মনির আহমদ আজাদ, লোহাগাড়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬), সকাল ১০টা
দেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ পেতে হোয়াটসঅ্যাপে টেলিগ্রাফ বাংলাদেশ ফলো করুন।
চট্টগ্রামের লোহাগাড়া ও সাতকানিয়া উপজেলার সংযোগস্থলে টংকাবতী নদীর ওপর নির্মাণাধীন সেতুর কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়ায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন দুই উপজেলার হাজারো মানুষ। ৯০ দশমিক ৯২ মিটার দীর্ঘ আরসিসি গার্ডার সেতুটির নির্মাণকাজ ২০২৩ সালের আগস্টে শুরু হলেও বর্ধিত মেয়াদেও তা শেষ করতে পারেনি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) সূত্রে জানা যায়, ‘প্রোগ্রাম ফর সাপোর্টিং রুরাল ব্রিজেস’ কর্মসূচির আওতায় ৮ কোটি ৪ লাখ ৯৪ হাজার ৩৯৩ টাকা ব্যয়ে সেতুটি নির্মিত হচ্ছে। ২০২৩ সালের ২২ মার্চ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর ২০২৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কাজ শেষ করার কথা ছিল। তবে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেলেও এখনো নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, ‘তিন খালের মুখ’ এলাকায় সেতু না থাকায় তারা যুগ যুগ ধরে ঝুঁকি নিয়ে নদী পারাপার করছেন। প্রতিবছর নিজস্ব অর্থায়নে কাঠের সাঁকো তৈরি করলেও বর্ষায় পাহাড়ি ঢলে তা ভেসে যায়। বর্তমানে সেতুর নির্মাণকাজ চলায় বিকল্প পারাপারের পথও বন্ধ রয়েছে, যা স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীদের যাতায়াতকে দুর্বিষহ করে তুলেছে।
ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ‘মেসার্স নুর সিন্ডিকেট’-এর প্রজেক্ট ম্যানেজার সালমান বলেন, ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের পর বর্ষা মৌসুমে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে টানা কয়েক মাস কাজ বন্ধ রাখতে হয়েছিল। বর্তমানে পুরোদমে কাজ চলছে এবং আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে সেতুটির নির্মাণকাজ পুরোপুরি শেষ করা সম্ভব হবে।
তদারকি জোরদারের আশ্বাস
লোহাগাড়া উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয়ের প্রকৌশলী ফাহাদ বিন মাহমুদ বলেন, দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান সম্প্রতি পুনরায় কাজ শুরু করেছে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে অবশিষ্ট নির্মাণকাজ শেষ করে জনদুর্ভোগ কমাতে উপজেলা প্রকৌশলী কার্যালয় থেকে সার্বিক তদারকি জোরদার করা হয়েছে।