তিন লাখ টাকা, পাঁচ ভরি স্বর্ণালংকার, মোবাইল ফোন ও মূল্যবান পোশাক লুট করে নিয়ে গেছে ডাকাত দল। নেত্রকোণার দুর্গাপুর উপজেলায় চাঞ্চল্যকর এই ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে।

শনিবার দিবাগত রাত ২টার দিকে উপজেলার কাকৈরগড়া ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামের সিদ্দিকুর রহমান ওয়াদুদের বাড়িতে দুঃসাহসিক এই ঘটনা ঘটে।

এই ডাকাতির ঘটনায় মূল পরিকল্পনাকারী হিসেবে ভুক্তভোগী পরিবারের আপন ভাতিজার নাম উঠে এসেছে। প্রযুক্তির সহায়তায় পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে ডাকাত দলের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে।

আটককৃতরা হলেন- হবিগঞ্জের বানিয়াচং উপজেলার রাজ কুমার (২৬), জামালপুর জেলার ইসলামপুর উপজেলার দিঘিরচর মুল্লাপাড়া গ্রামের আব্দুল হামিদ (৪৫) এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা উপজেলার ছরনাল গ্রামের শাহীন আলম (৩৮)।

পুলিশ ও ভুক্তভোগী পরিবার সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাতে খাওয়াদাওয়া শেষে পরিবারের সবাই ঘুমিয়ে পড়েন। রাত আনুমানিক ২টার দিকে দরজায় কড়া নাড়ার শব্দ শুনে বাইরে বেরিয়ে আসেন গৃহকর্তা সিদ্দিকুর রহমান ওয়াদুদ। এ সময় ছয় সদস্যের একটি দল নিজেদের ডিবি পুলিশ হিসেবে পরিচয় দিয়ে জোরপূর্বক ঘরের ভেতরে প্রবেশ করে।

ঘরে ঢুকেই তারা সিদ্দিকুর রহমানের বিরুদ্ধে মাদক বিক্রি ও জাল টাকার ব্যবসার বানোয়াট অভিযোগ তুলে ভয়ভীতি দেখাতে শুরু করে। নানা কথাবার্তার একপর্যায়ে তারা পরিবারের সবার হাত-পা বেঁধে ফেলে। এরপর তারা পুরো বাড়ি তছনছ করে নগদ প্রায় তিন লাখ টাকা, পাঁচ ভরি স্বর্ণালংকার, বেশ কয়েকটি মোবাইল ফোন এবং জামাকাপড়সহ মূল্যবান মালামাল লুট করে নির্বিঘ্নে পালিয়ে যায়।

ডাকাতির ভয়াবহতা বর্ণনা করতে গিয়ে ভুক্তভোগী সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে পাভেল মিয়া বলেন, “ঘরে ঢুকেই তারা নিজেদের ডিবি পুলিশের সদস্য বলে পরিচয় দেয়। এরপর আমাকে আর আমার বাবাকে একসঙ্গে শক্ত করে বেঁধে রাখে। অন্যদিকে, আমার মা ও স্ত্রীকে অন্য একটি ঘরে আটকে রেখে চোখের সামনেই ঘরের সবকিছু লুট করে নিয়ে যায়।”

এদিকে, এই ডাকাতির পেছনে যে নিজেদেরই রক্তের সম্পর্ক জড়িত, তা জেনে হতবাক পরিবারটি। ওয়াদুদের স্ত্রী নূর জাহান বেগম জানান, “আমি শুনেছি আমার দেবরের ছেলেই ছিল ডাকাতদের সাথে। সে সরাসরি ঘরের ভেতরে ঢোকেনি ঠিকই, ডাকাতি শেষে পালানোর সময় আশপাশের মানুষ তাকে দেখে ফেলেছে।”

ডাকাতরা চলে যাওয়ার পর পরিবারের সদস্যদের আর্তচিৎকারে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে এবং তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশকে খবর দেয়। খবর পেয়েই দুর্গাপুর থানা পুলিশ কালক্ষেপণ না করে গ্রামবাসীকে সঙ্গে নিয়ে অভিযানে নামে। লুট হওয়া একটি মোবাইল ফোন সচল থাকায় প্রযুক্তির সহায়তা নেয় পুলিশ। সেটির সর্বশেষ লোকেশন ট্র্যাকিং করে পার্শ্ববর্তী কলমাকান্দা উপজেলার সিধলী এলাকা থেকে ডাকাত দলের তিন সদস্যকে আটক করা হয়। তবে দলের বাকি সদস্যরা পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়।

দুর্গাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনার খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশের একটি দল অভিযান পরিচালনা করে। মোবাইল ফোন ট্র্যাকিংয়ের মাধ্যমে তিনজনকে আটক করা সম্ভব হয়েছে। আটককৃতদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে এসেছে। ভুক্তভোগীদের আপন ভাতিজাই মূলত ডাকাতির মূল পরিকল্পনাকারী। বিয়ে বাড়ির কথা বলে ডাকাতদের মাত্র পাঁচ হাজার টাকায় কন্ট্রাক্টে আনা হয়েছিল। এ চক্রের মূল হোতা ওই ভাতিজাকে গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে আটককৃত ব্যক্তিদের আদালতে সোপর্দ করা হবে।

শেয়ার করুন

এই বিভাগের আরও সংবাদ
© সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত © 2025
Theme Customized By BreakingNews

টেলিগ্রাফ বাংলাদেশের ইউটিউব চ্যানেল

Close Welcome Bar